ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

‘সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ’

জাতীয় ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সরকার থেকে অনুমোদন পেলে পুলিশ সদস্যরা ‘ক্রসফায়ার’ পরিচালনা করতে পিছপা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির। ২৬ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজারে একটি ব্যাংকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এই পুলিশি অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ নিলে একপক্ষ তাদের ফ্যাসিস্ট আখ্যা দেয়, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে সমালোচনা করে।

অনুষ্ঠানে আইজিপি আরও উল্লেখ করেন যে, সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সবাইকে আইন ও সংবিধান মেনে চলতে হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে সাধারণ অপরাধীদের পাশাপাশি বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধে জড়ালে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে তিনি দেশবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

পুলিশপ্রধান বলেন, জনগণের শান্তিতে বসবাস নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য একটি মাধ্যম এবং কাউকে পুলিশকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করা উচিত নয়। তিনি জানান যে জুলাই অভ্যুত্থানের পরের কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উপহার দিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সমাজকে সুখী ও সমৃদ্ধময় করতে হলে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইজিপির এই বক্তব্য দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য যেমন উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন, তেমনি মানবাধিকার ও আইনের শাসন বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। দেশবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা ও সচেতনতাই কেবল একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয়

ঘরে ছারপোকার হানা? রয়েছে চেনার উপায় আর তাড়ানোর কার্যকর কৌশল

‘সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ’

প্রকাশিত ০৩:৩৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সরকার থেকে অনুমোদন পেলে পুলিশ সদস্যরা ‘ক্রসফায়ার’ পরিচালনা করতে পিছপা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির। ২৬ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজারে একটি ব্যাংকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এই পুলিশি অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ নিলে একপক্ষ তাদের ফ্যাসিস্ট আখ্যা দেয়, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে সমালোচনা করে।

অনুষ্ঠানে আইজিপি আরও উল্লেখ করেন যে, সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সবাইকে আইন ও সংবিধান মেনে চলতে হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে সাধারণ অপরাধীদের পাশাপাশি বাহিনীর কোনো সদস্য অপরাধে জড়ালে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে তিনি দেশবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

পুলিশপ্রধান বলেন, জনগণের শান্তিতে বসবাস নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য একটি মাধ্যম এবং কাউকে পুলিশকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করা উচিত নয়। তিনি জানান যে জুলাই অভ্যুত্থানের পরের কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উপহার দিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সমাজকে সুখী ও সমৃদ্ধময় করতে হলে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আইজিপির এই বক্তব্য দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য যেমন উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন, তেমনি মানবাধিকার ও আইনের শাসন বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। দেশবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা ও সচেতনতাই কেবল একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখতে পারে।