ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইরান-কিউবা ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা চীনের Logo জবি গেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী আটক, পুলিশের কাছে হস্তান্তর Logo বসতভিটা বাঁচাতে গ্রামবাসীই আটক করলেন ড্রেজার, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা Logo জন্মদিন পালনের আয়োজন করে কেক-মোটরসাইকেল ফেলে পালাল নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতাকর্মীরা Logo ‘ইসরাইলি নির্বাচনের চালিকাশক্তি হলো ফিলিস্তিনিদের রক্ত’ Logo খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা Logo ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি আইসিইউ চালু Logo হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া নয়, আনুষ্ঠানিক অবস্থান চায় ইরান: আরাগচি Logo জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইবার সুরক্ষা আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা জনসমক্ষে আলোচনাও করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো এই আইনের অপব্যবহার করা হবে না এবং জনগণের বাকস্বাধীনতা খর্ব করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই।

নতুন এই সংশোধনীর খসড়ায় ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানি বা কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার মতো বিষয়গুলোকে পুনরায় ফৌজদারি অপরাধের আওতায় নিয়ে আসার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্মানহানি রোধে আইনি সুরক্ষা বজায় রাখতেই এই ধারাগুলো রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে অতীতে যেভাবে এই আইন ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন করা হতো, বর্তমান প্রশাসন সেই নীতি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকবে।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে, আগের সরকারের আমলে এই আইনের অপব্যবহারের কারণে অনেকেই হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন মানুষের মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তাই আগের মতো দমনমূলক উদ্দেশ্যে এই আইন ব্যবহার করা হবে না এবং এর প্রয়োগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিশ্চিত করা হবে যেন সাধারণ নাগরিক বা গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার অপরাধ রোধে কঠোর বিধান প্রয়োজন থাকলেও তার যত্রতত্র ব্যবহার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায়। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আশ্বাসের পর জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, চূড়ান্ত সংশোধনীতে এমন কিছু সুনির্দিষ্ট সুরক্ষাকবচ রাখা হবে যাতে অপরাধী শাস্তি পায় কিন্তু নিরপরাধ কেউ অযথা আইনি হয়রানির মুখে না পড়েন।

জনপ্রিয়

ইরান-কিউবা ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা চীনের

খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত ০৪:৪৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইবার সুরক্ষা আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা জনসমক্ষে আলোচনাও করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো এই আইনের অপব্যবহার করা হবে না এবং জনগণের বাকস্বাধীনতা খর্ব করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই।

নতুন এই সংশোধনীর খসড়ায় ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানি বা কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার মতো বিষয়গুলোকে পুনরায় ফৌজদারি অপরাধের আওতায় নিয়ে আসার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্মানহানি রোধে আইনি সুরক্ষা বজায় রাখতেই এই ধারাগুলো রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে অতীতে যেভাবে এই আইন ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন করা হতো, বর্তমান প্রশাসন সেই নীতি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকবে।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে, আগের সরকারের আমলে এই আইনের অপব্যবহারের কারণে অনেকেই হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন মানুষের মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তাই আগের মতো দমনমূলক উদ্দেশ্যে এই আইন ব্যবহার করা হবে না এবং এর প্রয়োগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিশ্চিত করা হবে যেন সাধারণ নাগরিক বা গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার অপরাধ রোধে কঠোর বিধান প্রয়োজন থাকলেও তার যত্রতত্র ব্যবহার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায়। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আশ্বাসের পর জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, চূড়ান্ত সংশোধনীতে এমন কিছু সুনির্দিষ্ট সুরক্ষাকবচ রাখা হবে যাতে অপরাধী শাস্তি পায় কিন্তু নিরপরাধ কেউ অযথা আইনি হয়রানির মুখে না পড়েন।