দেশের ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি মনে করেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে তরুণ প্রজন্মকে কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা অত্যন্ত জরুরি। গতানুগতিক ধারার শিক্ষার বাইরে গিয়ে তরুণদের জন্য বাস্তবসম্মত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।
রাষ্ট্রপতি তাঁর এই বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষার চেয়ে কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। দেশের বিশাল যুবসমাজকে বোঝা না বানিয়ে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারলে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ আরও সুগম হবে। তাই শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার এনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার পরিসর বাড়ানো উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বর্তমান শ্রমবাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক ল্যাব স্থাপন এবং প্রশিক্ষণের মান বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষাবিদদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই রূপান্তর দ্রুত সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সবশেষে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে যুবসমাজকে দক্ষ করে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে জানানো হয়। কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই নীতি বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।


































