ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মিরপুরে সিড প্রসেসিং সেন্টারের আড়ালে নকল সিগারেটের মোড়ক তৈরির কারখানা Logo হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo বুয়েট ছাত্র সানি হত্যা: মামলার তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে শুনানি আজ Logo অসুস্থ জ্বালানি মন্ত্রী টুকুকে দেখতে বাসায় গয়েশ্বর Logo ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার ব্যর্থ হলে এক দফার আন্দোলনে যাবো Logo রুমের জানালা খোলা রেখে টিভি দেখছিলেন গৃহবধূ, হঠাৎ শরীরে এসে লাগে গুলি Logo সাভারে মাদরাসায় ৬ মাস ধরে যৌন নির্যাতন চলে ৭ বছরের শিশুর ওপর Logo ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তামীরুল মিল্লাত ছাত্রী শিশুশিল্পী তাহিরার মৃত্যু Logo দক্ষিণখানে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেফতার Logo শিক্ষক রনজিলা নিহত: রিমান্ড শেষে ৩ আসামি কারাগারে

বাকৃবিতে ‘আমার ফ্যাকাল্টিই সেরা’ শীর্ষক রম্য বিতর্ক অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ‘বাউ সলিডারিটি সোসাইটি’ এর আয়োজনে রম্য বিতর্ক ও বৈশাখী সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ওই রম্য বিতর্ক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদ থেকে একজন করে শিক্ষার্থীরা এই বিতর্ক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বিতর্কের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘আমার ফ্যাকাল্টিই সেরা’। রম্যরস ও বিনোদনে ভরা এই বিতর্কে প্রতিটি অনুষদের বিতার্কিকরা অত্যন্ত চাতুর্যের সাথে নিজ নিজ অনুষদের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেন এবং হাস্যরসের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের যুক্তি খণ্ডন করেন।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক। তিনি বিতার্কিকদের সৃজনশীলতা ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরণের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

‎এর আগে বিকালে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। সেখানে ছিল গান ও বই পাঠের আয়োজন। বইপাঠের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের গাছ উপহার প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য ভিন্ন রকম বিনোদনের আয়োজন করতেই এমন উদ্যোগ, জানান আয়োজকেরা।

বাউ সলিডারিটির সোসাইটির আহবায়ক ছাব্বির হোসেন রিজন বলেন, এই বাংলায় ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ষাটের দশকে সাংস্কৃতিক পটভূমির উত্থান। এরই পথ ধরে বৈশাখ উদযাপন এবং ১৯৬৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় রমনায় যা পরবর্তীতে নাগরিক সমাজে এর পরিধি ঘটায়। তৎকালীন সময়ে এটি ছিল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদও বটে। একটা দেশ বা জনপদের সংস্কৃতি গড়ে উঠে সেই জনপদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আচার ও সংস্কৃতির ওপর। সংস্কৃতি যদি হয় মানুষের সম্মিলিত জীবনবোধের চর্চা তাহলে তা অবশ্যই সবার জন্য গ্রহণযোগ্য ও প্রাপ্য হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, বৈশাখ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে অনেক দর্শনার্থীদের আগমন হয়। পাশাপাশি আমাদের ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের জন্যও ভিন্ন রকম বিনোদনের চিন্তা থেকে আজকের আয়োজন। বাকৃবির শিক্ষার্থীদের কাছে নিজ নিজ অনুষদের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি জানিয়ে বছর জুড়ে বন্ধুদের আড্ডার অতি স্বাভাবিক বিতর্কের বিষয় থাকে এটি। আমরা সেটিকে আরও বিনোদনমূলক করে তুলতে চেষ্টা করেছি।

জনপ্রিয়

মিরপুরে সিড প্রসেসিং সেন্টারের আড়ালে নকল সিগারেটের মোড়ক তৈরির কারখানা

বাকৃবিতে ‘আমার ফ্যাকাল্টিই সেরা’ শীর্ষক রম্য বিতর্ক অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত ১২:২২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ‘বাউ সলিডারিটি সোসাইটি’ এর আয়োজনে রম্য বিতর্ক ও বৈশাখী সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ওই রম্য বিতর্ক উৎসবের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদ থেকে একজন করে শিক্ষার্থীরা এই বিতর্ক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বিতর্কের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘আমার ফ্যাকাল্টিই সেরা’। রম্যরস ও বিনোদনে ভরা এই বিতর্কে প্রতিটি অনুষদের বিতার্কিকরা অত্যন্ত চাতুর্যের সাথে নিজ নিজ অনুষদের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেন এবং হাস্যরসের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের যুক্তি খণ্ডন করেন।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক। তিনি বিতার্কিকদের সৃজনশীলতা ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরণের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

‎এর আগে বিকালে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। সেখানে ছিল গান ও বই পাঠের আয়োজন। বইপাঠের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের গাছ উপহার প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য ভিন্ন রকম বিনোদনের আয়োজন করতেই এমন উদ্যোগ, জানান আয়োজকেরা।

বাউ সলিডারিটির সোসাইটির আহবায়ক ছাব্বির হোসেন রিজন বলেন, এই বাংলায় ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ষাটের দশকে সাংস্কৃতিক পটভূমির উত্থান। এরই পথ ধরে বৈশাখ উদযাপন এবং ১৯৬৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় রমনায় যা পরবর্তীতে নাগরিক সমাজে এর পরিধি ঘটায়। তৎকালীন সময়ে এটি ছিল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদও বটে। একটা দেশ বা জনপদের সংস্কৃতি গড়ে উঠে সেই জনপদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আচার ও সংস্কৃতির ওপর। সংস্কৃতি যদি হয় মানুষের সম্মিলিত জীবনবোধের চর্চা তাহলে তা অবশ্যই সবার জন্য গ্রহণযোগ্য ও প্রাপ্য হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, বৈশাখ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে অনেক দর্শনার্থীদের আগমন হয়। পাশাপাশি আমাদের ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের জন্যও ভিন্ন রকম বিনোদনের চিন্তা থেকে আজকের আয়োজন। বাকৃবির শিক্ষার্থীদের কাছে নিজ নিজ অনুষদের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি জানিয়ে বছর জুড়ে বন্ধুদের আড্ডার অতি স্বাভাবিক বিতর্কের বিষয় থাকে এটি। আমরা সেটিকে আরও বিনোদনমূলক করে তুলতে চেষ্টা করেছি।