ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ Logo যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে স্থায়ী হতে বেশির ভাগের ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে Logo পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায় Logo সিলিন্ডার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি Logo প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি Logo বায়ার্ন ম্যাচের আগে ‘অবিশ্বাস্য’ কেইনকে অভিনন্দন জানালেন সিমেওনে Logo বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান Logo গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ Logo রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা Logo কানাডায় যাচ্ছেন শিবলী-নিপা, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মঞ্চে পরিবেশনা

পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায়

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধার এবং অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করতে হংকংয়ের সঙ্গে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির খসড়া অনুমোদন করেছে সরকার। সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে অপরাধ দমন ও আইনি সহায়তার পথ উন্মুক্ত হলো।

চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশ ও হংকং যৌথভাবে মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারবে। এর ফলে দুই অঞ্চলের মধ্যে অপরাধীদের তথ্য, নথিপত্র এবং মামলার প্রমাণাদি সহজে বিনিময় করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে বিদেশে পাচার হওয়া অবৈধ সম্পদের সুনির্দিষ্ট সন্ধান পেতে এবং তা দেশে ফিরিয়ে আনতে এই চুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানিয়ে বলেন যে এই ব্যবস্থার ফলে ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম মোকাবিলায় পারস্পরিক সহায়তা পাওয়া সহজ হবে। অন্য দেশের সরকারের সহযোগিতা না পেলে যেখানে আলাদা আইনজীবী নিয়োগসহ নানা জটিলতা পোহাতে হয়, এই চুক্তির মাধ্যমে সেই কাজের আইনি ভিত্তি তৈরি হবে। এর মাধ্যমে কোনো অপরাধীর বিষয়ে তথ্য চাওয়া এবং তাকে আটকের অনুরোধ জানানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তবে রাজনৈতিক অপরাধ বা বিশেষ কিছু ক্ষেত্র ছাড়া সাধারণত সাধারণ অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে এই চুক্তি বেশি কার্যকর হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। হংকং চীনের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল হলেও তাদের বিচার বিভাগ ও আইন প্রয়োগের ধারা ভিন্ন হওয়ায় এই চুক্তিটি সরাসরি হংকংয়ের সঙ্গেই করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অপরাধ দমন এবং অর্থ উদ্ধার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ

পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায়

প্রকাশিত ০১:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধার এবং অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করতে হংকংয়ের সঙ্গে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির খসড়া অনুমোদন করেছে সরকার। সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে অপরাধ দমন ও আইনি সহায়তার পথ উন্মুক্ত হলো।

চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশ ও হংকং যৌথভাবে মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারবে। এর ফলে দুই অঞ্চলের মধ্যে অপরাধীদের তথ্য, নথিপত্র এবং মামলার প্রমাণাদি সহজে বিনিময় করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে বিদেশে পাচার হওয়া অবৈধ সম্পদের সুনির্দিষ্ট সন্ধান পেতে এবং তা দেশে ফিরিয়ে আনতে এই চুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানিয়ে বলেন যে এই ব্যবস্থার ফলে ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম মোকাবিলায় পারস্পরিক সহায়তা পাওয়া সহজ হবে। অন্য দেশের সরকারের সহযোগিতা না পেলে যেখানে আলাদা আইনজীবী নিয়োগসহ নানা জটিলতা পোহাতে হয়, এই চুক্তির মাধ্যমে সেই কাজের আইনি ভিত্তি তৈরি হবে। এর মাধ্যমে কোনো অপরাধীর বিষয়ে তথ্য চাওয়া এবং তাকে আটকের অনুরোধ জানানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তবে রাজনৈতিক অপরাধ বা বিশেষ কিছু ক্ষেত্র ছাড়া সাধারণত সাধারণ অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে এই চুক্তি বেশি কার্যকর হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। হংকং চীনের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল হলেও তাদের বিচার বিভাগ ও আইন প্রয়োগের ধারা ভিন্ন হওয়ায় এই চুক্তিটি সরাসরি হংকংয়ের সঙ্গেই করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অপরাধ দমন এবং অর্থ উদ্ধার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।