ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রেয়ালকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে তেবাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ স্পেন সরকারের Logo শুধু টাইগার নয়, নজরদারিতে ছিলেন সালমান আমির ও রণবীর Logo প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার নিতে স্পেনে মেসি Logo ভালো চিত্রনাট্যের জন্য শিল্পীর অপেক্ষার শেষ থাকে না: ‘আড্ডানামায়’ সানজিদা প্রীতি Logo ঘরসজ্জায় যেভাবে রুচিশীল নতুনত্ব আনা যায় Logo সাজেক থেকে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী Logo জাপানে উড়োজাহাজে সাপ, বাতিল হল ফ্লাইট Logo গোপন কথাটি এবার রবে গোপন, চ্যাটজিপিটিতে ‘লকড চ্যাট’ Logo সেই এনসিপি নেতার ফেসবুক স্টোরিতে ফের আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন Logo ডিসেম্বরের মধ্যে সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্কে গ্যাস-বিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব

ঘরসজ্জায় যেভাবে রুচিশীল নতুনত্ব আনা যায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অতিরিক্ত সাজসজ্জা কিংবা বাহুল্য বাদ দিয়ে ঘরে পরিমিতিবোধ ও প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার অন্দরসজ্জায় নতুনত্ব আনতে পারে। পরিচিত কয়েকটি উপকরণের বিন্যাস পরিবর্তন এবং রং ও কাপড়ের সামান্য পরিবর্তনেই ঘরের পুরো রূপ বদলে যাওয়া সম্ভব। তবে কিছু সাজ ঘরকে কৃত্রিম, অগোছালো বা একঘেয়ে করে তুলতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে অন্দরসজ্জা করা উচিত।

বসার ঘরের তাক বা টেবিলে ছোট ছোট শোপিস ও ফুলদানির ভিড় না করে একটিমাত্র বড় ও দৃষ্টিনন্দন উপকরণ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একটি বড় ফুলদানি, মাটির পাত্র বা নান্দনিক ভাস্কর্য রাখা যেতে পারে, যাতে চোখ বিশ্রাম নেওয়ার মতো খালি জায়গা পায়। ঋতুভিত্তিক অতিরিক্ত সাজ বা কৃত্রিম ফুলের বাহুল্য না রেখে প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর জোর দেওয়া উচিত। তাজা ফুল, শুকনো ফুল বা পাতার ডাল ব্যবহার করলে ঘরে একটি কোমল আমেজ তৈরি হয়।

ফ্যাশন ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও অন্দরসজ্জাবিদ গুলশান নাসরিন জানান, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় এমন উপকরণ বেছে নেওয়া ভালো। রঙের ক্ষেত্রে সাদা, ধূসর, মাটির রং বা ধোঁয়াটে বাদামির মতো কোমল রং বিবেচনা করা যেতে পারে। শরৎ বা শীতের সময় গাঢ় লালচে বাদামি বা পোড়া কমলা কুশন এবং বসন্তে হালকা সবুজ বা হলুদ রংয়ের কাপড় ব্যবহার করা যায়। এছাড়া সোফার ওপর নরম চাদর বা বোনা কাপড়ের আসন ঘরে বাড়তি উষ্ণতা যোগ করে।

একই ধরনের কাঠের আসবাব বা একাধিক বিষয়ভিত্তিক অনুষঙ্গ ব্যবহার করলে ঘরের সাজে বৈচিত্র্য কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত আধুনিক গ্রামীণ ধারার পরিবর্তে কাঠ, পাট, সুতি, লিনেন, বেত ও মাটির মতো শান্ত ও প্রাকৃতিক উপকরণ নির্ভর সাজের দিকে ঝোঁকা শ্রেয়। আসবাব ও কাপড়ে একই ধরনের উপাদানের আধিক্যের বদলে বিভিন্ন বুনন ও উপকরণের সমন্বয় ঘটানো দরকার। মসৃণ সোফার সঙ্গে বোনা কুশন বা লিনেনের মতো ভিন্ন কাপড়ের ব্যবহারে ঘরের সাজে গভীরতা ও ভারসাম্য বজায় থাকে।

জনপ্রিয়

রেয়ালকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে তেবাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ স্পেন সরকারের

ঘরসজ্জায় যেভাবে রুচিশীল নতুনত্ব আনা যায়

প্রকাশিত ১০:০৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অতিরিক্ত সাজসজ্জা কিংবা বাহুল্য বাদ দিয়ে ঘরে পরিমিতিবোধ ও প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার অন্দরসজ্জায় নতুনত্ব আনতে পারে। পরিচিত কয়েকটি উপকরণের বিন্যাস পরিবর্তন এবং রং ও কাপড়ের সামান্য পরিবর্তনেই ঘরের পুরো রূপ বদলে যাওয়া সম্ভব। তবে কিছু সাজ ঘরকে কৃত্রিম, অগোছালো বা একঘেয়ে করে তুলতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে অন্দরসজ্জা করা উচিত।

বসার ঘরের তাক বা টেবিলে ছোট ছোট শোপিস ও ফুলদানির ভিড় না করে একটিমাত্র বড় ও দৃষ্টিনন্দন উপকরণ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একটি বড় ফুলদানি, মাটির পাত্র বা নান্দনিক ভাস্কর্য রাখা যেতে পারে, যাতে চোখ বিশ্রাম নেওয়ার মতো খালি জায়গা পায়। ঋতুভিত্তিক অতিরিক্ত সাজ বা কৃত্রিম ফুলের বাহুল্য না রেখে প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর জোর দেওয়া উচিত। তাজা ফুল, শুকনো ফুল বা পাতার ডাল ব্যবহার করলে ঘরে একটি কোমল আমেজ তৈরি হয়।

ফ্যাশন ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও অন্দরসজ্জাবিদ গুলশান নাসরিন জানান, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায় এমন উপকরণ বেছে নেওয়া ভালো। রঙের ক্ষেত্রে সাদা, ধূসর, মাটির রং বা ধোঁয়াটে বাদামির মতো কোমল রং বিবেচনা করা যেতে পারে। শরৎ বা শীতের সময় গাঢ় লালচে বাদামি বা পোড়া কমলা কুশন এবং বসন্তে হালকা সবুজ বা হলুদ রংয়ের কাপড় ব্যবহার করা যায়। এছাড়া সোফার ওপর নরম চাদর বা বোনা কাপড়ের আসন ঘরে বাড়তি উষ্ণতা যোগ করে।

একই ধরনের কাঠের আসবাব বা একাধিক বিষয়ভিত্তিক অনুষঙ্গ ব্যবহার করলে ঘরের সাজে বৈচিত্র্য কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত আধুনিক গ্রামীণ ধারার পরিবর্তে কাঠ, পাট, সুতি, লিনেন, বেত ও মাটির মতো শান্ত ও প্রাকৃতিক উপকরণ নির্ভর সাজের দিকে ঝোঁকা শ্রেয়। আসবাব ও কাপড়ে একই ধরনের উপাদানের আধিক্যের বদলে বিভিন্ন বুনন ও উপকরণের সমন্বয় ঘটানো দরকার। মসৃণ সোফার সঙ্গে বোনা কুশন বা লিনেনের মতো ভিন্ন কাপড়ের ব্যবহারে ঘরের সাজে গভীরতা ও ভারসাম্য বজায় থাকে।