ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিপর্যয় সামাল দিয়ে সেঞ্চুরি মিঠুন ও সোহানের Logo ইরানে ৪ নভেম্বর নাগাদ সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo বাড়িতে ডিজে পার্টি, পুলিশের অভিযান, সেই অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত Logo দাদন ব্যাবসায়ীর ফাঁদে সর্বশান্ত শতাধিক পরিবার, ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন Logo কালিয়াকৈরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ Logo ছোট দলের মধ্যে পোস্ট শেয়ারে মেটার ‘থ্রেডস ফ্রেন্ডস’ Logo ইংরেজি ভার্সনে পাসের হার ১০০, গড় পাসের হার ৯৯.৮৩ শতাংশ Logo যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ভুয়া জরিপের ফাঁদ, আস্থার সংকট Logo কামিন্দুর ‘প্রথম’ সেঞ্চুরি Logo কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান

বিপর্যয় সামাল দিয়ে সেঞ্চুরি মিঠুন ও সোহানের

খেলা ডেস্ক: জাতীয় ক্রিকেট লিগের পঞ্চম রাউন্ডের প্রথম দিনে ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দিয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন ও নুরুল হাসান সোহান। ময়মনসিংহের আমন্ত্রণে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খুলনা দলের শুরুর ব্যাটসম্যানরা দ্রুত আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে পঞ্চম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যানের অসাধারণ জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় খুলনা। দিন শেষে আট উইকেট হারিয়ে ২৮০ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের পক্ষে মিঠুন দারুণ এক ইনিংস খেলে আউট হলেও দিনশেষে শতক পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন সোহান।

খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই মাত্র ৭৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল খুলনা। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলতে পঞ্চম উইকেটে ১৬৭ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়েন মিঠুন ও সোহান। চার নম্বরে মাঠে নেমে দলের পক্ষে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন মিঠুন। তিনি ১৬৯ বলে ১২টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ১১৯ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সোহান শেষ পর্যন্ত ৯টি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে ১০৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ময়মনসিংহের বোলিং আক্রমণ সামলে ইয়াসিন আরাফাত একাই নেন চারটি উইকেট।

এদিকে লিগের অন্য ম্যাচগুলোতেও বোলার ও ব্যাটারদের লড়াই দেখা গেছে। বগুড়ার মাঠে রাজশাহী ও রংপুর ম্যাচে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে খেলা দেরিতে শুরু হয়। শুরুর দিকে দলের বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে রাজশাহীকে একাই টেনে নিয়ে যান তরুণ অলরাউন্ডার এসএম মেহেরব হাসান। তিনি ১৩টি চারে ১৩২ বলে ৮২ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং দিনশেষে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ছয় উইকেটে ১৫৫ রান। অপরদিকে সিলেটের বিপক্ষে ম্যাচে চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ দারুণ বোলিং করে চার উইকেট শিকার করেন। তার ঘূর্ণিতে পড়ে সিলেট দল প্রথম ইনিংসে মাত্র ২১৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।

সিলেটের ইনিংসে তরুণ ব্যাটসম্যান আশরাফুল হাসান হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে দুইশ রানের কোটা পার করতে সহায়তা করেন। জবাবে দিন শেষের শেষ ঘণ্টায় ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম দল সতর্ক শুরু করে। দিনের খেলার শেষ ওভারে দলীয় ওপেনার সাদিকুর রহমান আউট হলেও উইকেটে টিকে থেকে অপরাজিত আছেন মাহমুদুল হাসান জয়। অন্যদিকে রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে প্রথম দিনে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ঢাকা ও বরিশালের মধ্যকার ম্যাচটিতে টস পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রথম দিনের পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতা থেকে লিগের পরবর্তী দিনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

বিপর্যয় সামাল দিয়ে সেঞ্চুরি মিঠুন ও সোহানের

বিপর্যয় সামাল দিয়ে সেঞ্চুরি মিঠুন ও সোহানের

প্রকাশিত ০৭:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: জাতীয় ক্রিকেট লিগের পঞ্চম রাউন্ডের প্রথম দিনে ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দিয়ে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন ও নুরুল হাসান সোহান। ময়মনসিংহের আমন্ত্রণে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খুলনা দলের শুরুর ব্যাটসম্যানরা দ্রুত আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে পঞ্চম উইকেটে এই দুই ব্যাটসম্যানের অসাধারণ জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় খুলনা। দিন শেষে আট উইকেট হারিয়ে ২৮০ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের পক্ষে মিঠুন দারুণ এক ইনিংস খেলে আউট হলেও দিনশেষে শতক পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন সোহান।

খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই মাত্র ৭৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল খুলনা। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলতে পঞ্চম উইকেটে ১৬৭ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়েন মিঠুন ও সোহান। চার নম্বরে মাঠে নেমে দলের পক্ষে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন মিঠুন। তিনি ১৬৯ বলে ১২টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ১১৯ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সোহান শেষ পর্যন্ত ৯টি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে ১০৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ময়মনসিংহের বোলিং আক্রমণ সামলে ইয়াসিন আরাফাত একাই নেন চারটি উইকেট।

এদিকে লিগের অন্য ম্যাচগুলোতেও বোলার ও ব্যাটারদের লড়াই দেখা গেছে। বগুড়ার মাঠে রাজশাহী ও রংপুর ম্যাচে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে খেলা দেরিতে শুরু হয়। শুরুর দিকে দলের বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে রাজশাহীকে একাই টেনে নিয়ে যান তরুণ অলরাউন্ডার এসএম মেহেরব হাসান। তিনি ১৩টি চারে ১৩২ বলে ৮২ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং দিনশেষে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ছয় উইকেটে ১৫৫ রান। অপরদিকে সিলেটের বিপক্ষে ম্যাচে চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ দারুণ বোলিং করে চার উইকেট শিকার করেন। তার ঘূর্ণিতে পড়ে সিলেট দল প্রথম ইনিংসে মাত্র ২১৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।

সিলেটের ইনিংসে তরুণ ব্যাটসম্যান আশরাফুল হাসান হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে দুইশ রানের কোটা পার করতে সহায়তা করেন। জবাবে দিন শেষের শেষ ঘণ্টায় ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম দল সতর্ক শুরু করে। দিনের খেলার শেষ ওভারে দলীয় ওপেনার সাদিকুর রহমান আউট হলেও উইকেটে টিকে থেকে অপরাজিত আছেন মাহমুদুল হাসান জয়। অন্যদিকে রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে প্রথম দিনে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ঢাকা ও বরিশালের মধ্যকার ম্যাচটিতে টস পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। প্রথম দিনের পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতা থেকে লিগের পরবর্তী দিনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।