ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ডেটা সেবায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তৃতীয় প্রান্তিকেও রবির শক্তিশালী মুনাফা Logo নওগাঁর সাবেক এমপি ছলিম ও তার ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ Logo মাস্টহেড পিআর-এর চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড গ্রোথ অফিসার হিসেবে যোগ দিলেন আশিক ইকবাল Logo লালমনিরহাটে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে সার ডিলার নিয়োগের অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট উৎসবমুখর হয়েছে : ইসি সচিব Logo ঢাকায় জাতীয় যুব মেলা স্থগিত, জেলায়-উপজেলায় হবে আয়োজন Logo তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতে কী ঘটেছিল, জানালেন বন্ধু দ্বীপ Logo একই খাবার বারবার গরম করার ক্ষেত্রে সতর্কতা Logo আগুন থেকে বাঁচার উপায় কী, মহড়া হল সচিবালয়ে Logo ত্বকের যত্নে প্রসাধনী ব্যবহারের নিয়ম

একই খাবার বারবার গরম করার ক্ষেত্রে সতর্কতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ব্যস্ত জীবনে একবারে বেশি করে রান্না করে ফ্রিজে রেখে সারা সপ্তাহ ধরে খাওয়ার অভ্যাস শহুরে মানুষের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। তবে ফ্রিজের বাসি খাবার বারবার গরম করে খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সতর্কতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই মনে করেন খাবার বারবার গরম করলেই বুঝি তা বিষাক্ত হয়ে যায়, যার ফলে তৈরি হয় নানা বিভ্রান্তি। আসলে খাবার নিয়ে মূল ঝুঁকিটি গরম করার সংখ্যার ওপর নয়, বরং এটি ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় কতক্ষণ থাকছে তার ওপর নির্ভর করে।

খাদ্য বিজ্ঞানীদের মতে, রান্না করা খাবার ফ্রিজ থেকে বের করার পর থেকেই তাতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর সময় গণনা শুরু হয়ে যায়। ওয়াশিংটনভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার পরিচালক ও বিজ্ঞানী ডা. ভ্যানেসা কফম্যান জানান, পচনশীল খাবার ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টার বেশি রাখা উচিত নয়। যদি ঘরের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, তবে এই নিরাপদ সময়সীমা মাত্র এক ঘণ্টায় নেমে আসে।

পুরো পাত্রসহ বারবার খাবার ফ্রিজ থেকে বের করলে তা ঘরের তাপমাত্রায় কতক্ষণ রইল তার হিসাব রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এই ঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞরা পুরো খাবার একসঙ্গে না calentando করে যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক ততটুকু অংশ আলাদা বাটিতে নিয়ে গরম করার পরামর্শ দিয়েছেন। বাকি খাবার সঙ্গে সঙ্গেই আবার রেফ্রিজারেটরে রেখে দেওয়া উচিত যাতে তা ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির নিরাপদ সময়সীমা অতিক্রম না করে।

খাদ্য বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ রান্না করা বাসি খাবার ফ্রিজে সর্বোচ্চ তিন দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে এবং তিন দিন পার হয়ে গেলে তা ফেলে দেওয়া উচিত। তবে মাংসের ঝোল বা গ্রেইভি এক দিনের মধ্যে খেয়ে শেষ করতে হয়, নতুবা তা নষ্ট হয়ে যায়। ফুড পয়জনিং এড়াতে ফ্রিজের তাপমাত্রা সঠিক রাখা এবং খাবার পুনরায় গরম করার সময় তা ভালোভাবে ফুটিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

ডেটা সেবায় নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় তৃতীয় প্রান্তিকেও রবির শক্তিশালী মুনাফা

একই খাবার বারবার গরম করার ক্ষেত্রে সতর্কতা

প্রকাশিত ০৫:০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ব্যস্ত জীবনে একবারে বেশি করে রান্না করে ফ্রিজে রেখে সারা সপ্তাহ ধরে খাওয়ার অভ্যাস শহুরে মানুষের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। তবে ফ্রিজের বাসি খাবার বারবার গরম করে খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সতর্কতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই মনে করেন খাবার বারবার গরম করলেই বুঝি তা বিষাক্ত হয়ে যায়, যার ফলে তৈরি হয় নানা বিভ্রান্তি। আসলে খাবার নিয়ে মূল ঝুঁকিটি গরম করার সংখ্যার ওপর নয়, বরং এটি ঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় কতক্ষণ থাকছে তার ওপর নির্ভর করে।

খাদ্য বিজ্ঞানীদের মতে, রান্না করা খাবার ফ্রিজ থেকে বের করার পর থেকেই তাতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর সময় গণনা শুরু হয়ে যায়। ওয়াশিংটনভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার পরিচালক ও বিজ্ঞানী ডা. ভ্যানেসা কফম্যান জানান, পচনশীল খাবার ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টার বেশি রাখা উচিত নয়। যদি ঘরের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়, তবে এই নিরাপদ সময়সীমা মাত্র এক ঘণ্টায় নেমে আসে।

পুরো পাত্রসহ বারবার খাবার ফ্রিজ থেকে বের করলে তা ঘরের তাপমাত্রায় কতক্ষণ রইল তার হিসাব রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এই ঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞরা পুরো খাবার একসঙ্গে না calentando করে যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক ততটুকু অংশ আলাদা বাটিতে নিয়ে গরম করার পরামর্শ দিয়েছেন। বাকি খাবার সঙ্গে সঙ্গেই আবার রেফ্রিজারেটরে রেখে দেওয়া উচিত যাতে তা ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির নিরাপদ সময়সীমা অতিক্রম না করে।

খাদ্য বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ রান্না করা বাসি খাবার ফ্রিজে সর্বোচ্চ তিন দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে এবং তিন দিন পার হয়ে গেলে তা ফেলে দেওয়া উচিত। তবে মাংসের ঝোল বা গ্রেইভি এক দিনের মধ্যে খেয়ে শেষ করতে হয়, নতুবা তা নষ্ট হয়ে যায়। ফুড পয়জনিং এড়াতে ফ্রিজের তাপমাত্রা সঠিক রাখা এবং খাবার পুনরায় গরম করার সময় তা ভালোভাবে ফুটিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।