ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‎২১ ফেব্রুয়ারি: আমাদের ভাষা রক্ষার দিন Logo বিশ্বের ১৫০টি প্রস্তাবকে পেছনে ফেলে আইএইউ-এর ৯৫০০ ইউরো অনুদান জিতল ‘EcoAstroBD’ Logo ‎কুবিস্থ নেত্রকোণা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের নেতৃত্বে সাদির-মোফাজ্জল Logo স্পেয়ার পার্টসে ৭০% পর্যন্ত ছাড় পাচ্ছেন রিয়েলমির গ্রাহকরা Logo অপো এ৬এস প্রোর ‘ফরেস্ট লুক’ ঘিরে দেশজুড়ে তারকাদের ব্যাপক আলোড়ন Logo রং তুলির আছড়ে, প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে শহীদ মিনার  Logo রমজান জুড়ে জাবিতে স্বল্পমূল্যে ‘ইফতার-ই-দস্তরখান’ আয়োজন Logo কুবিতে আবাসিক হলে ঢুকে ১৩-১৪ সেশনের ছাত্রদল নেতা কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধর Logo বায়তুল মোকাররমে হাজারো মুসল্লির একসাথে ইফতার, অংশ নিতে পারে যে কেউ  Logo কুবিতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ১-১০ রমজান ‘ক্যাম্পাস ইফতার ও কুরআন খতম’ কর্মসূচি

মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে কম-বেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের ২৯৭ আসনের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের সনসদ সদস্যদের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে হবে। এই তিন দিনের সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৪, ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হতে পারে। কারণ, কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ প্রদান করবেন। এরপরে একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে শপথ অনুষ্ঠান হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা আশা করছি তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।’

শপথের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।’

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটি সংসদ সচিবালয়ের দেখাশোনার বিষয়।

আপনি জানতে পেরেছেন কী—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যা জানি তা ইনফরমাল, সে জন্য এখন বলছি না। এখানে নানা রকম অপশন রয়েছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ দিতে পারেন। যদি তারা কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।

প্রাথমিকভাবে অতিথিদের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার অতিথি শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন।

জনপ্রিয়

‎২১ ফেব্রুয়ারি: আমাদের ভাষা রক্ষার দিন

মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত ১১:০৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে কম-বেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের ২৯৭ আসনের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের সনসদ সদস্যদের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে হবে। এই তিন দিনের সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৪, ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হতে পারে। কারণ, কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ প্রদান করবেন। এরপরে একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে শপথ অনুষ্ঠান হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা আশা করছি তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।’

শপথের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।’

সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটি সংসদ সচিবালয়ের দেখাশোনার বিষয়।

আপনি জানতে পেরেছেন কী—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যা জানি তা ইনফরমাল, সে জন্য এখন বলছি না। এখানে নানা রকম অপশন রয়েছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ দিতে পারেন। যদি তারা কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।

প্রাথমিকভাবে অতিথিদের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার অতিথি শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন।