ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত Logo পত্রিকা: ‘বোয়িংয়ের সাথে চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ’ Logo আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ৫৪৮২ টাকা Logo জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের Logo ‘সাথী’ আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে: প্রিয়াঙ্কা Logo গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি বানাবে যুক্তরাষ্ট্র Logo শ্রীমঙ্গলে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ Logo ২০২০ সালে বলিউডের এক তারকার ম্যানেজারের মৃত্যুর মামলা কেন আবারও তদন্ত করা হচ্ছে Logo তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় Logo নগদ অ্যাপে আইএফআইসি ব্যাংকের সঞ্চয় ও ঋণসেবা দিতে সমঝোতা চুক্তি

আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ৫৪৮২ টাকা

দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু সোনার দাম আবারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধির এই নতুন ঘোষণা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে সোনার দাম আরও একবার নতুন রেকর্ড গড়েছে।

গত ২২ আগস্ট সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন নির্ধারিত এই মূল্যতালিকা সারা দেশের বাজারে কার্যকর করা হয়েছে। ব্যবসায়িক ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে বুলিয়ন মার্কেটের অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি পড়েছে দেশের স্থানীয় বাজারেও।

নতুন এই মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি অর্থাৎ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। অথচ এর আগের দিন পর্যন্ত এই মানের সোনা ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ এক লাফে প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা দাম বেড়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপের সৃষ্টি করেছে।

শুধু ২২ ক্যারেটই নয়, অন্যান্য মানের সোনার দামও একইভাবে পুনর্নির্ধারণ করেছে বাজুস। নতুন তালিকা অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৫ টাকা। পাশাপাশি, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা।

অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা। দেশের বাজারে দফায় দফায় সোনার এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে স্বর্ণালঙ্কার কেনা, যার ফলে সামগ্রিক সোনার বাজারে এক প্রকার স্থবিরতা বিরাজ করছে।

জনপ্রিয়

লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত

আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ৫৪৮২ টাকা

প্রকাশিত ১০:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু সোনার দাম আবারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধির এই নতুন ঘোষণা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে দেশের বাজারে সোনার দাম আরও একবার নতুন রেকর্ড গড়েছে।

গত ২২ আগস্ট সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন নির্ধারিত এই মূল্যতালিকা সারা দেশের বাজারে কার্যকর করা হয়েছে। ব্যবসায়িক ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে বুলিয়ন মার্কেটের অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি পড়েছে দেশের স্থানীয় বাজারেও।

নতুন এই মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি অর্থাৎ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। অথচ এর আগের দিন পর্যন্ত এই মানের সোনা ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ এক লাফে প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা দাম বেড়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপের সৃষ্টি করেছে।

শুধু ২২ ক্যারেটই নয়, অন্যান্য মানের সোনার দামও একইভাবে পুনর্নির্ধারণ করেছে বাজুস। নতুন তালিকা অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৫ টাকা। পাশাপাশি, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা।

অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা। দেশের বাজারে দফায় দফায় সোনার এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে স্বর্ণালঙ্কার কেনা, যার ফলে সামগ্রিক সোনার বাজারে এক প্রকার স্থবিরতা বিরাজ করছে।