দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম আরও একবার বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ বাজার পরিস্থিতি ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সংগঠনটির মূল্য নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মূলত দাম বাড়ানোর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা করা হয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের আগের তুলনায় কিছুটা বেশি অর্থ ব্যয় করে এই অলংকার কিনতে হবে, যা সম্প্রতি কার্যকর হয়েছে এবং বাজারের অন্যান্য গ্রেডের স্বর্ণের ক্ষেত্রেও দামের এই পরিবর্তন প্রযোজ্য হয়েছে।
মানের তারতম্য অনুযায়ী অন্যান্য ক্যাটাগরির স্বর্ণের দামেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশدিত তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা। এছাড়া ঐতিহ্যবাহী সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। মূলত তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণেই দেশীয় বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে বলে জানিয়েছে বাজুস কর্তৃপক্ষ।
স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, অলংকারের নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে, তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় কোনোভাবেই আলাদা করে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এছাড়া পুরোনো অলংকার পরিবর্তন বা বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শতাংশ বাদ দেওয়ার পূর্বের নিয়মগুলোও বহাল রাখা হয়েছে।




































