ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

প্রকৃত শ্রমিকরা আর আন্দোলনে নেই: রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: পোশাক শিল্পের চলমান আন্দোলনে প্রকৃত শ্রমিকরা অংশ নিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। চট্টগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক গণজমায়েতে তিনি এই অভিযোগ করেন। সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরীর আলমাস সিনেমা হলের মোড়ে মহানগর বিএনপি এই শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় তুলে ধরেন।

বক্তব্যে রিজভী দাবি করেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুণ্ডা, পাণ্ডা ও সন্ত্রাসীরা বর্তমানে বিভিন্ন কারখানায় আগুন দিচ্ছে। দেশ যখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে উৎপাদন ও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, এই পরিস্থিতিতে কারা পুলিশের গাড়ি ও বক্সে আগুন দিচ্ছে এবং আন্দোলনকারীদের ছবি তুলতে গিয়ে তৌফিককে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে কথা বলেছে এবং ওয়েজ বোর্ডের বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন এই বিএনপি নেতা। তার মতে, যারা এই ধরনের সহিংসতা চালাচ্ছে তারা মূলত পলাতক এবং পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থান করছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, সেই দেশ থেকে উসকানি দিয়ে বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা সবাই যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে তিনি দাবি করেন।

আন্দোলনের নামে উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি ভয়ংকর রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান রিজভী। অতীতে যারা ব্যাংক থেকে টাকা লুট ও পাচার করেছে, তারা আবার সেই দুর্বৃত্তায়নের শাসন ফিরিয়ে আনতে চায়। তবে দেশের জনগণ এখন সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সফল হতে দেওয়া হবে না।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম ও সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শাহাদাত হোসেন এবং নগর বিএনপির নেতা আবুল হাশেম বক্কর বক্তব্য রাখেন।

জনপ্রিয়

‘স্বস্তি পেলাম’, কফি উইথ করণ শেষে কারিনার প্রতিক্রিয়া

প্রকৃত শ্রমিকরা আর আন্দোলনে নেই: রিজভী

প্রকাশিত ১২:৩৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: পোশাক শিল্পের চলমান আন্দোলনে প্রকৃত শ্রমিকরা অংশ নিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। চট্টগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক গণজমায়েতে তিনি এই অভিযোগ করেন। সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরীর আলমাস সিনেমা হলের মোড়ে মহানগর বিএনপি এই শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় তুলে ধরেন।

বক্তব্যে রিজভী দাবি করেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুণ্ডা, পাণ্ডা ও সন্ত্রাসীরা বর্তমানে বিভিন্ন কারখানায় আগুন দিচ্ছে। দেশ যখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে উৎপাদন ও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি মহল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, এই পরিস্থিতিতে কারা পুলিশের গাড়ি ও বক্সে আগুন দিচ্ছে এবং আন্দোলনকারীদের ছবি তুলতে গিয়ে তৌফিককে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে কথা বলেছে এবং ওয়েজ বোর্ডের বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন এই বিএনপি নেতা। তার মতে, যারা এই ধরনের সহিংসতা চালাচ্ছে তারা মূলত পলাতক এবং পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থান করছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, সেই দেশ থেকে উসকানি দিয়ে বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা সবাই যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে তিনি দাবি করেন।

আন্দোলনের নামে উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি ভয়ংকর রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান রিজভী। অতীতে যারা ব্যাংক থেকে টাকা লুট ও পাচার করেছে, তারা আবার সেই দুর্বৃত্তায়নের শাসন ফিরিয়ে আনতে চায়। তবে দেশের জনগণ এখন সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সফল হতে দেওয়া হবে না।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম ও সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শাহাদাত হোসেন এবং নগর বিএনপির নেতা আবুল হাশেম বক্কর বক্তব্য রাখেন।