ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দিল্লিতে এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভে নেমে আটক শতাধিক Logo বাজারে বাড়ছে শীতের আগাম সবজি, দাম এখনো চড়া Logo স্টেট ব্যাংক অব ইনডিয়ায় সাইবার হামলা, ৪ হাজার গ্রাহকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে Logo ‘নালার সংস্কারকাজ করিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা নেন নয়নের অনুসারীরা’ Logo নতুন করে বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তা কঠোর করছে ফ্রান্স Logo সাইবার হামলায় অচল ছিল উত্তর কোরিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট Logo পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা সামলে প্রথম জয়ের গল্প লিখল ফর্টিস এফসি Logo ‘ব্যক্তি স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না’ Logo প্রয়োজন কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প শ্রমবাজার Logo তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

‘নালার সংস্কারকাজ করিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা নেন নয়নের অনুসারীরা’

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মাছের আড়ত থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাঁর গ্রেপ্তারের পর থেকেই আদাবর এলাকায় জোর করে কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং বাড়ি দখলচেষ্টার মতো বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন যে, এই নেতার অনুসারীদের চাপে পড়ে ভবনমালিকদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে নালার সংস্কারকাজ করাতে হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও সন্দেহের ভিত্তিতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে এবং এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনসুরাবাদ হাউজিং এলাকায় সিটি করপোরেশনের সড়ক সংস্কারের কাজ চলার সময় এই চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। এলাকার ৫০ থেকে ৬০টি ভবনের পানি ও পয়োনিষ্কাশন লাইন নিজেদের লোকজন দিয়ে করাতে বাধ্য করেন নয়নের অনুসারীরা। কাজ শেষ করার পর প্রতিটি বাড়ি থেকে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত বিল আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ভবনমালিকরা নিজেদের পছন্দের মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করাতে চাইলে তাদের হুমকি দেওয়া হতো।

অভিযোগ রয়েছে যে, আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেন ও সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মজুমদার জসিমের নেতৃত্বে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো। এলাকার এমব্রয়ডারি কারখানা, ফুটপাতের বিভিন্ন দোকান এবং নির্মাণাধীন ভবন থেকে এই চাঁদা তোলা হতো বলে জানা গেছে। এছাড়া বিএনপির এক নেতার বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে এই মহলের বিরুদ্ধে, যেখানে ব্যর্থ হয়ে সেখানে ভাঙচুর চালানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজেও হামলায় স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের জসিম দাবি করেছেন যে, তিনি কেবল বিষয়টি মীমাংসা করতে সেখানে গিয়েছিলেন এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অন্যদিকে বিলুপ্ত কমিটির এক নেতা দাবি করেছেন যে, অন্য ঘটনার কথা বলে আটক করে নয়নকে কারওয়ান বাজারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নয়নের বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য চাঁদাবাজির অভিযোগগুলোও গুরুত্বের সাথে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

দিল্লিতে এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভে নেমে আটক শতাধিক

‘নালার সংস্কারকাজ করিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা নেন নয়নের অনুসারীরা’

প্রকাশিত ১১:৫২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মাছের আড়ত থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাঁর গ্রেপ্তারের পর থেকেই আদাবর এলাকায় জোর করে কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং বাড়ি দখলচেষ্টার মতো বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন যে, এই নেতার অনুসারীদের চাপে পড়ে ভবনমালিকদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে নালার সংস্কারকাজ করাতে হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও সন্দেহের ভিত্তিতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে এবং এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনসুরাবাদ হাউজিং এলাকায় সিটি করপোরেশনের সড়ক সংস্কারের কাজ চলার সময় এই চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। এলাকার ৫০ থেকে ৬০টি ভবনের পানি ও পয়োনিষ্কাশন লাইন নিজেদের লোকজন দিয়ে করাতে বাধ্য করেন নয়নের অনুসারীরা। কাজ শেষ করার পর প্রতিটি বাড়ি থেকে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত বিল আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ভবনমালিকরা নিজেদের পছন্দের মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করাতে চাইলে তাদের হুমকি দেওয়া হতো।

অভিযোগ রয়েছে যে, আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নয়ন হোসেন ও সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মজুমদার জসিমের নেতৃত্বে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো। এলাকার এমব্রয়ডারি কারখানা, ফুটপাতের বিভিন্ন দোকান এবং নির্মাণাধীন ভবন থেকে এই চাঁদা তোলা হতো বলে জানা গেছে। এছাড়া বিএনপির এক নেতার বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে এই মহলের বিরুদ্ধে, যেখানে ব্যর্থ হয়ে সেখানে ভাঙচুর চালানো হয়। সিসিটিভি ফুটেজেও হামলায় স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদলের জসিম দাবি করেছেন যে, তিনি কেবল বিষয়টি মীমাংসা করতে সেখানে গিয়েছিলেন এবং রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অন্যদিকে বিলুপ্ত কমিটির এক নেতা দাবি করেছেন যে, অন্য ঘটনার কথা বলে আটক করে নয়নকে কারওয়ান বাজারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নয়নের বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য চাঁদাবাজির অভিযোগগুলোও গুরুত্বের সাথে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।