ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

তিন বছর ধরে রেলস্টেশনই শিশুর ঠিকানা

রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীর ব্যস্ততম কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম গত তিন বছর ধরে ১২ বছর বয়সী নাজিমুল সাকিবের অস্থায়ী ঠিকানা হয়ে উঠেছে। রাতের বেলা কনকনে ঠান্ডা হোক কিংবা বৃষ্টি, এই স্টেশনের মেঝেতেই তার ঘুমাতে হয়। পরিবারের নিরাপত্তা ও আশ্রয়ের অভাব তাকে এই নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে।

জীবিকার তাগিদে এই শিশুটি দিনের পুরো সময়টা রেলওয়ে স্টেশনেই কুলির কাজ করে থাকে। ভারী বোঝা বহন করে যা আয় হয়, তা দিয়ে কোনোমতে তার দৈনন্দিন খাবার জোটে। শৈশবের খেলাধুলা ও পড়াশোনার বয়স হলেও তাকে বেঁচে থাকার তাগিদে কঠোর পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

অসহায় এই শিশুটির জীবন সংগ্রামের পেছনে রয়েছে এক বড় দুঃখজনক সামাজিক পটভূমি। ঠিকমতো অভিভাবকের যত্ন ও আর্থিক সচ্ছলতার অভাব তাকে অতি অল্প বয়সে ঝুঁকিপূর্ণ এই কাজের সাথে যুক্ত করেছে। সমাজের অবহেলিত ও পথশিশুদের করুণ চিত্রেরই একটি বাস্তব প্রতিচ্ছবি এই ঘটনা।

পরিবারের সুরক্ষা ছাড়াই এ ধরনের শিশুরা প্রতিদিন নানা ধরনের ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন পার করে। নাজিমুল সাকিবের মতো হাজারো পথশিশুর পুনর্বাসন এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি তাই অত্যন্ত জরুরি ও তাৎপর্যপূর্ণ।

জনপ্রিয়

সান্তোসের নতুন প্রধান নির্বাহী নেইমারের বাবা

তিন বছর ধরে রেলস্টেশনই শিশুর ঠিকানা

প্রকাশিত ০৩:৫২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীর ব্যস্ততম কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম গত তিন বছর ধরে ১২ বছর বয়সী নাজিমুল সাকিবের অস্থায়ী ঠিকানা হয়ে উঠেছে। রাতের বেলা কনকনে ঠান্ডা হোক কিংবা বৃষ্টি, এই স্টেশনের মেঝেতেই তার ঘুমাতে হয়। পরিবারের নিরাপত্তা ও আশ্রয়ের অভাব তাকে এই নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে।

জীবিকার তাগিদে এই শিশুটি দিনের পুরো সময়টা রেলওয়ে স্টেশনেই কুলির কাজ করে থাকে। ভারী বোঝা বহন করে যা আয় হয়, তা দিয়ে কোনোমতে তার দৈনন্দিন খাবার জোটে। শৈশবের খেলাধুলা ও পড়াশোনার বয়স হলেও তাকে বেঁচে থাকার তাগিদে কঠোর পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

অসহায় এই শিশুটির জীবন সংগ্রামের পেছনে রয়েছে এক বড় দুঃখজনক সামাজিক পটভূমি। ঠিকমতো অভিভাবকের যত্ন ও আর্থিক সচ্ছলতার অভাব তাকে অতি অল্প বয়সে ঝুঁকিপূর্ণ এই কাজের সাথে যুক্ত করেছে। সমাজের অবহেলিত ও পথশিশুদের করুণ চিত্রেরই একটি বাস্তব প্রতিচ্ছবি এই ঘটনা।

পরিবারের সুরক্ষা ছাড়াই এ ধরনের শিশুরা প্রতিদিন নানা ধরনের ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দিন পার করে। নাজিমুল সাকিবের মতো হাজারো পথশিশুর পুনর্বাসন এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি তাই অত্যন্ত জরুরি ও তাৎপর্যপূর্ণ।