ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিচারককে ধর্ষণ মামলার বাদী, ‘আসামির সাজা হলে আমাকেও ফাঁসি দিতে হবে’ Logo সৈকতে ডিম পেড়ে সামুদ্রিক কচ্ছপের বাসা বানানোর বিরল দৃশ্য Logo ৮ম বারের মতো মেটলাইফ এর সাথে চুক্তি নবায়ন করলো এন আর বি ব্যাংক Logo হঠাৎ ভারতের মাটিতে নামল ৬ মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, সঙ্গে দুই শতাধিক সেনা Logo ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে সকল আউটলেটে ২৬% ডিসকাউন্ট দিচ্ছে এপেক্স Logo নিজাম উদ্দিন বাসেতের ১০০তম রক্তদান উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প Logo আবার আলোচনায় বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখল, নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না কেন Logo খাজনা কমাতে ঘুষ গ্রহণ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার, ভিডিও ভাইরাল Logo আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ Logo খামেনি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের তীব্র সমালোচনায় রাশিয়া

খামেনি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের তীব্র সমালোচনায় রাশিয়া

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইরান ও ভেনেজুয়েলা সংকটের জেরে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের তীব্র সমালোচনা করেছে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে জানান যে, বর্তমান বিশ্বে কোনো একটি মাত্র পরাশক্তির একাধিপত্য বজায় থাকা সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণ পরিবর্তন করে বিশ্ব ব্যবস্থাকে আরও বেশি ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর জোর দেন।

রুশ এই শীর্ষ কূটনীতিকের মতে, বর্তমান বিশ্বের দক্ষিণ ও পূর্ব গোলার্ধের উদীয়মান দেশগুলো নিজেদের একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী সার্বভৌম উন্নয়নকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে। তাদের এই স্বনির্ভরতার কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি অধিকতর ন্যায়ানুগ ও বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে ওঠার পথ সুগম হচ্ছে। একক আধিপত্যের ধারণা বাদ দিয়ে পারস্পরিক সমতার ভিত্তিতে বৈশ্বিক সম্পর্ক পরিচালনার সময় এসেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তার পরিবার এবং দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের টার্গেট করে হত্যার তীব্র নিন্দা জানান লাভরভ। তিনি এই ধরণের সামরিক পদক্ষেপকে বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা শক্তির জবরদস্তিমূলক ও অগ্রহণযোগ্য একনায়কতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক অভিযানের সময় ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়, যা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার নিরাপত্তাব্যবস্থাকে মারাত্মক হুমকিতে ফেলেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ইউরোপীয় দেশগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখানকার সরকারগুলো একদিকে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে এবং অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ওপর হামলায় মদদ দিয়ে শান্তি প্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করছে। তবে এর মধ্যেই ওয়াশিংটনের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনসহ বেশ কিছু পক্ষ চলমান সংকট নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঐতিহাসিক নুরেমবার্গ বিচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন যে, ইউরোপের বর্তমান সরকারগুলো ইউক্রেনীয় উগ্রপন্থা সহ্য করছে এবং রুশ ভাষার ওপর নানা ধরনের অন্যায্য বিধিনিষেধ আরোপ করে চলেছে।

জনপ্রিয়

বিচারককে ধর্ষণ মামলার বাদী, ‘আসামির সাজা হলে আমাকেও ফাঁসি দিতে হবে’

খামেনি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের তীব্র সমালোচনায় রাশিয়া

প্রকাশিত ০৭:১৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইরান ও ভেনেজুয়েলা সংকটের জেরে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের তীব্র সমালোচনা করেছে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে জানান যে, বর্তমান বিশ্বে কোনো একটি মাত্র পরাশক্তির একাধিপত্য বজায় থাকা সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণ পরিবর্তন করে বিশ্ব ব্যবস্থাকে আরও বেশি ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর জোর দেন।

রুশ এই শীর্ষ কূটনীতিকের মতে, বর্তমান বিশ্বের দক্ষিণ ও পূর্ব গোলার্ধের উদীয়মান দেশগুলো নিজেদের একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী সার্বভৌম উন্নয়নকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে। তাদের এই স্বনির্ভরতার কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি অধিকতর ন্যায়ানুগ ও বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে ওঠার পথ সুগম হচ্ছে। একক আধিপত্যের ধারণা বাদ দিয়ে পারস্পরিক সমতার ভিত্তিতে বৈশ্বিক সম্পর্ক পরিচালনার সময় এসেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তার পরিবার এবং দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের টার্গেট করে হত্যার তীব্র নিন্দা জানান লাভরভ। তিনি এই ধরণের সামরিক পদক্ষেপকে বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা শক্তির জবরদস্তিমূলক ও অগ্রহণযোগ্য একনায়কতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক অভিযানের সময় ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়, যা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার নিরাপত্তাব্যবস্থাকে মারাত্মক হুমকিতে ফেলেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ইউরোপীয় দেশগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখানকার সরকারগুলো একদিকে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে এবং অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ওপর হামলায় মদদ দিয়ে শান্তি প্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করছে। তবে এর মধ্যেই ওয়াশিংটনের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনসহ বেশ কিছু পক্ষ চলমান সংকট নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঐতিহাসিক নুরেমবার্গ বিচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন যে, ইউরোপের বর্তমান সরকারগুলো ইউক্রেনীয় উগ্রপন্থা সহ্য করছে এবং রুশ ভাষার ওপর নানা ধরনের অন্যায্য বিধিনিষেধ আরোপ করে চলেছে।