ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

জিম্বাবুয়েকে গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান

খেলা ডেস্ক: শারজাহর মাঠে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুইয়েকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে আফগানিস্তান। প্রাথমিক পর্বের সব ম্যাচ জিতে ফাইনালে আসা আফগানরা শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে। বল হাতে প্রতিপক্ষকে অল্প রানে আটকে দেয়ার পর ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংসে অনায়াস জয় তুলে নেয় তারা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের অপরাজিত থাকার গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখল আফগানিস্তান দল।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে দল। দলীয় রান পঞ্চাশের কোঠা পার হওয়ার আগেই তাদের শীর্ষ সারির চার ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরে যান। একপ্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন সিকান্দার রাজা, যিনি লড়াই চালিয়ে যান। তার ব্যক্তিগত ৬৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে কোনোমতে দেড়শ রান পার করে জিম্বাবুয়ে। এছাড়া রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে আসে মূল্যবান ৩১ রান এবং বাকিরা কেউই বিশের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

জিম্বাবুয়ের বেঁধে দেওয়া স্বল্প পুঁজির জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলতে থাকে আফগানিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে ভালো সংগ্রহের পর ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ দ্রুত ফিরে গেলেও জয়ের পথ সহজই ছিল। এরপর ইব্রাহিম জাদরান ও অধিনায়ক রেহমাত শাহর চমৎকার জুটিতে জয়ের বন্দরের খুব কাছে পৌঁছে যায় তারা। দলের পক্ষে ইব্রাহিম জাদরান অসাধারণ অপরাজিত ৭০ রানের ইনিংস খেলে সহজেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।

আফগান বোলিং আক্রমণে জিম্বাবুয়ে দলকে মাত্র ১৬৯ রানে গুটিয়ে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। তিনি দুর্দান্ত বোলিং করে প্রতিপক্ষের সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফজলহক ফারুকি, বিলাল সামি এবং মোহাম্মদ নাবি প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। শারজাহর এই মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চমৎকার পারফরম্যান্সের সুবাদে পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল আফগানিস্তান দল।

জনপ্রিয়

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের ২০ বছর: উদযাপন রূপ নিল শোকসভায়

জিম্বাবুয়েকে গুঁড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান

প্রকাশিত ০১:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: শারজাহর মাঠে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুইয়েকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে আফগানিস্তান। প্রাথমিক পর্বের সব ম্যাচ জিতে ফাইনালে আসা আফগানরা শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে। বল হাতে প্রতিপক্ষকে অল্প রানে আটকে দেয়ার পর ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংসে অনায়াস জয় তুলে নেয় তারা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের অপরাজিত থাকার গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখল আফগানিস্তান দল।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে দল। দলীয় রান পঞ্চাশের কোঠা পার হওয়ার আগেই তাদের শীর্ষ সারির চার ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরে যান। একপ্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন সিকান্দার রাজা, যিনি লড়াই চালিয়ে যান। তার ব্যক্তিগত ৬৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে কোনোমতে দেড়শ রান পার করে জিম্বাবুয়ে। এছাড়া রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে আসে মূল্যবান ৩১ রান এবং বাকিরা কেউই বিশের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।

জিম্বাবুয়ের বেঁধে দেওয়া স্বল্প পুঁজির জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলতে থাকে আফগানিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে ভালো সংগ্রহের পর ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ দ্রুত ফিরে গেলেও জয়ের পথ সহজই ছিল। এরপর ইব্রাহিম জাদরান ও অধিনায়ক রেহমাত শাহর চমৎকার জুটিতে জয়ের বন্দরের খুব কাছে পৌঁছে যায় তারা। দলের পক্ষে ইব্রাহিম জাদরান অসাধারণ অপরাজিত ৭০ রানের ইনিংস খেলে সহজেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।

আফগান বোলিং আক্রমণে জিম্বাবুয়ে দলকে মাত্র ১৬৯ রানে গুটিয়ে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। তিনি দুর্দান্ত বোলিং করে প্রতিপক্ষের সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফজলহক ফারুকি, বিলাল সামি এবং মোহাম্মদ নাবি প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট দখল করেন। শারজাহর এই মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চমৎকার পারফরম্যান্সের সুবাদে পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল আফগানিস্তান দল।