ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শক্তিশালী হচ্ছে লঘুচাপ, সোমবারের মধ্যেই রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে Logo উত্তাপের ক্লাসিকোয় রেয়ালের প্রতিশোধ নাকি বার্সেলোনার আধিপত্য Logo ‘অনেক ম‍্যাচের জন‍্য’ ওলমোকে হারিয়েছে বার্সেলোনা Logo ঈশ্বরগঞ্জে কৃষি ব্যাংক লুটের চেষ্টা, নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার Logo এমবাপেকে আটকাতে ফ্লিকের পরিকল্পনা Logo আত্মবিশ্বাস নিয়ে ‘ফুটবলের সেরা ম‍্যাচের’ দিকে তাকিয়ে ফ্লিক Logo ‘পরিবর্তনের জন্য সিআইএর সঙ্গে কাজ করুন’, কিউবার নাগরিকদের বললেন রুবিও Logo বিদায়, আমার বন্ধু: স্মৃতির পাতায় তৌফিক Logo কুনমিংয়ে চোখের সেবায় মিলবে ‘গ্রিন চ্যানেল’ সুবিধা Logo অপদার্থদের কথায় কান দেওয়ার সময় নেই, বিচ্ছেদের গুঞ্জনে ফারুকী

নেতিবাচক চিন্তার চক্র থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক: মন খারাপের সময়ে অনেকে কারণ খুঁজতে গিয়ে বারবার একই বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকেন। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই অতিরিক্ত চিন্তাকে রুমিনেশন বলা হয়, যা নেতিবাচক আবেগকে দীর্ঘায়িত করে। এমন পরিস্থিতিতে মন ভালো হওয়ার অপেক্ষা না করে ছোট কোনো কাজ শুরু করাই হলো সবচেয়ে সহজ সমাধান।

মনোবিজ্ঞানে এই পদ্ধতিকে আচরণগত সক্রিয়তা বা বিহেভিয়রাল অ্যাকটিভেশন বলা হয়। মন খারাপ থাকলেও করা সম্ভব—এমন সহজ কাজ যেমন সামান্য হাঁটা, গোসল করা কিংবা কোনো বার্তার উত্তর দেওয়া এতে উৎসাহিত করা হয়। এই ধরনের ছোট কাজ তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যার সমাধান না করলেও মনোযোগ সরাতে এবং নিষ্ক্রিয়তা কাটাতে দারুণ সাহায্য করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নেতিবাচক চিন্তার কারণে মানুষ প্রয়োজনীয় কাজ এড়িয়ে চলেন এবং পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তবে একই বিষয় নিয়ে বারবার না ভেবে পরিস্থিতি থেকে কিছুটা মানসিক দূরত্ব তৈরি করা কার্যকর। কোনো বন্ধুর ক্ষেত্রে এই সমস্যা হলে তাঁকে কী পরামর্শ দেওয়া হতো, সেভাবে ভাবলে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গভীর আত্মবিশ্লেষণের চেয়ে ছোট কাজ শুরু করার মাধ্যমেই মনের অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। মন কিছুটা শান্ত হলে তখন সমস্যা নিয়ে গঠনমূলক ও বাস্তবসম্মতভাবে চিন্তা করার সুযোগ তৈরি হয়।

জনপ্রিয়

শক্তিশালী হচ্ছে লঘুচাপ, সোমবারের মধ্যেই রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

নেতিবাচক চিন্তার চক্র থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়

প্রকাশিত ০৬:২২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: মন খারাপের সময়ে অনেকে কারণ খুঁজতে গিয়ে বারবার একই বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকেন। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই অতিরিক্ত চিন্তাকে রুমিনেশন বলা হয়, যা নেতিবাচক আবেগকে দীর্ঘায়িত করে। এমন পরিস্থিতিতে মন ভালো হওয়ার অপেক্ষা না করে ছোট কোনো কাজ শুরু করাই হলো সবচেয়ে সহজ সমাধান।

মনোবিজ্ঞানে এই পদ্ধতিকে আচরণগত সক্রিয়তা বা বিহেভিয়রাল অ্যাকটিভেশন বলা হয়। মন খারাপ থাকলেও করা সম্ভব—এমন সহজ কাজ যেমন সামান্য হাঁটা, গোসল করা কিংবা কোনো বার্তার উত্তর দেওয়া এতে উৎসাহিত করা হয়। এই ধরনের ছোট কাজ তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যার সমাধান না করলেও মনোযোগ সরাতে এবং নিষ্ক্রিয়তা কাটাতে দারুণ সাহায্য করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নেতিবাচক চিন্তার কারণে মানুষ প্রয়োজনীয় কাজ এড়িয়ে চলেন এবং পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তবে একই বিষয় নিয়ে বারবার না ভেবে পরিস্থিতি থেকে কিছুটা মানসিক দূরত্ব তৈরি করা কার্যকর। কোনো বন্ধুর ক্ষেত্রে এই সমস্যা হলে তাঁকে কী পরামর্শ দেওয়া হতো, সেভাবে ভাবলে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গভীর আত্মবিশ্লেষণের চেয়ে ছোট কাজ শুরু করার মাধ্যমেই মনের অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। মন কিছুটা শান্ত হলে তখন সমস্যা নিয়ে গঠনমূলক ও বাস্তবসম্মতভাবে চিন্তা করার সুযোগ তৈরি হয়।