ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

কুনমিংয়ে চোখের সেবায় মিলবে ‘গ্রিন চ্যানেল’ সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য চীনে ভ্রমণকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে একটি বিশেষ ‘গ্রিন চ্যানেল’ সুবিধা চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহর কুনমিংয়ে অবস্থিত কুনমিং হুয়াশিয়া আই হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশেষ সেবার উদ্বোধন করা হয়। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের জন্য এ ধরনের বিশেষায়িত সেবা ব্যবস্থা এটিই প্রথম বলে নিশ্চিত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশি রোগীরা দেশটিতে রওনা হওয়ার আগেই চিকিৎসাসংক্রান্ত পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনার সুযোগ লাভ করবেন। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাদের জন্য থাকবে পৃথক আন্তর্জাতিক ডেস্ক এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার সুবিধা। ভাষাগত কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা যাতে তৈরি না হয়, সেজন্য সেখানে থাকবে বিশেষ দোভাষী সহায়তার ব্যবস্থা। তাছাড়া রোগী দেশে ফিরে আসার পরও নিয়মিত ফলো-আপ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

চীনের কুনমিংয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল শাহনাজ রানু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ‘গ্রিন চ্যানেল’ এর ফলক উন্মোচন করেন। একই দিনে তিনি মর্যাদাপূর্ণ ‘হুয়াশিয়া অপথ্যালমোলজি ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ২০২৬’ এরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রথম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনরত বাণিজ্যিক কর্মকর্তা রিদওয়ানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া হুয়াশিয়া চক্ষু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝাং ঝিইয়ং অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা গ্রহণের দীর্ঘসূত্রিতা ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাবে। উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তির পাশাপাশি দ্রুত সেবা পাওয়ার সুযোগ থাকায় রোগীরা অত্যন্ত উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য খাতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

‘পরিবর্তনের জন্য সিআইএর সঙ্গে কাজ করুন’, কিউবার নাগরিকদের বললেন রুবিও

কুনমিংয়ে চোখের সেবায় মিলবে ‘গ্রিন চ্যানেল’ সুবিধা

প্রকাশিত ১২:৫২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য চীনে ভ্রমণকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে একটি বিশেষ ‘গ্রিন চ্যানেল’ সুবিধা চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহর কুনমিংয়ে অবস্থিত কুনমিং হুয়াশিয়া আই হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশেষ সেবার উদ্বোধন করা হয়। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের জন্য এ ধরনের বিশেষায়িত সেবা ব্যবস্থা এটিই প্রথম বলে নিশ্চিত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশি রোগীরা দেশটিতে রওনা হওয়ার আগেই চিকিৎসাসংক্রান্ত পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনার সুযোগ লাভ করবেন। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাদের জন্য থাকবে পৃথক আন্তর্জাতিক ডেস্ক এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার সুবিধা। ভাষাগত কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা যাতে তৈরি না হয়, সেজন্য সেখানে থাকবে বিশেষ দোভাষী সহায়তার ব্যবস্থা। তাছাড়া রোগী দেশে ফিরে আসার পরও নিয়মিত ফলো-আপ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

চীনের কুনমিংয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল শাহনাজ রানু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ‘গ্রিন চ্যানেল’ এর ফলক উন্মোচন করেন। একই দিনে তিনি মর্যাদাপূর্ণ ‘হুয়াশিয়া অপথ্যালমোলজি ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ২০২৬’ এরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রথম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনরত বাণিজ্যিক কর্মকর্তা রিদওয়ানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া হুয়াশিয়া চক্ষু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝাং ঝিইয়ং অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা গ্রহণের দীর্ঘসূত্রিতা ও ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পাবে। উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তির পাশাপাশি দ্রুত সেবা পাওয়ার সুযোগ থাকায় রোগীরা অত্যন্ত উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য খাতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।