ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নোবিপ্রবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে সাপের কামড় প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন Logo জাবির সিএলসি ইনস্টিটিউটে পরিচালক নিয়োগ: ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’ ও শিক্ষক পদের দেনদরবারের অভিযোগ! Logo ট্রাম্পের চোখে ‘যুদ্ধের নায়ক’, তবুও নির্বাচনে পরাজয়ের ‘বলির পাঁঠা’ হেগসেথ? Logo ঢামেকে চীনা চিকিৎসক দলের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের সমাপনী Logo ‘স্বস্তি পেলাম’, কফি উইথ করণ শেষে কারিনার প্রতিক্রিয়া Logo কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভালে টিকেটিং পার্টনার টিকিফাই Logo প্রকৃত শ্রমিকরা আর আন্দোলনে নেই: রিজভী Logo মালয়েশিয়ায় ডিসেম্বরে কর্মী পাঠানো শুরুর আশা Logo আকুর বিল মিটিয়ে ২৯.৯৮ বিলিয়ন ডলারে রিজার্ভ Logo বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ বিমান মহড়া শেষ

ডিবি হেফাজতে ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিতর্কিত অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান। এই ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারিতে আনা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি বিশেষ অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই পুলিশ প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। ওই অডিও রেকর্ডের কথোপকথন নিয়ে বিভিন্ন মহོল থেকে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। এই ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা পুলিশ বাহিনীর ভেতরে কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অপকর্মের সাথে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে নীতিনির্ধারক মহল কঠোর অবস্থান নেয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই ওসি রাকিবুল হাসানকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। অডিওর কণ্ঠস্বর এবং সেখানে উঠে আসা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তাকে মুখোমুখি করে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রেখে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ সদরদর্পণ ও ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্স থেকে জানানো হয়েছে যে, মাঠপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বা পেশাগত অনিয়মের দায় পুরো বাহিনী নেবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই তদন্তের ফলাফল এবং ডিবির জিজ্ঞাসাবাদের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

নোবিপ্রবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে সাপের কামড় প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

ডিবি হেফাজতে ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি

প্রকাশিত ০৯:১৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিতর্কিত অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান। এই ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারিতে আনা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি বিশেষ অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই পুলিশ প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। ওই অডিও রেকর্ডের কথোপকথন নিয়ে বিভিন্ন মহོল থেকে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। এই ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা পুলিশ বাহিনীর ভেতরে কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অপকর্মের সাথে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে নীতিনির্ধারক মহল কঠোর অবস্থান নেয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই ওসি রাকিবুল হাসানকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। অডিওর কণ্ঠস্বর এবং সেখানে উঠে আসা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তাকে মুখোমুখি করে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রেখে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ সদরদর্পণ ও ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্স থেকে জানানো হয়েছে যে, মাঠপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বা পেশাগত অনিয়মের দায় পুরো বাহিনী নেবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই তদন্তের ফলাফল এবং ডিবির জিজ্ঞাসাবাদের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।