ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইয়ামালের জোড়া গোলে রিয়ালকে হঁটিয়ে টেবিলের চূড়ায় বার্সা Logo সৌদি আরবের দুই এলাকায় জরুরি সতর্কতা Logo বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, যারা পাবেন Logo রাবিতে ছাত্রদলের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ Logo থানচির ছাং ওডং পাড়ায় পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কুবি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে গঠিত হচ্ছে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার Logo গোবিপ্রবির কৃষি অনুষদের নতুন ডিন ড. এস. এম. আহসান Logo জাতীয় মঞ্চে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন উদ্ভাবনী প্রকল্প Logo বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ৪ শতাংশ ঘাটতির ঝুঁকি

‌‌‌‌‌‌‘খেলনা’ ভেবে বাড়িতে এনেছিল জিসান, পরে জানা গেল এটি কার্তুজ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ থেকে মেশিনগানের একটি সচল কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারি জনতা কলেজের মাঠে ফুটবল খেলার সময় নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী এই ভয়ংকর বিস্ফোরকটি কুড়িয়ে পায়। তবে সেটির গুরুত্ব বা বিপদ সম্পর্কে না বুঝে শিশুসুলভ কৌতূহলবশত সেটিকে সাধারণ কোনো খেলনা ভেবে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়, যা স্থানীয় লোকজনের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম জিসান গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই কলেজ মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে মাঠের বাইরে চলে যাওয়া বল কুড়াতে গিয়ে সে মাঠের একটি গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার রঙের ওই বস্তু দেখতে পায়। চকচকে বস্তুটি দেখে ধাতব কোনো খেলনা বা আকর্ষণীয় বস্তু মনে করে সেটিকে পকেটে ভরে বাসায় নিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় বিষয়টি পরিবারের বড়দের চোখ এড়িয়ে গেলেও পরবর্তীতে তা জানাজানি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

পরদিন স্কুল চলাকালীন টিফিনের সময় জিসান তার বন্ধুদের কাছে ওই বস্তুটি বের করে দেখায় এবং খেলনা হিসেবে প্রদর্শনের চেষ্টা করে। বিষয়টি সেখানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা জিহাদ হোসাইনের নজরে এলে তিনি সেটিকে কাছ থেকে দেখে মারাত্মক সন্দেহ প্রকাশ করেন। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুরো বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুমকি থানার একদল পুলিশ সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় কার্তুজটি নিরাপদে উদ্ধার করেন।

উদ্ধারের পর পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নিশ্চিত করা হয়েছে যে বস্তুটি আসলে কোনো খেলনা ছিল না, বরং এটি একটি সক্রিয় মেশিনগানের কার্তুজ। কীভাবে একটি সামরিক অস্ত্র বা ভারী অস্ত্রের এই বিস্ফোরক কার্তুজ জনবহুল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে এসে পৌঁছাল, তা নিয়ে এখন পুলিশ গভীর তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য বা নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে কি না, তা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।

জনপ্রিয়

ইয়ামালের জোড়া গোলে রিয়ালকে হঁটিয়ে টেবিলের চূড়ায় বার্সা

‌‌‌‌‌‌‘খেলনা’ ভেবে বাড়িতে এনেছিল জিসান, পরে জানা গেল এটি কার্তুজ

প্রকাশিত ১১:০১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ থেকে মেশিনগানের একটি সচল কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারি জনতা কলেজের মাঠে ফুটবল খেলার সময় নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী এই ভয়ংকর বিস্ফোরকটি কুড়িয়ে পায়। তবে সেটির গুরুত্ব বা বিপদ সম্পর্কে না বুঝে শিশুসুলভ কৌতূহলবশত সেটিকে সাধারণ কোনো খেলনা ভেবে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়, যা স্থানীয় লোকজনের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম জিসান গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই কলেজ মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে মাঠের বাইরে চলে যাওয়া বল কুড়াতে গিয়ে সে মাঠের একটি গাছের নিচে ইটের ফাঁকে তামার রঙের ওই বস্তু দেখতে পায়। চকচকে বস্তুটি দেখে ধাতব কোনো খেলনা বা আকর্ষণীয় বস্তু মনে করে সেটিকে পকেটে ভরে বাসায় নিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় বিষয়টি পরিবারের বড়দের চোখ এড়িয়ে গেলেও পরবর্তীতে তা জানাজানি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

পরদিন স্কুল চলাকালীন টিফিনের সময় জিসান তার বন্ধুদের কাছে ওই বস্তুটি বের করে দেখায় এবং খেলনা হিসেবে প্রদর্শনের চেষ্টা করে। বিষয়টি সেখানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা জিহাদ হোসাইনের নজরে এলে তিনি সেটিকে কাছ থেকে দেখে মারাত্মক সন্দেহ প্রকাশ করেন। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুরো বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুমকি থানার একদল পুলিশ সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় কার্তুজটি নিরাপদে উদ্ধার করেন।

উদ্ধারের পর পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নিশ্চিত করা হয়েছে যে বস্তুটি আসলে কোনো খেলনা ছিল না, বরং এটি একটি সক্রিয় মেশিনগানের কার্তুজ। কীভাবে একটি সামরিক অস্ত্র বা ভারী অস্ত্রের এই বিস্ফোরক কার্তুজ জনবহুল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে এসে পৌঁছাল, তা নিয়ে এখন পুলিশ গভীর তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য বা নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে কি না, তা উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।