ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ফিলিস্তিনে নির্বাচন ২০২৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার ভোট আয়োজনের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা ফিলিস্তিনি লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের নির্বাচন প্রায় এক বছর পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি ডিক্রি জারি করেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট, যা আগামী ২০২৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনও একই দিনে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভোট স্থগিত করার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোচনার জন্য শীর্ষ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের একটি কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) নির্বাহী কমিটি জানিয়েছে যে বর্তমান রাজনৈতিক ও ভূখণ্ডগত পরিস্থিতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য অনুকূল নয়। পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর এবং গাজা ভূখণ্ডের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভোট পেছানোর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

নির্বাচন আয়োজনের পথে বড় বাধা হিসেবে ইসরাইলের অসহযোগিতাকে দায়ী করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইসরাইল কর্তৃপক্ষ নির্বাচন পরিচালনা সংশ্লিষ্ট সামগ্রী বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোটগ্রহণ অসম্ভব হয়ে পড়েছিল বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য যে, ফিলিস্তিনে সর্বশেষ আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই নির্বাচনে হামাস সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করার পর ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো সেই সরকারকে বয়কট করেছিল। ২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা মাহমুদ আব্বাস তার দীর্ঘ মেয়াদে এর আগেও একাধিকবার নির্বাচন স্থগিত করেছিলেন।

জনপ্রিয়

বজ্র-বৃষ্টিসহ টানা ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া

ফিলিস্তিনে নির্বাচন ২০২৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত ১২:৫২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবার ভোট আয়োজনের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা ফিলিস্তিনি লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের নির্বাচন প্রায় এক বছর পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এই বিষয়ে একটি ডিক্রি জারি করেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট, যা আগামী ২০২৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনও একই দিনে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভোট স্থগিত করার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোচনার জন্য শীর্ষ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের একটি কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) নির্বাহী কমিটি জানিয়েছে যে বর্তমান রাজনৈতিক ও ভূখণ্ডগত পরিস্থিতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য অনুকূল নয়। পূর্ব জেরুজালেম, পশ্চিম তীর এবং গাজা ভূখণ্ডের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভোট পেছানোর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

নির্বাচন আয়োজনের পথে বড় বাধা হিসেবে ইসরাইলের অসহযোগিতাকে দায়ী করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইসরাইল কর্তৃপক্ষ নির্বাচন পরিচালনা সংশ্লিষ্ট সামগ্রী বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোটগ্রহণ অসম্ভব হয়ে পড়েছিল বলে জানানো হয়।

উল্লেখ্য যে, ফিলিস্তিনে সর্বশেষ আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই নির্বাচনে হামাস সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করার পর ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলো সেই সরকারকে বয়কট করেছিল। ২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা মাহমুদ আব্বাস তার দীর্ঘ মেয়াদে এর আগেও একাধিকবার নির্বাচন স্থগিত করেছিলেন।