ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা Logo সৌদি যুবরাজের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প Logo গ্যাস সংকট আরও ৫-৭ দিনে স্বাভাবিক হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী Logo জাকসুর উদ্যোগে জাবিতে জব ফেয়ার, ৭০০ শিক্ষার্থীর চাকরির সুযোগ Logo গুচ্ছ ভর্তির নেতৃত্বে পবিপ্রবি-নোবিপ্রবি, যুক্ত হচ্ছে ৩ বিশ্ববিদ্যালয় Logo আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃতের রেকর্ড সেপ্টেম্বরের ১১ দিনেই ভাঙলো Logo এক্সপ্রেসওয়েতে ২০ বাইকারের মোটরসাইকেল রেস, দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo ১০-১২ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ Logo বরিশালে সাংবাদিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo অর্থনীতি ফোকলা করে স্বৈরাচার বিদেশে পালিয়েছে: জাহিদ

অনলাইনে অর্ডার দিয়েছিলেন ডিভাইস, পার্সেল খুলে পেলেন গোবর!

অনলাইন শপিংয়ে পছন্দের প্রযুক্তি পণ্য অর্ডার করার পর পার্সেল হাতে পেয়ে চরম প্রতারণার শিকার হয়েছেন এক তরুণ। ভারতের গ্রেটার নোইডার দানকাউর থানা এলাকার বাসিন্দা আকাশ নগর অনলাইনে একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস অর্ডার করেছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কুরিয়ারের মাধ্যমে পার্সেলটি হাতে পাওয়ার পর সেটি খোলার সময় তার এই তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়। শৌখিন বা প্রয়োজনীয় গ্যাজেট পাওয়ার আনন্দ মূহূর্তেই বদলে যায় চরম উৎকণ্ঠা ও হতাশায়।

ভুক্তভোগী যুবক আকাশ জানান, কাজের প্রয়োজনে তিনি একটি অপরিচিত অনলাইন ওয়েবসাইট থেকে প্রায় দুই হাজার রুপি মূল্যের ওই ডিভাইসটি কিনেছিলেন। অর্ডারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তিনি আগেই অনলাইনে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি নির্ধারিত দিনে যখন ডেলিভারিম্যান পার্সেলটি তার বাড়িতে পৌঁছে দেন এবং তিনি বাক্সটি খোলেন, তখন সেখানে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়নি। পরিবর্তে পুরো বাক্সটি ভর্তি ছিল দুর্গন্ধযুক্ত শুকনা গোবরের সারে।

ডিভাইসের বদলে গোবর পাওয়ার পর অনলাইন শপিংয়ের নামে ভয়াবহ প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতারিত তরুণ স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শুধু স্থানীয় থানাই নয়, এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সাইবার ক্রাইম পুলিশের দপ্তরেও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জমা দিয়েছেন ওই ভুক্তভোগী।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে ওয়েবসাইট বা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্ডারটি করা হয়েছিল, তার বৈধতা এবং আর্থিক লেনদেনের তথ্যগুলো যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কোন কুরিয়ার ডেলিভারি চেইনের মাধ্যমে এই পার্সেলটি সরবরাহ করা হয়েছে, তা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। অপরিচিত বা কম পরিচিত ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা করার সময় ঝুঁকি এড়াতে বিশ্বস্ত ও যাচাইকৃত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের তাগিদ দিয়েছেন তারা। এছাড়া, অনলাইনে অগ্রিম অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং পেমেন্ট গেটওয়ের নিরাপত্তা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয়

পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইনে অর্ডার দিয়েছিলেন ডিভাইস, পার্সেল খুলে পেলেন গোবর!

প্রকাশিত ০৮:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন শপিংয়ে পছন্দের প্রযুক্তি পণ্য অর্ডার করার পর পার্সেল হাতে পেয়ে চরম প্রতারণার শিকার হয়েছেন এক তরুণ। ভারতের গ্রেটার নোইডার দানকাউর থানা এলাকার বাসিন্দা আকাশ নগর অনলাইনে একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস অর্ডার করেছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কুরিয়ারের মাধ্যমে পার্সেলটি হাতে পাওয়ার পর সেটি খোলার সময় তার এই তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়। শৌখিন বা প্রয়োজনীয় গ্যাজেট পাওয়ার আনন্দ মূহূর্তেই বদলে যায় চরম উৎকণ্ঠা ও হতাশায়।

ভুক্তভোগী যুবক আকাশ জানান, কাজের প্রয়োজনে তিনি একটি অপরিচিত অনলাইন ওয়েবসাইট থেকে প্রায় দুই হাজার রুপি মূল্যের ওই ডিভাইসটি কিনেছিলেন। অর্ডারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তিনি আগেই অনলাইনে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি নির্ধারিত দিনে যখন ডেলিভারিম্যান পার্সেলটি তার বাড়িতে পৌঁছে দেন এবং তিনি বাক্সটি খোলেন, তখন সেখানে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়নি। পরিবর্তে পুরো বাক্সটি ভর্তি ছিল দুর্গন্ধযুক্ত শুকনা গোবরের সারে।

ডিভাইসের বদলে গোবর পাওয়ার পর অনলাইন শপিংয়ের নামে ভয়াবহ প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতারিত তরুণ স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শুধু স্থানীয় থানাই নয়, এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনার প্রতিকার চেয়ে সাইবার ক্রাইম পুলিশের দপ্তরেও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জমা দিয়েছেন ওই ভুক্তভোগী।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে ওয়েবসাইট বা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্ডারটি করা হয়েছিল, তার বৈধতা এবং আর্থিক লেনদেনের তথ্যগুলো যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কোন কুরিয়ার ডেলিভারি চেইনের মাধ্যমে এই পার্সেলটি সরবরাহ করা হয়েছে, তা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। অপরিচিত বা কম পরিচিত ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা করার সময় ঝুঁকি এড়াতে বিশ্বস্ত ও যাচাইকৃত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের তাগিদ দিয়েছেন তারা। এছাড়া, অনলাইনে অগ্রিম অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিক্রেতার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং পেমেন্ট গেটওয়ের নিরাপত্তা ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।