ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শিবিরেরকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবিতে ক্যাম্পাসে রাবি ছাত্রদলের দেয়াল লিখন  Logo চট্টগ্রামে সিটি কলেজে শিবিরের হামলার প্রতিবাদে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ Logo শিক্ষকদের ডাকা শাটডাউন কর্মসূচিতে ববি শিক্ষার্থীদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া Logo জাবিতে বাস্কেটবল ক্লাবের যাত্রা শুরু, সভাপতি অক্ষর সম্পাদক নাবিলা Logo ইরানের তেল বাণিজ্য অচল করে দেওয়ার হুমকি মার্কিন মন্ত্রীর Logo সরকারের মধুচন্দ্রিমায় গ্রহণ লাগার শঙ্কা – মাহমুদুর রহমান Logo রাবিতে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মর্টার শেল উদ্ধার  Logo অসুস্থ জীমের পাশে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা, বৃত্তির অর্থ প্রদান Logo সংগ্রামের শহরে স্বপ্ন বুনছেন সুজন মিয়া Logo চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদলের উপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

কবি নজরুল কলেজে সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি, সমালোচনার ঝড়

রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কবি নজরুল সরকারি কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অনার্স শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হারে নকল করার অভিযোগ উঠেছে । এ ধরনের অনিয়ম পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে অভিযোগ কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থীদের।

সরজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগে থেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রের বাথরুমগুলোকে নকলের নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার করছে। বাথরুমের জানালার কার্নিশ, ফ্লাশ ট্যাংকের ওপর ও দরজার পেছনে বই, গাইড ও হাতে লেখা নোট লুকিয়ে রাখছে।পরীক্ষার সময় সুযোগ বুঝে শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বাথরুমে গিয়ে সেই বই ও নোট দেখে উত্তর মুখস্থ করে এবং নোট নিয়ে যাচ্ছে পরীক্ষারা হলে।

পরীক্ষা শেষে বাথরুমগুলোতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা বই, প্রশ্নোত্তর নোট ও কাগজের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা নকলের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।


এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।বিভিন্ন শিক্ষার্থী গ্রুপে একের পর এক পোস্ট দিয়ে নকলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। অনেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের ছবি শেয়ার করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। আবার অনেকে কলেজ প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় পরীক্ষার দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব পোস্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করছে শিক্ষার্থীরা।

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল আলম বলেন, ‘পরীক্ষার মাঝখানে একই শিক্ষার্থী একাধিক বার বাথরুমে যাচ্ছে, অথচ তাতে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না। এ ধরনের ঘটনায় পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। দ্রুত বাথরুমকেন্দ্রিক নকল বন্ধে কঠোর নজরদারি, অতিরিক্ত পরিদর্শক নিয়োগ এবং পরীক্ষাকালীন বাথরুম ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আরোপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।’ 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনে পরীক্ষা দিচ্ছি, অথচ কিছু শিক্ষার্থী বাথরুমে বই রেখে নির্দ্বিধায় নকল করছে এটা খুবই হতাশাজনক। এতে যারা সৎভাবে পরীক্ষা দিচ্ছে,তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।’

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ হায়দার মিঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিবো।

জনপ্রিয়

শিবিরেরকে ‘গুপ্ত’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবিতে ক্যাম্পাসে রাবি ছাত্রদলের দেয়াল লিখন 

কবি নজরুল কলেজে সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি, সমালোচনার ঝড়

প্রকাশিত ০৯:৫৮:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কবি নজরুল সরকারি কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অনার্স শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হারে নকল করার অভিযোগ উঠেছে । এ ধরনের অনিয়ম পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে অভিযোগ কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থীদের।

সরজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগে থেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রের বাথরুমগুলোকে নকলের নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার করছে। বাথরুমের জানালার কার্নিশ, ফ্লাশ ট্যাংকের ওপর ও দরজার পেছনে বই, গাইড ও হাতে লেখা নোট লুকিয়ে রাখছে।পরীক্ষার সময় সুযোগ বুঝে শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বাথরুমে গিয়ে সেই বই ও নোট দেখে উত্তর মুখস্থ করে এবং নোট নিয়ে যাচ্ছে পরীক্ষারা হলে।

পরীক্ষা শেষে বাথরুমগুলোতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা বই, প্রশ্নোত্তর নোট ও কাগজের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা নকলের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।


এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।বিভিন্ন শিক্ষার্থী গ্রুপে একের পর এক পোস্ট দিয়ে নকলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। অনেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের ছবি শেয়ার করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। আবার অনেকে কলেজ প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় পরীক্ষার দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব পোস্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করছে শিক্ষার্থীরা।

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল আলম বলেন, ‘পরীক্ষার মাঝখানে একই শিক্ষার্থী একাধিক বার বাথরুমে যাচ্ছে, অথচ তাতে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না। এ ধরনের ঘটনায় পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। দ্রুত বাথরুমকেন্দ্রিক নকল বন্ধে কঠোর নজরদারি, অতিরিক্ত পরিদর্শক নিয়োগ এবং পরীক্ষাকালীন বাথরুম ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আরোপের দাবি জানিয়েছেন তিনি।’ 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনে পরীক্ষা দিচ্ছি, অথচ কিছু শিক্ষার্থী বাথরুমে বই রেখে নির্দ্বিধায় নকল করছে এটা খুবই হতাশাজনক। এতে যারা সৎভাবে পরীক্ষা দিচ্ছে,তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।’

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ হায়দার মিঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিবো।