ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন  Logo ড. ইউনূসকে হয়রানি ও হেনস্তায় সাবেক ১২ উপদেষ্টার ক্ষোভ-নিন্দা Logo শরতের আবহে জাবিতে নবীনবরণ, নাট্যোৎসবে ‘বিধিবাম’ মঞ্চায়িত Logo দশ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় Logo ধর্মীয় ‘স্পর্শকাতর’ স্ট্যাটাস-মিম, জাবি শিক্ষার্থীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রশাসনের Logo ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ Logo ওয়েলসে মিলল রোমান দুর্গ: সত্যি ছিল সম্রাটের ঘাঁটির উপাখ্যান

চুয়েটে আন্দোলনের পঞ্চম দিন, নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়ায়। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার এই আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে পুরো ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। দুপুর নাগাদ আয়োজিত এই মিছিলে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের নাম উল্লেখ করে তাঁকে ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন করা হয়। এর আগে সকালে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ও একাডেমিক ভবনের দেওয়ালজুড়ে নানা ধরনের প্রতিবাদী গ্রাফিতি আঁকেন তাঁরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্লাসে ফিরতে চান, তবে তাদের একমাত্র দাবি অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহাল। বিগত কয়েক দিনে এই দাবিতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে পাহারা দেওয়া, কমপ্লিট শাটডাউন এবং মশাল মিছিলের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। তাঁর পরিবর্তে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা এবং তখন থেকেই ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

জনপ্রিয়

অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন 

চুয়েটে আন্দোলনের পঞ্চম দিন, নতুন উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চলমান আন্দোলন পঞ্চম দিনে গড়ায়। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহাল রাখার এই আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে পুরো ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। দুপুর নাগাদ আয়োজিত এই মিছিলে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের নাম উল্লেখ করে তাঁকে ‘লাল কার্ড’ প্রদর্শন করা হয়। এর আগে সকালে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ও একাডেমিক ভবনের দেওয়ালজুড়ে নানা ধরনের প্রতিবাদী গ্রাফিতি আঁকেন তাঁরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্লাসে ফিরতে চান, তবে তাদের একমাত্র দাবি অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহাল। বিগত কয়েক দিনে এই দাবিতে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে পাহারা দেওয়া, কমপ্লিট শাটডাউন এবং মশাল মিছিলের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। তাঁর পরিবর্তে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা এবং তখন থেকেই ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।