ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা Logo কানাডায় যাচ্ছেন শিবলী-নিপা, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মঞ্চে পরিবেশনা Logo পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনের সংশোধনে চূড়ান্ত অনুমোদন Logo কুবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তরের নতুন পরিচালক ড. আব্দুল আহাদ Logo ‘পাটওয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে ছাগল-ল্যাপটপ চুরি বেড়ে যাবে’ Logo জাবি উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ চীনের টিজিএস গ্রুপের চেয়ারম্যানের Logo নোবিপ্রবির তৃতীয় সমার্বতনের নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর দাবি শিক্ষার্থীদের Logo পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি গঠনে শিবির সভাপতির হস্তক্ষেপের অভিযোগ Logo তাপপ্রবাহে বাংলাদেশে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি অপরিণত শিশুর জন্ম: গবেষণা Logo নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ৫ নভেম্বর নোবিপ্রবিতে সেমিনার

‘পাটওয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে ছাগল-ল্যাপটপ চুরি বেড়ে যাবে’

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভবিষ্যতে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পেলে ল্যাপটপ ও ছাগল চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, ছাত্রজীবনে ল্যাপটপ চুরি এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে আসার পর ছাগল চুরির অভিজ্ঞতা নিয়েই পাটওয়ারী রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলছেন। এমন অতীত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন ব্যক্তি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয় বলে তিনি দাবি করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন যে, এনসিপির নেতারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন। এর সপক্ষে প্রমাণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে বিভিন্নভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে আসছেন। এমনকি ওই আওয়ামী লীগ নেতাদের সরবরাহ করা গাড়ি এবং অর্থও তিনি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করেন। একদিকে আওয়ামী লীগের লোকজনকে রক্ষা করা এবং অন্যদিকে জনসম্মুখে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও গরম বক্তব্য দেওয়াকে তিনি দ্বিমুখী নীতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী আরও বলেন, জামায়াত ও এনসিপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যেসব হুংকার বা কঠোর বক্তব্য দেওয়া হয়, তার মূল কারণ লুকিয়ে রয়েছে আর্থিক সুবিধা আদায়ের মধ্যে। তিনি দাবি করেন, এই দলগুলো আওয়ামী লীগকে মূলত একটি বার্তা দিতে চায় যে, নিয়মিত অনুদান, চাঁদা কিংবা পেছনের সহযোগিতা বন্ধ করা হলে তাদের পরিণতি খারাপ হবে। মূলত অর্থনৈতিক সুবিধা ও চাঁদাবাজি অব্যাহত রাখতেই রাজনৈতিক ময়দানে এমন কঠোর অবস্থান নেওয়ার ভান করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সামগ্রिक এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মুখ থেকে বিরোধী ধারার রাজনৈতিক দলের নেতার বিরুদ্ধে এমন সরাসরি চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগ তোলার বিষয়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধরনের মন্তব্য দেশের বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণ ও পারস্পরিক আস্থার সংকটকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগ দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও বেশি উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।

জনপ্রিয়

রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা

‘পাটওয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে ছাগল-ল্যাপটপ চুরি বেড়ে যাবে’

প্রকাশিত ১০:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভবিষ্যতে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব পেলে ল্যাপটপ ও ছাগল চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তাঁর মতে, ছাত্রজীবনে ল্যাপটপ চুরি এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে আসার পর ছাগল চুরির অভিজ্ঞতা নিয়েই পাটওয়ারী রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলছেন। এমন অতীত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন ব্যক্তি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয় বলে তিনি দাবি করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন যে, এনসিপির নেতারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন। এর সপক্ষে প্রমাণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে বিভিন্নভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে আসছেন। এমনকি ওই আওয়ামী লীগ নেতাদের সরবরাহ করা গাড়ি এবং অর্থও তিনি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করেন। একদিকে আওয়ামী লীগের লোকজনকে রক্ষা করা এবং অন্যদিকে জনসম্মুখে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও গরম বক্তব্য দেওয়াকে তিনি দ্বিমুখী নীতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী আরও বলেন, জামায়াত ও এনসিপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যেসব হুংকার বা কঠোর বক্তব্য দেওয়া হয়, তার মূল কারণ লুকিয়ে রয়েছে আর্থিক সুবিধা আদায়ের মধ্যে। তিনি দাবি করেন, এই দলগুলো আওয়ামী লীগকে মূলত একটি বার্তা দিতে চায় যে, নিয়মিত অনুদান, চাঁদা কিংবা পেছনের সহযোগিতা বন্ধ করা হলে তাদের পরিণতি খারাপ হবে। মূলত অর্থনৈতিক সুবিধা ও চাঁদাবাজি অব্যাহত রাখতেই রাজনৈতিক ময়দানে এমন কঠোর অবস্থান নেওয়ার ভান করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সামগ্রिक এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মুখ থেকে বিরোধী ধারার রাজনৈতিক দলের নেতার বিরুদ্ধে এমন সরাসরি চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগ তোলার বিষয়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধরনের মন্তব্য দেশের বর্তমান রাজনৈতিক মেরুকরণ ও পারস্পরিক আস্থার সংকটকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগ দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও বেশি উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।