ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিশ্বের সবচেয়ে শব্দদূষণকারী দুই পাখির সন্ধান Logo কমলনগর উপজেলা মহিলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির প্রতিনিধি হলেন দেলোয়ার হোসেন মানিক Logo নোবিপ্রবিতে চালু হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার Logo গোবিপ্রবিতে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন Logo ম্যান সিটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করল প্রিমিয়ার লিগ Logo দেশে প্রথম প্ল্যানটেইন থেকে নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ব্রয়লার মাংস উৎপাদনে বাকৃবির সাফল্য Logo থার্ড টার্মিনালের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব Logo কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারে এই ‘মিথ্যা কলা’ গাছ Logo মাদ্রাসার ছাদে দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থীর একজনের মৃত্যু Logo বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান

মাদ্রাসার ছাদে দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থীর একজনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাদে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনায় দগ্ধ হওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে আতিয়া আক্তার রিমা নামের এক শিশু মারা গেছে। সম্প্রতি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত আতিয়ার বয়স প্রায় এগারো বছর এবং তার বাড়ি নাটোর সদর উপজেলায়। তার বাবার নাম আতিয়ার রহমান। হাসপাতালের চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থীর শরীরের উল্লেখযোগ্য অংশ পুড়ে গিয়েছিল এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমকে এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা আতিয়ার শরীরের প্রায় পঁয়তাল্লিশ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এই ঘটনায় দগ্ধ হওয়া আরও চার ছাত্রী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তাদের বিভিন্ন মাত্রার বার্ন ইনজুরি রয়েছে। চিকিৎসকরা তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে চলেছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

চিকিৎসাধীন বাকি চার শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার বিবরণ দিতে গিয়ে চিকিৎসক জানান, তাদের মধ্যে জিদনীর শরীরের বাষট্টি শতাংশ এবং লামিয়া আক্তার শাপলার পঞ্চান্ন শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া সুমাইয়া আক্তারের তেরো শতাংশ ও আসিয়া আক্তার আফরোজার সাত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিদনীও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বাকি শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন থেকে ধীরগতিতে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছে।

এর আগে সম্প্রতি বিকেলে ফতুল্লার কাশীপুর হাজীপাড়ার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসার তিনতলা ভবনের ছাদে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীই ওই আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্রী ছিল এবং ঘটনার দিন বিকেলে তারা খেলাধুলার উদ্দেশ্যে ছাদে গিয়েছিল। মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, ঘটনার সময় ছাদ থেকে হঠাৎ শব্দ পাওয়ার পর সেখানে গিয়ে তাদের দগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিক অবস্থায় তাদের স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। মাদ্রাসা ভবনের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতার বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এসে তারা বিদ্যুতায়িত হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

বিশ্বের সবচেয়ে শব্দদূষণকারী দুই পাখির সন্ধান

মাদ্রাসার ছাদে দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থীর একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত ১০:৩০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাদে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনায় দগ্ধ হওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে আতিয়া আক্তার রিমা নামের এক শিশু মারা গেছে। সম্প্রতি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত আতিয়ার বয়স প্রায় এগারো বছর এবং তার বাড়ি নাটোর সদর উপজেলায়। তার বাবার নাম আতিয়ার রহমান। হাসপাতালের চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থীর শরীরের উল্লেখযোগ্য অংশ পুড়ে গিয়েছিল এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমকে এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা আতিয়ার শরীরের প্রায় পঁয়তাল্লিশ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এই ঘটনায় দগ্ধ হওয়া আরও চার ছাত্রী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তাদের বিভিন্ন মাত্রার বার্ন ইনজুরি রয়েছে। চিকিৎসকরা তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে চলেছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

চিকিৎসাধীন বাকি চার শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার বিবরণ দিতে গিয়ে চিকিৎসক জানান, তাদের মধ্যে জিদনীর শরীরের বাষট্টি শতাংশ এবং লামিয়া আক্তার শাপলার পঞ্চান্ন শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া সুমাইয়া আক্তারের তেরো শতাংশ ও আসিয়া আক্তার আফরোজার সাত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিদনীও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বাকি শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন থেকে ধীরগতিতে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছে।

এর আগে সম্প্রতি বিকেলে ফতুল্লার কাশীপুর হাজীপাড়ার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসার তিনতলা ভবনের ছাদে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীই ওই আবাসিক মাদ্রাসার ছাত্রী ছিল এবং ঘটনার দিন বিকেলে তারা খেলাধুলার উদ্দেশ্যে ছাদে গিয়েছিল। মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, ঘটনার সময় ছাদ থেকে হঠাৎ শব্দ পাওয়ার পর সেখানে গিয়ে তাদের দগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিক অবস্থায় তাদের স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। মাদ্রাসা ভবনের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতার বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এসে তারা বিদ্যুতায়িত হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।