ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

বিজয় ভাষণে লুলার ‘ধন্যবাদ’ পাওয়া আন্দ্রে জানোনিস কে? কী করেছেন তিনি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা দেশটির বৃহত্তম শহর সাউ পাউলুতে এক বিজয় ভাষণ দিয়েছেন। ওই ভাষণে তিনি কংগ্রেস সদস্য আন্দ্রে জানোনিসকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান, যিনি তার নির্বাচনী প্রচারে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছিলেন। মিনাস জেরাইস রাজ্যের ৪২ বছর বয়সী এই রাজনীতিক মূলত অনলাইনে বামপন্থি নেতার পক্ষে একটি সুসংগঠিত প্রচারণার নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন।

আন্দ্রে জানোনিস হোয়াটসঅ্যাপে ‘লুলা’স আর্মি’ নামক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা প্রচারণায় বড় প্রভাব ফেলে। গত কয়েক সপ্তাহে এই চ্যানেলটি লুলার প্রচার অভিযানের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল হাতিয়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং লুলার পক্ষে বিভিন্ন তথ্য জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে। জানোনিস নিয়মিত ভিডিও ও বার্তার মাধ্যমে তার অনুসারীদের এই প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে এবং নতুন সদস্য যুক্ত করতে উদ্বুদ্ধ করতেন।

নির্বাচনের ঠিক আগের সপ্তাহে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলটির অনুসারীর সংখ্যা এক কোটির মাইলফলক ছাড়িয়ে যায়। সাউ পাউলুতে দেওয়া ভাষণে লুলা উল্লেখ করেন যে এই নির্বাচন তাকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের বিশাল প্রভাব সম্পর্কে অনেক কিছু শিখিয়েছে। তিনি আরও জানান যে তার নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং ডিজিটাল যোগাযোগ সেখানে বড় ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, ব্রাজিলের সর্বোচ্চ নির্বাচনী আদালতের তথ্য অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বোলসোনারোকে হারিয়ে লুলা ৫১ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। দুই প্রার্থীর মধ্যকার ভোটের এই ব্যবধান ছিল ৪০ লাখেরও বেশি। জানোনিসের মতো ডিজিটাল সংগঠকদের তৎপরতা এবং সামাজিক মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার এই জয়ে বড় অবদান রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

ফেইসবুকে ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ লিখে পোস্ট, বহিষ্কার যুবদল নেতা

বিজয় ভাষণে লুলার ‘ধন্যবাদ’ পাওয়া আন্দ্রে জানোনিস কে? কী করেছেন তিনি?

প্রকাশিত ০৩:০৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা দেশটির বৃহত্তম শহর সাউ পাউলুতে এক বিজয় ভাষণ দিয়েছেন। ওই ভাষণে তিনি কংগ্রেস সদস্য আন্দ্রে জানোনিসকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান, যিনি তার নির্বাচনী প্রচারে অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছিলেন। মিনাস জেরাইস রাজ্যের ৪২ বছর বয়সী এই রাজনীতিক মূলত অনলাইনে বামপন্থি নেতার পক্ষে একটি সুসংগঠিত প্রচারণার নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন।

আন্দ্রে জানোনিস হোয়াটসঅ্যাপে ‘লুলা’স আর্মি’ নামক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা প্রচারণায় বড় প্রভাব ফেলে। গত কয়েক সপ্তাহে এই চ্যানেলটি লুলার প্রচার অভিযানের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল হাতিয়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং লুলার পক্ষে বিভিন্ন তথ্য জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে। জানোনিস নিয়মিত ভিডিও ও বার্তার মাধ্যমে তার অনুসারীদের এই প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে এবং নতুন সদস্য যুক্ত করতে উদ্বুদ্ধ করতেন।

নির্বাচনের ঠিক আগের সপ্তাহে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলটির অনুসারীর সংখ্যা এক কোটির মাইলফলক ছাড়িয়ে যায়। সাউ পাউলুতে দেওয়া ভাষণে লুলা উল্লেখ করেন যে এই নির্বাচন তাকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের বিশাল প্রভাব সম্পর্কে অনেক কিছু শিখিয়েছে। তিনি আরও জানান যে তার নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং ডিজিটাল যোগাযোগ সেখানে বড় ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, ব্রাজিলের সর্বোচ্চ নির্বাচনী আদালতের তথ্য অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বোলসোনারোকে হারিয়ে লুলা ৫১ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। দুই প্রার্থীর মধ্যকার ভোটের এই ব্যবধান ছিল ৪০ লাখেরও বেশি। জানোনিসের মতো ডিজিটাল সংগঠকদের তৎপরতা এবং সামাজিক মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার এই জয়ে বড় অবদান রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।