ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ত্বকের যত্নে প্রসাধনী ব্যবহারের নিয়ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ত্বকের যত্নে ভালো মানের প্রসাধনীর পাশাপাশি সঠিক নিয়মে ব্যবহারের ক্রম জানা অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের পরিবর্তে অল্প উপকরণ নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে ত্বক সুস্থ থাকে। রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচির মতে, কার্যকর পরিচর্যার জন্য অনেক প্রসাধনী ব্যবহারের চেয়ে নিয়মিত ও মানানসই উপকরণ নির্বাচন করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের ধরন এবং সহনশীলতা বিবেচনা করেই পরিচর্যার ধাপগুলো সাজানো উচিত।

সকালের রুটিনের প্রথম ধাপে মৃদু পরিষ্কারক দিয়ে মুখ ধুয়ে রাতের ময়লা ও তেল দূর করতে হবে। এরপর ত্বক বুঝে ভিটামিন সি যুক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়। তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে হালকা সেরাম এবং ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ত্বকের আর্দ্রতা ও নমনীয়তা বজায় রাখতে হয়। সবশেষে অন্তত ৩০ মাত্রার সানস্ক্রিন বা রোদ থেকে সুরক্ষার প্রসাধনী ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।

মুখের পাশাপাশি ঠোঁটের যত্ন নেওয়াও সমানভাবে জরুরি, বিশেষ করে শুষ্ক আবহাওয়া থেকে রক্ষা পেতে সুরক্ষামূলক উপকরণ ব্যবহার করা উচিত। রাতের পরিচর্যার ক্ষেত্রে সারদিনের ধুলাবালি ও মেকআপ সরাতে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে দুই ধাপে মুখ পরিষ্কার করে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ কমানোর জন্য নির্দিষ্ট প্রসাধনী ব্যবহার করা যায়।

রাতের রুটিনের শেষ ধাপে ত্বকের ধরন অনুযায়ী কিছুটা ঘন ময়েশ্চারাইজার বা পুষ্টি জোগানো ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং সুরক্ষামূলক আবরণ ঠিক থাকে। দিন বা রাত—সবক্ষেত্রেই সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নির্দিষ্ট ক্রম বজায় রাখাই হলো সুন্দর ত্বকের মূল চাবিকাঠি।

জনপ্রিয়

একই খাবার বারবার গরম করার ক্ষেত্রে সতর্কতা

ত্বকের যত্নে প্রসাধনী ব্যবহারের নিয়ম

প্রকাশিত ০৪:৩৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: ত্বকের যত্নে ভালো মানের প্রসাধনীর পাশাপাশি সঠিক নিয়মে ব্যবহারের ক্রম জানা অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের পরিবর্তে অল্প উপকরণ নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে ত্বক সুস্থ থাকে। রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচির মতে, কার্যকর পরিচর্যার জন্য অনেক প্রসাধনী ব্যবহারের চেয়ে নিয়মিত ও মানানসই উপকরণ নির্বাচন করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের ধরন এবং সহনশীলতা বিবেচনা করেই পরিচর্যার ধাপগুলো সাজানো উচিত।

সকালের রুটিনের প্রথম ধাপে মৃদু পরিষ্কারক দিয়ে মুখ ধুয়ে রাতের ময়লা ও তেল দূর করতে হবে। এরপর ত্বক বুঝে ভিটামিন সি যুক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব কমায়। তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে হালকা সেরাম এবং ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ত্বকের আর্দ্রতা ও নমনীয়তা বজায় রাখতে হয়। সবশেষে অন্তত ৩০ মাত্রার সানস্ক্রিন বা রোদ থেকে সুরক্ষার প্রসাধনী ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।

মুখের পাশাপাশি ঠোঁটের যত্ন নেওয়াও সমানভাবে জরুরি, বিশেষ করে শুষ্ক আবহাওয়া থেকে রক্ষা পেতে সুরক্ষামূলক উপকরণ ব্যবহার করা উচিত। রাতের পরিচর্যার ক্ষেত্রে সারদিনের ধুলাবালি ও মেকআপ সরাতে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে দুই ধাপে মুখ পরিষ্কার করে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ কমানোর জন্য নির্দিষ্ট প্রসাধনী ব্যবহার করা যায়।

রাতের রুটিনের শেষ ধাপে ত্বকের ধরন অনুযায়ী কিছুটা ঘন ময়েশ্চারাইজার বা পুষ্টি জোগানো ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং সুরক্ষামূলক আবরণ ঠিক থাকে। দিন বা রাত—সবক্ষেত্রেই সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নির্দিষ্ট ক্রম বজায় রাখাই হলো সুন্দর ত্বকের মূল চাবিকাঠি।