ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’ Logo সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি জামায়াত আমিরের Logo ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, আঘাত হানবে কোথায়? Logo ‘পিছিয়ে থাকা’ ৩ পার্বত্য জেলা আর লম্বা পরীক্ষায় ফল খারাপ চট্টগ্রামে! Logo ‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ’ Logo এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ, সুযোগ পাবেন যারা Logo ভালো উদ্যোগগুলো অনেক ক্ষেত্রে সংবাদে যথাযথভাবে উঠে আসে না: গণপূর্তমন্ত্রী Logo পিআরএবির সভাপতি ইয়াহিয়া, সম্পাদক নজরুল Logo লংমার্চ বাদ দিয়ে সংবিধান সংস্কারে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo ‘আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার’ পেলেন আনোয়ার-মাসুম

জাকসু নির্বাচন কমিশন বিলুপ্তির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শিবিরের অবস্থান কর্মসূচি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন কমিশন কার্যালয় স্থানান্তর ও বিলুপ্তির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে সিনেট ভবন প্রাঙ্গণে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ অবস্থান করেন। এইসময় তাদের ‘জাকসু নিয়ে টালবাহানা, মানি না মানবো না’, ‘জাকসু মোদের অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এবং সাবেক জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসান বলেন, জাকসুর নির্বাচন কমিশন কার্যালয় স্থানান্তর এবং বিলুপ্তির যে নীল নকশা প্রশাসন করছে, তা মূলত শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর রোধ করার অপচেষ্টা। দশম জাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই তড়িঘড়ি করে প্রশাসন বিশাল নিয়োগ দিয়েছে, এই নিয়োগ দেওয়া থেকেই স্পষ্ট যে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ভয় পায়। তিনি অবিলম্বে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ১১তম জাকসুর তফসিল ঘোষণার জোর দাবি জানান।

ফেরদৌস আল হাসান​ বলেন, জাকসু আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার এবং ইউজিসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্বাচনের ব্যাপারে ক্যাম্পাসের সকল ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক অবস্থান থাকলেও কেবল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। তাই কালক্ষেপণ না করে সব পক্ষের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।

জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের এইচ আর ডি সম্পাদক এবং নবাব সলিমুল্লাহ হল সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: ওয়ালী উল্লাহ আল মাহদী বলেন, “কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি হল সংসদ নির্বাচনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দশম ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সময় আমরা দেখেছি, হল সংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কতটা কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিলেন। সে সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মৌলিক চাহিদা ও যৌক্তিক দাবিগুলো প্রভোস্টের মাধ্যমে খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব হয়েছিল।”

​মো: ওয়ালী উল্লাহ আল মাহদী বলেন, “শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটসহ অন্যান্য অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের একমাত্র কার্যকর পন্থা হলো হল সংসদ গঠন করা। এর মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো প্রভোস্ট থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারের দৃষ্টিগোচর করা সহজ হয়। অতীতের নির্বাচনগুলোতে আমরা দেখেছি, হল সংসদ শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে সফল হয়েছে। তাই আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল সংসদ নির্বাচনের জোর দাবি জানাচ্ছি।”

 

‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’

জাকসু নির্বাচন কমিশন বিলুপ্তির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শিবিরের অবস্থান কর্মসূচি

প্রকাশিত ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন কমিশন কার্যালয় স্থানান্তর ও বিলুপ্তির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে সিনেট ভবন প্রাঙ্গণে জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ অবস্থান করেন। এইসময় তাদের ‘জাকসু নিয়ে টালবাহানা, মানি না মানবো না’, ‘জাকসু মোদের অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এবং সাবেক জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসান বলেন, জাকসুর নির্বাচন কমিশন কার্যালয় স্থানান্তর এবং বিলুপ্তির যে নীল নকশা প্রশাসন করছে, তা মূলত শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর রোধ করার অপচেষ্টা। দশম জাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই তড়িঘড়ি করে প্রশাসন বিশাল নিয়োগ দিয়েছে, এই নিয়োগ দেওয়া থেকেই স্পষ্ট যে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ভয় পায়। তিনি অবিলম্বে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ১১তম জাকসুর তফসিল ঘোষণার জোর দাবি জানান।

ফেরদৌস আল হাসান​ বলেন, জাকসু আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার এবং ইউজিসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্বাচনের ব্যাপারে ক্যাম্পাসের সকল ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক অবস্থান থাকলেও কেবল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। তাই কালক্ষেপণ না করে সব পক্ষের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি।

জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের এইচ আর ডি সম্পাদক এবং নবাব সলিমুল্লাহ হল সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: ওয়ালী উল্লাহ আল মাহদী বলেন, “কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি হল সংসদ নির্বাচনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দশম ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সময় আমরা দেখেছি, হল সংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কতটা কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিলেন। সে সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মৌলিক চাহিদা ও যৌক্তিক দাবিগুলো প্রভোস্টের মাধ্যমে খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব হয়েছিল।”

​মো: ওয়ালী উল্লাহ আল মাহদী বলেন, “শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটসহ অন্যান্য অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের একমাত্র কার্যকর পন্থা হলো হল সংসদ গঠন করা। এর মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো প্রভোস্ট থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারের দৃষ্টিগোচর করা সহজ হয়। অতীতের নির্বাচনগুলোতে আমরা দেখেছি, হল সংসদ শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে সফল হয়েছে। তাই আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল সংসদ নির্বাচনের জোর দাবি জানাচ্ছি।”