ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতে কী ঘটেছিল, জানালেন বন্ধু দ্বীপ

অপরাধ ডেস্ক: বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি নিখোঁজ হওয়ার রাতে তাঁর সঙ্গে কাটানো সময়ের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন জুনিয়র বন্ধু শাহরিয়ার দ্বীপ। গত ২৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তাঁরা একসঙ্গে ছিলেন এবং এই সময়ে মোটরসাইকেল মেরামত ও রাতের খাবার খাওয়ার ঘটনা ঘটে। বন্ধুর ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাহসিফ নিখোঁজ হন এবং পরবর্তীতে উত্তরা এলাকার একটি নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর রাতে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তাহসিফ তাঁর মাকে দ্রুত ফিরে আসার কথা জানিয়েছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার রাতে দ্বীপের সঙ্গে তাহসিফের প্রথমে দেখা হয় এবং তাঁদের একই মডেলের মোটরসাইকেল সচল করতে তাঁরা কাজ করেন। পরে দুজন উত্তরার একটি ওয়ার্কশপে যান যেখানে তাহসিফের বাইকের ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তনসহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করা হয়।

ওয়ার্কশপের কাজ শেষ করে তাঁরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প এলাকায় ফিরে যান এবং একটি রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে রাতের খাবার খান। দ্বীপের ভাষ্যমতে, সব মিলিয়ে তাঁদের একসঙ্গে কাটানোর সময় ছিল প্রায় তিন ঘণ্টা যার বড় একটি অংশ ব্যয় হয় ওয়ার্কশপে। খাবার ও অন্যান্য কাজ শেষে দ্বীপ নিজের বাসার দিকে চলে যান এবং তাহসিফ অন্যদিকে রওনা হন।

তাহসিফের সঙ্গে নিজের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে দ্বীপ জানান যে তিনি তাহসিফকে বড় ভাইয়ের মতো দেখতেন এবং তাঁদের পরিবারেও যাতায়াত ছিল। তবে দ্বীপের কাছ থেকে আলাদা হওয়ার পর তাহসিফ ঠিক কোথায় বা কার কাছে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে দ্বীপের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। ঘটনার পর পরিবারের দাবি অনুযায়ী রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের কাছে শেষ মেসেজ পাঠানোর পরদিন উত্তরার রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জনপ্রিয়

লালমনিরহাটে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে সার ডিলার নিয়োগের অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতে কী ঘটেছিল, জানালেন বন্ধু দ্বীপ

প্রকাশিত ০৫:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি নিখোঁজ হওয়ার রাতে তাঁর সঙ্গে কাটানো সময়ের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন জুনিয়র বন্ধু শাহরিয়ার দ্বীপ। গত ২৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তাঁরা একসঙ্গে ছিলেন এবং এই সময়ে মোটরসাইকেল মেরামত ও রাতের খাবার খাওয়ার ঘটনা ঘটে। বন্ধুর ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাহসিফ নিখোঁজ হন এবং পরবর্তীতে উত্তরা এলাকার একটি নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর রাতে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তাহসিফ তাঁর মাকে দ্রুত ফিরে আসার কথা জানিয়েছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার রাতে দ্বীপের সঙ্গে তাহসিফের প্রথমে দেখা হয় এবং তাঁদের একই মডেলের মোটরসাইকেল সচল করতে তাঁরা কাজ করেন। পরে দুজন উত্তরার একটি ওয়ার্কশপে যান যেখানে তাহসিফের বাইকের ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তনসহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করা হয়।

ওয়ার্কশপের কাজ শেষ করে তাঁরা একটি অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প এলাকায় ফিরে যান এবং একটি রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে রাতের খাবার খান। দ্বীপের ভাষ্যমতে, সব মিলিয়ে তাঁদের একসঙ্গে কাটানোর সময় ছিল প্রায় তিন ঘণ্টা যার বড় একটি অংশ ব্যয় হয় ওয়ার্কশপে। খাবার ও অন্যান্য কাজ শেষে দ্বীপ নিজের বাসার দিকে চলে যান এবং তাহসিফ অন্যদিকে রওনা হন।

তাহসিফের সঙ্গে নিজের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে দ্বীপ জানান যে তিনি তাহসিফকে বড় ভাইয়ের মতো দেখতেন এবং তাঁদের পরিবারেও যাতায়াত ছিল। তবে দ্বীপের কাছ থেকে আলাদা হওয়ার পর তাহসিফ ঠিক কোথায় বা কার কাছে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে দ্বীপের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। ঘটনার পর পরিবারের দাবি অনুযায়ী রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের কাছে শেষ মেসেজ পাঠানোর পরদিন উত্তরার রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।