ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন সাইবার বুলিংয়ের শিকার সিলেটের সেই বিউটি রানী পাল Logo পা দিয়ে আঘাত করতেই ভেঙে যাচ্ছে সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব, ২ প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব Logo শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে নেপালে বেঁচে যান মার্কিন দম্পতি Logo ক্ষুধার তাড়নায় মিষ্টি কেড়ে খেয়েছিলেন নুর, গণপিটুনির পর আদালতে জরিমানা দিয়ে মুক্তি Logo নোয়াখালীতে ধরা পড়ল ৩ কেজির ইলিশ, বিক্রি হলো যে দামে Logo উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার ‘ভারতীয় নাগরিক’ রবিউল ৪ দিনের রিমান্ডে Logo ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় দেশসেরা রাবি শিক্ষার্থী সিয়াম Logo ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা Logo বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডাই কেম এক্সপো Logo সাগরে গভীর নিম্নচাপ, তিন সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

পা দিয়ে আঘাত করতেই ভেঙে যাচ্ছে সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব, ২ প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একটি নতুন সেতু নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেতুটির ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের কাজে চরম গাফিলতির চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, সামান্য জোরে পা দিয়ে আঘাত করলেই ফুটপাতের স্ল্যাব ভেঙে গুঁড়িয়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম রড ব্যবহার এবং অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে এই মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বা এলজিইডির উদ্যোগে বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় ৪৯ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। মেসার্স হক ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব পালন করছে। সম্প্রতি এলজিইডির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজের মারাত্মক ত্রুটি ও নকশাবহির্ভূত কার্যক্রমের সত্যতা পান। পরিদর্শনের সময় ফুটপাত ও রেলিংয়ের কাজে ব্যবহারিত উপকরণের মান অত্যন্ত নিম্নমানের বলে নিশ্চিত করা হয়।

এই ঘটনার পর দাপ্তরিক অবহেলার অভিযোগে এলজিইডির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ এবং উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করায় কেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হক ট্রেডার্সকে দ্রুত ত্রুটিপূর্ণ কাজ সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী কাজ পুরোপুরি ঠিক না করা পর্যন্ত কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশলী কার্যালয়কে পুরো বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করার এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

এবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন সাইবার বুলিংয়ের শিকার সিলেটের সেই বিউটি রানী পাল

পা দিয়ে আঘাত করতেই ভেঙে যাচ্ছে সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব, ২ প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

প্রকাশিত ১১:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে একটি নতুন সেতু নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেতুটির ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের কাজে চরম গাফিলতির চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, সামান্য জোরে পা দিয়ে আঘাত করলেই ফুটপাতের স্ল্যাব ভেঙে গুঁড়িয়ে যাচ্ছে। নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম রড ব্যবহার এবং অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারণে এই মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বা এলজিইডির উদ্যোগে বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় ৪৯ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। মেসার্স হক ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব পালন করছে। সম্প্রতি এলজিইডির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজের মারাত্মক ত্রুটি ও নকশাবহির্ভূত কার্যক্রমের সত্যতা পান। পরিদর্শনের সময় ফুটপাত ও রেলিংয়ের কাজে ব্যবহারিত উপকরণের মান অত্যন্ত নিম্নমানের বলে নিশ্চিত করা হয়।

এই ঘটনার পর দাপ্তরিক অবহেলার অভিযোগে এলজিইডির দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ এবং উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করায় কেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে না, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হক ট্রেডার্সকে দ্রুত ত্রুটিপূর্ণ কাজ সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী কাজ পুরোপুরি ঠিক না করা পর্যন্ত কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশলী কার্যালয়কে পুরো বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করার এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।