ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo চুয়েটে আন্দোলনের পঞ্চম দিন, নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ শিক্ষার্থীদের Logo তিন জেলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের Logo যৌন নিপীড়ন ও প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে শাস্তিপ্রাপ্ত কুবির তিন শিক্ষকের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত Logo জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সন্দেহে আটক ২৬০ Logo ‘লিডারশিপ অ্যান্ড একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য Logo ‘কিউআর কোডে বাড়বে ২ লাখ কোটি টাকার কর আদায়’- বাকৃবিতে গভর্নর Logo সুপার এল নিনোর প্রভাবে সবচেয়ে শুষ্ক মরুভূমিও এখন রঙিন ফুলের বাগান Logo রুটি দিয়ে ত্বকের যত্ন! জেনে নিন ত্বকযত্নে বাসি রুটির জাদুকরি ভূমিকার কথা Logo দিনদুপুরে অস্ত্র হাতে সোনার দোকানে ডাকাতি, রক্ষা পাননি ক্রেতাও

‘বিজ্ঞান হবে ভিত্তি, ইনোভেশন হবে চালিকাশক্তি’—পাবিপ্রবি উপাচার্য

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম বলেছেন, “আসুন, আমরা এমন একটি ফার্মাসিউটিক্যাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলি, যেখানে বিজ্ঞান হবে ভিত্তি, ইনোভেশন হবে চালিকাশক্তি এবং মানুষের স্বাস্থ্য হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।”
‎
‎শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন ভবনে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
‎
‎তিনি বলেন, “আপনারাই দেশের ভবিষ্যৎ। আজকের এই মেধাভিত্তিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। অর্জিত জ্ঞানকে মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর সৎ মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
‎চিকিৎসাব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টরা হলেন ‘Medication Experts’। ওষুধের ভুল প্রয়োগ রোধ এবং রোগীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানে ফার্মাসিস্টদের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই শিক্ষার্থীদের নিজেদের একজন দক্ষ ও যোগ্য ফার্মাসিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”
‎
‎তিনি আরও বলেন, “বৈশ্বিক মহামারির দিনগুলো থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত, এমনকি তারও আগে থেকে আমরা যদি দেখি—প্রাত্যহিক স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ উদ্ভাবন, ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং ওষুধনীতি প্রণয়নে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
‎
‎উপাচার্য বলেন, “একজন শিক্ষার্থী শুধু পাঠ্যবইয়ে ফার্মাকোলজি পড়বে না, তাকে ল্যাবরেটরিতে গিয়ে বিভিন্ন কম্পাউন্ড স্ক্রিনিং করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী শুধু মেডিসিনাল প্ল্যান্টের নাম, বাংলা ও বৈজ্ঞানিক নাম মুখস্থ করবে না; বরং সেই উদ্ভিদ থেকে কীভাবে অ্যাকটিভ কম্পাউন্ড আবিষ্কার ও শনাক্ত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করবে।
‎একইভাবে একজন গবেষক শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ করেই দায়িত্ব শেষ করবেন না। তাকে ভাবতে হবে—এই গবেষণা পেটেন্ট করা সম্ভব কি না, এই মলিকিউল বা কম্পাউন্ড ড্রাগ ক্যান্ডিডেট হতে পারে কি না, কিংবা এই প্রযুক্তি শিল্পে স্থানান্তর করা সম্ভব কি না। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণার লক্ষ্যও এমন হওয়া উচিত।”
‎
‎তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি থেকে নতুন কম্পাউন্ড আবিষ্কৃত হবে। আমাদের মেডিসিনাল প্ল্যান্ট থেকে এভিডেন্স-বেসড মেডিসিন তৈরি হবে। আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো সেই ডিসকভারিকে প্রোডাক্টে রূপান্তর করবে। আমাদের তরুণ ফার্মাসিস্টরা বিশ্বমানের গবেষণায় নেতৃত্ব দেবেন এবং ইনোভেশন বাংলাদেশের মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যেও অবদান রাখবে।
‎
‎আজকের এই ওয়ার্ল্ড ফার্মাসিস্ট দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—‘ফ্রম ডিসপেন্সিং টু ডিসকভারি, ফ্রম ম্যানুফ্যাকচারিং টু ইনোভেশন, অ্যান্ড ফ্রম লোকাল স্ট্রেংথ টু গ্লোবাল এক্সিলেন্স।’

