ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাটি ছাড়াই কৃষির স্বপ্ন, ফেরদৌসের বাজিমাত

ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ পদ্ধতির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক উপায়ে ফসল ফলানোর উদ্যোগ নিয়ে দারুণ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন কৃষক ফেরদৌস মিয়া। প্রচলিত নিয়মে কৃষিকাজ করতে গেলে যেখানে উর্বর মাটির প্রয়োজন হয়, সেখানে তিনি মাটি ছাড়াই সফলভাবে গাছ বড় করে তুলছেন। তার এই অভিনব কৃষিকাজ গ্রামীণ জনপদে কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয় মানুষের নজর কেড়েছে।

এই বিশেষ পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য তিনি কোনো ধরনের জমির উর্বর মাটি ব্যবহার করছেন না। এর বদলে সারি সারি পলিব্যাগের ভেতরে রাখা হয়েছে নারিকেলের ছোবড়া থেকে প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি বিশেষ উপাদান কোকোপিট। এই পরিবেশবান্ধব মাধ্যমের ভেতরেই গাছের শেকড়গুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠছে।

মাটি ব্যবহারের প্রয়োজন না থাকায় কৃষক ফেরদৌসকে এখন আর জমিতে কষ্টসাধ্য লাঙল দেওয়া কিংবা মাটির বেড প্রস্তুত করার ঝামেলা পোহাতে হয় না। আধুনিক এই প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ কৌশল কৃষিক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে জমির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে খুব সহজেই ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

নিজের ক্ষেতের সবুজ গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে ফেরদৌস মিয়া এখন কৃষির এক নতুন ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার আলো দেখতে পাচ্ছেন। তার এই সফল উদ্যোগ দেখে এলাকার অন্য অনেক তরুণ ও প্রান্তিক কৃষকও অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। ভবিষ্যতে এই ধরনের মাটিহীন চাষ পদ্ধতি আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে পারলে তা দেশের সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয়

অধ্যাপক ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটির আয়কর মামলা ঘিরে এপর্যন্ত যা যা ঘটেছে

মাটি ছাড়াই কৃষির স্বপ্ন, ফেরদৌসের বাজিমাত

প্রকাশিত ১১:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ পদ্ধতির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক উপায়ে ফসল ফলানোর উদ্যোগ নিয়ে দারুণ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন কৃষক ফেরদৌস মিয়া। প্রচলিত নিয়মে কৃষিকাজ করতে গেলে যেখানে উর্বর মাটির প্রয়োজন হয়, সেখানে তিনি মাটি ছাড়াই সফলভাবে গাছ বড় করে তুলছেন। তার এই অভিনব কৃষিকাজ গ্রামীণ জনপদে কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয় মানুষের নজর কেড়েছে।

এই বিশেষ পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য তিনি কোনো ধরনের জমির উর্বর মাটি ব্যবহার করছেন না। এর বদলে সারি সারি পলিব্যাগের ভেতরে রাখা হয়েছে নারিকেলের ছোবড়া থেকে প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি বিশেষ উপাদান কোকোপিট। এই পরিবেশবান্ধব মাধ্যমের ভেতরেই গাছের শেকড়গুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ছড়িয়ে পড়ছে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করে ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠছে।

মাটি ব্যবহারের প্রয়োজন না থাকায় কৃষক ফেরদৌসকে এখন আর জমিতে কষ্টসাধ্য লাঙল দেওয়া কিংবা মাটির বেড প্রস্তুত করার ঝামেলা পোহাতে হয় না। আধুনিক এই প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ কৌশল কৃষিক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে জমির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে খুব সহজেই ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

নিজের ক্ষেতের সবুজ গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে ফেরদৌস মিয়া এখন কৃষির এক নতুন ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার আলো দেখতে পাচ্ছেন। তার এই সফল উদ্যোগ দেখে এলাকার অন্য অনেক তরুণ ও প্রান্তিক কৃষকও অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। ভবিষ্যতে এই ধরনের মাটিহীন চাষ পদ্ধতি আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে পারলে তা দেশের সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।