ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ: আমু-দীপু মনিসহ ৮ নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এ সপ্তাহে Logo নাহিদের মতো গতিময় একজনকে ‘মিস করবেন’ সিমন্স Logo দলে ‘সতেজতার অভাব’ দেখছেন টানা দুই হারে হতাশ বার্সা কোচ Logo ফেইসবুকে ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ লিখে পোস্ট, বহিষ্কার যুবদল নেতা Logo উইকেট যেমনই হোক, ‘হার্ড ওয়ার্ক’ দেখতে চান সিমন্স Logo এআই থেকে অধিকাংশ কোম্পানির লাভ ‘ঘোড়ার ডিম’ Logo ‘সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ’ Logo তৌফিক ভাই: যে হাতটি মাথার ওপর ছিল Logo বিজয় ভাষণে লুলার ‘ধন্যবাদ’ পাওয়া আন্দ্রে জানোনিস কে? কী করেছেন তিনি?

ফেইসবুকে ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ লিখে পোস্ট, বহিষ্কার যুবদল নেতা

রাজনীতি ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা যুবদলের এক শীর্ষ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত রবিবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। বহিষ্কৃত এস এম রফিকুল বারী ওরফে রুবেল চৌধুরী সখীপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মূলত যখন রুবেল চৌধুরী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেন। তিনি নিজের আইডিতে ‘আমার মনে কষ্ট, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ এই মর্মে একটি লেখা প্রকাশ করেন। তার এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভিত্তিক পোস্টটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সরকারের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন যৌথভাবে এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব জাহিদ হোসেন মালা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্য করার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া অনিবার্য হয়ে পড়েছিল বলে জানান তিনি।

এদিকে অভিযুক্ত যুবদল নেতার পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রুবেল চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটির এমন কঠোর বার্তা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে বড় ধরনের সতর্কতা সৃষ্টি করেছে।

জনপ্রিয়

হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পেটালেন ছাত্রদল নেতা

ফেইসবুকে ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ লিখে পোস্ট, বহিষ্কার যুবদল নেতা

প্রকাশিত ০৪:২২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা যুবদলের এক শীর্ষ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত রবিবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। বহিষ্কৃত এস এম রফিকুল বারী ওরফে রুবেল চৌধুরী সখীপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মূলত যখন রুবেল চৌধুরী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে একটি বিতর্কিত পোস্ট দেন। তিনি নিজের আইডিতে ‘আমার মনে কষ্ট, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ এই মর্মে একটি লেখা প্রকাশ করেন। তার এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভিত্তিক পোস্টটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সরকারের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন যৌথভাবে এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন। টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব জাহিদ হোসেন মালা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্য করার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া অনিবার্য হয়ে পড়েছিল বলে জানান তিনি।

এদিকে অভিযুক্ত যুবদল নেতার পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রুবেল চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটির এমন কঠোর বার্তা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে বড় ধরনের সতর্কতা সৃষ্টি করেছে।