জনপ্রিয়

চুয়েটে আন্দোলনের পঞ্চম দিন, নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ শিক্ষার্থীদের

‘বিজ্ঞান হবে ভিত্তি, ইনোভেশন হবে চালিকাশক্তি’—পাবিপ্রবি উপাচার্য

প্রকাশিত ০৮:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম বলেছেন, “আসুন, আমরা এমন একটি ফার্মাসিউটিক্যাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলি, যেখানে বিজ্ঞান হবে ভিত্তি, ইনোভেশন হবে চালিকাশক্তি এবং মানুষের স্বাস্থ্য হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।”
‎
‎শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন ভবনে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
‎
‎তিনি বলেন, “আপনারাই দেশের ভবিষ্যৎ। আজকের এই মেধাভিত্তিক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। অর্জিত জ্ঞানকে মানবকল্যাণে কাজে লাগানোর সৎ মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
‎চিকিৎসাব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টরা হলেন ‘Medication Experts’। ওষুধের ভুল প্রয়োগ রোধ এবং রোগীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানে ফার্মাসিস্টদের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই শিক্ষার্থীদের নিজেদের একজন দক্ষ ও যোগ্য ফার্মাসিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”
‎
‎তিনি আরও বলেন, “বৈশ্বিক মহামারির দিনগুলো থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত, এমনকি তারও আগে থেকে আমরা যদি দেখি—প্রাত্যহিক স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ উদ্ভাবন, ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং ওষুধনীতি প্রণয়নে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
‎
‎উপাচার্য বলেন, “একজন শিক্ষার্থী শুধু পাঠ্যবইয়ে ফার্মাকোলজি পড়বে না, তাকে ল্যাবরেটরিতে গিয়ে বিভিন্ন কম্পাউন্ড স্ক্রিনিং করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী শুধু মেডিসিনাল প্ল্যান্টের নাম, বাংলা ও বৈজ্ঞানিক নাম মুখস্থ করবে না; বরং সেই উদ্ভিদ থেকে কীভাবে অ্যাকটিভ কম্পাউন্ড আবিষ্কার ও শনাক্ত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করবে।
‎একইভাবে একজন গবেষক শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ করেই দায়িত্ব শেষ করবেন না। তাকে ভাবতে হবে—এই গবেষণা পেটেন্ট করা সম্ভব কি না, এই মলিকিউল বা কম্পাউন্ড ড্রাগ ক্যান্ডিডেট হতে পারে কি না, কিংবা এই প্রযুক্তি শিল্পে স্থানান্তর করা সম্ভব কি না। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণার লক্ষ্যও এমন হওয়া উচিত।”
‎
‎তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি থেকে নতুন কম্পাউন্ড আবিষ্কৃত হবে। আমাদের মেডিসিনাল প্ল্যান্ট থেকে এভিডেন্স-বেসড মেডিসিন তৈরি হবে। আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো সেই ডিসকভারিকে প্রোডাক্টে রূপান্তর করবে। আমাদের তরুণ ফার্মাসিস্টরা বিশ্বমানের গবেষণায় নেতৃত্ব দেবেন এবং ইনোভেশন বাংলাদেশের মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্যেও অবদান রাখবে।
‎
‎আজকের এই ওয়ার্ল্ড ফার্মাসিস্ট দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—‘ফ্রম ডিসপেন্সিং টু ডিসকভারি, ফ্রম ম্যানুফ্যাকচারিং টু ইনোভেশন, অ্যান্ড ফ্রম লোকাল স্ট্রেংথ টু গ্লোবাল এক্সিলেন্স।’