ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ২৭ বছর পর ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ Logo জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদ Logo হাবিপ্রবির বিরল উপজেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে মাহমুদুল ও ফয়সাল Logo নোবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কর্মশালা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন Logo জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: বাস ভাড়া কিলোমিটারে ১৮-২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব Logo পিএইচডি গবেষকদের নিয়ে রাবির আইবিএস অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নবীনবরণ Logo ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজারের রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র উদ্বোধন Logo তিন মাসেও শেষ হয়নি পাবিপ্রবির মাঠ সংস্কার Logo ‘টাকা যদি তেল-গ্যাসের পিছেই চলে যায়, তাহলে আমরা কি না খাইয়া থাকুম?’

জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদ

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি মনে করেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে। সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত দেশের বাজারে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষার কথা বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম আরও উল্লেখ করেন যে, এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে দেশের শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এমন একটি সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো কাজ করবে, যা উৎপাদন খরচ ও যাতায়াত ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে দেশের কৃষি এবং শিল্প খাত উভয়ই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। সাধারণ মানুষের পকেট থেকে অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেওয়ার এই প্রক্রিয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান।

বিরোধীদলীয় এই চিফ হুইপ সরকারের নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের ওপর নতুন করে কোনো বোঝা চাপানোর আগে বিকল্প উপায় নিয়ে চিন্তা করা উচিত ছিল। জনকল্যাণকে প্রাধান্য না দিয়ে এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় দেশের আপামর জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে এই অগণতান্ত্রিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তার এই বক্তব্য দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও তেলের মূল্যবৃদ্ধির এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন এবং নাহিদ ইসলামের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এখনই পুনর্বিবেচনা না করলে জনরোষ আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত একটি জনবান্ধব ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

জনপ্রিয়

২৭ বছর পর ‘হঠাৎ বৃষ্টি’

জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে: নাহিদ

প্রকাশিত ১০:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি মনে করেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে। সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত দেশের বাজারে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষার কথা বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম আরও উল্লেখ করেন যে, এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে দেশের শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এমন একটি সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো কাজ করবে, যা উৎপাদন খরচ ও যাতায়াত ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে দেশের কৃষি এবং শিল্প খাত উভয়ই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। সাধারণ মানুষের পকেট থেকে অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেওয়ার এই প্রক্রিয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান।

বিরোধীদলীয় এই চিফ হুইপ সরকারের নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের ওপর নতুন করে কোনো বোঝা চাপানোর আগে বিকল্প উপায় নিয়ে চিন্তা করা উচিত ছিল। জনকল্যাণকে প্রাধান্য না দিয়ে এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় দেশের আপামর জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে এই অগণতান্ত্রিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

তার এই বক্তব্য দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও তেলের মূল্যবৃদ্ধির এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন এবং নাহিদ ইসলামের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এখনই পুনর্বিবেচনা না করলে জনরোষ আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত একটি জনবান্ধব ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।