ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জি২০ সম্মেলনে পুতিনকে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক Logo মহাকাশে নিরাপত্তা জোরদারে নতুন সামরিক স্কোয়াড্রন গড়ল যুক্তরাজ্য Logo মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু, আলোচনায় যারা Logo মহানবী (সা.)-কে নিয়ে পোস্টের জেরে সৌদিতে শ্রীলঙ্কান যুবকের মৃত্যুদণ্ড Logo এফবিআইয়ের গোয়েন্দাদের হাজার হাজার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি Logo ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে সংঘাত বন্ধ করা নিয়ে নতুন আশাবাদ Logo বিশ্বকাপের পর অবসরের কথা ভাবলেও কেন মত বদলালেন রোনালদো Logo ৮৮৮ স্কুলের নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান Logo ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সমর্থন না দিতে কালাসকে সতর্ক করলেন আরাগচি

এফবিআইয়ের গোয়েন্দাদের হাজার হাজার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গোয়েন্দা সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। শাইনিহান্টার্স নামক একটি পরিচিত সাইবার অপরাধী দল দাবি করেছে যে, তারা এফবিআইয়ের সাবেক ও বর্তমান গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং ব্যক্তিগত সব তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। গোয়েন্দা মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা এই সাইবার হামলার বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

হ্যাকার গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তাদের সংগ্রহ করা তথ্যের ভান্ডারে সংস্থাটির অনেক উচ্চপদস্থ ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম, পদবি, যোগাযোগের নম্বরসহ বিভিন্ন গোপনীয় বিবরণ রয়েছে। এই ধরনের তথ্য সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যাওয়ার অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাছাড়া, সংবেদনশীল এসব তথ্য ডার্ক ওয়েবে বা অন্য কোনো মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

তবে এই সাইবার হামলার দাবি নিয়ে এফবিআই কিংবা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণত এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে পর্যালোচনা করে থাকে। একই সঙ্গে কীভাবে এই ডেটা লঙ্ঘন বা সিকিউরিটি ব্রিচ ঘটল, তা উদঘাটনে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা নিবিড় তদন্ত শুরু করেছেন।

এর আগেও শাইনিহান্টার্স দলটি বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটাসেট চুরি করে তা অনলাইনে বিক্রির অভিযোগের কারণে শিরোনামে এসেছিল। বর্তমান এই ঘটনাটি আধুনিক ডিজিটাল যুগে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য সুরক্ষার দুর্বলতা এবং সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধমান হুমকিকে আবারও প্রকটভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারি ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ডেটা সুরক্ষায় আরও বেশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কঠোর মনিটরিং এখন সময়ের দাবি।

জনপ্রিয়

জি২০ সম্মেলনে পুতিনকে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ

এফবিআইয়ের গোয়েন্দাদের হাজার হাজার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি

প্রকাশিত ০২:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গোয়েন্দা সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআইয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। শাইনিহান্টার্স নামক একটি পরিচিত সাইবার অপরাধী দল দাবি করেছে যে, তারা এফবিআইয়ের সাবেক ও বর্তমান গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং ব্যক্তিগত সব তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। গোয়েন্দা মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা এই সাইবার হামলার বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

হ্যাকার গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, তাদের সংগ্রহ করা তথ্যের ভান্ডারে সংস্থাটির অনেক উচ্চপদস্থ ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম, পদবি, যোগাযোগের নম্বরসহ বিভিন্ন গোপনীয় বিবরণ রয়েছে। এই ধরনের তথ্য সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যাওয়ার অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাছাড়া, সংবেদনশীল এসব তথ্য ডার্ক ওয়েবে বা অন্য কোনো মাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

তবে এই সাইবার হামলার দাবি নিয়ে এফবিআই কিংবা মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সাধারণত এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে পর্যালোচনা করে থাকে। একই সঙ্গে কীভাবে এই ডেটা লঙ্ঘন বা সিকিউরিটি ব্রিচ ঘটল, তা উদঘাটনে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা নিবিড় তদন্ত শুরু করেছেন।

এর আগেও শাইনিহান্টার্স দলটি বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটাসেট চুরি করে তা অনলাইনে বিক্রির অভিযোগের কারণে শিরোনামে এসেছিল। বর্তমান এই ঘটনাটি আধুনিক ডিজিটাল যুগে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য সুরক্ষার দুর্বলতা এবং সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধমান হুমকিকে আবারও প্রকটভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারি ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ডেটা সুরক্ষায় আরও বেশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কঠোর মনিটরিং এখন সময়ের দাবি।