ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ব্যাডমিন্টনে সে-ইয়ংয়ের অনন্য কীর্তি Logo ভাইরাল মিজানের ১০০ টাকায় গরুর মাংস-ভাতের দোকান আবার উচ্ছেদ Logo বিশ্বের সবচেয়ে শব্দদূষণকারী দুই পাখির সন্ধান Logo কমলনগর উপজেলা মহিলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির প্রতিনিধি হলেন দেলোয়ার হোসেন মানিক Logo নোবিপ্রবিতে চালু হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার Logo গোবিপ্রবিতে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন Logo ম্যান সিটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করল প্রিমিয়ার লিগ Logo দেশে প্রথম প্ল্যানটেইন থেকে নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ব্রয়লার মাংস উৎপাদনে বাকৃবির সাফল্য Logo থার্ড টার্মিনালের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব Logo কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারে এই ‘মিথ্যা কলা’ গাছ

কর্মীকে মারধরের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার ডেলিভারি বন্ধ

গেট পাসের বাড়তি ফি আদায়কে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার জেরে চট্টগ্রাম বন্দরে এক ট্রেইলর শ্রমিককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বন্দর থেকে সব ধরনের কনটেইনার ডেলিভারি ও পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছেন ট্রাক, প্রাইম মুভার এবং ট্রেইলরের চালক ও শ্রমিকেরা। বিকেলে বন্দরের ৫ নম্বর গেট এলাকায় এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার ফলে মুহূর্তেই পুরো বন্দরের পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগ, বন্দর এলাকায় প্রবেশের জন্য নিয়মবহর্ভূতভাবে গেট পাসের বর্ধিত ফি নেওয়া হচ্ছিল। নির্ধারিত ৫৭ টাকার স্থলে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা নিয়ে ট্রেইলর শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ মোকতার হোসেনের সঙ্গে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তাকর্মীরা ওই শ্রমিক নেতাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। শ্রমিকদের মারধরের ঘটনায় বন্দরের নিরাপত্তাকর্মী আশিকুর রহমানও আহত হয়েছেন এবং তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে তারা উভয় পক্ষকে নিয়ে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়, কিন্তু ৪ নম্বর গেটে যাওয়ার পর পুনরায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ হাজার একক কনটেইনার ডেলিভারি হয়ে থাকে, যা আমদানীকৃত পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করে। জাহাজ থেকে খালাসের পর এসব কনটেইনার ট্রেইলরে করে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হয়। তবে সাম্প্রতিক এই শ্রমিক অসন্তোষ ও পরিবহন বন্ধ থাকার কারণে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে এবং এই বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

ব্যাডমিন্টনে সে-ইয়ংয়ের অনন্য কীর্তি

কর্মীকে মারধরের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার ডেলিভারি বন্ধ

প্রকাশিত ০৯:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গেট পাসের বাড়তি ফি আদায়কে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার জেরে চট্টগ্রাম বন্দরে এক ট্রেইলর শ্রমিককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বন্দর থেকে সব ধরনের কনটেইনার ডেলিভারি ও পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছেন ট্রাক, প্রাইম মুভার এবং ট্রেইলরের চালক ও শ্রমিকেরা। বিকেলে বন্দরের ৫ নম্বর গেট এলাকায় এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার ফলে মুহূর্তেই পুরো বন্দরের পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

শ্রমিক সংগঠনের অভিযোগ, বন্দর এলাকায় প্রবেশের জন্য নিয়মবহর্ভূতভাবে গেট পাসের বর্ধিত ফি নেওয়া হচ্ছিল। নির্ধারিত ৫৭ টাকার স্থলে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা নিয়ে ট্রেইলর শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ মোকতার হোসেনের সঙ্গে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিরাপত্তাকর্মীরা ওই শ্রমিক নেতাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই ঘটনার পর শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। শ্রমিকদের মারধরের ঘটনায় বন্দরের নিরাপত্তাকর্মী আশিকুর রহমানও আহত হয়েছেন এবং তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে তারা উভয় পক্ষকে নিয়ে মীমাংসার উদ্যোগ নেয়, কিন্তু ৪ নম্বর গেটে যাওয়ার পর পুনরায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ হাজার একক কনটেইনার ডেলিভারি হয়ে থাকে, যা আমদানীকৃত পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করে। জাহাজ থেকে খালাসের পর এসব কনটেইনার ট্রেইলরে করে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হয়। তবে সাম্প্রতিক এই শ্রমিক অসন্তোষ ও পরিবহন বন্ধ থাকার কারণে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটেছে এবং এই বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।