ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পিআরএবির সভাপতি ইয়াহিয়া, সম্পাদক নজরুল Logo লংমার্চ বাদ দিয়ে সংবিধান সংস্কারে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo ‘আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার’ পেলেন আনোয়ার-মাসুম Logo ‘যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয় ৫০ লাখের জায়গায় এক কোটি হবে’ Logo জাটকা শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে Logo আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৩ জেলার ৭০ চরমপন্থি Logo বিপর্যয় সামাল দিয়ে সেঞ্চুরি মিঠুন ও সোহানের Logo ইরানে ৪ নভেম্বর নাগাদ সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo বাড়িতে ডিজে পার্টি, পুলিশের অভিযান, সেই অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত Logo দাদন ব্যাবসায়ীর ফাঁদে সর্বশান্ত শতাধিক পরিবার, ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

রাকসু কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

  • সায়েম চৌধুরী
  • প্রকাশিত ০৮:৪৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৮৬ বার পঠিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে সাবেক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা কর্তৃক হামলা ও পরবর্তীতে ওই ছাত্রলীগ কর্মীকে পুলিশে সোপর্দ করাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে এ হামলা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, নারীঘটিত এক ইস্যুতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও বাজে আচরণ করেন।পরবর্তীতে ওই ব্যক্তির মোবাইল তল্লাশি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী বলে শনাক্ত হওয়ার পর প্রক্টরের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্ত ওই ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করা হয়।

এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরই রাকসু কার্যালয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও রাকসু নেতা নাজমুস সাকিবের উপর ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন রাকসু জিএস আম্মারসহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব। উক্ত ঘটনার পর থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে রাবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে গিয়ে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীকে এম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে মারধর করেন। এরপর প্রশাসনের সাথে রাকসু ও শিবিরের নেতৃবৃন্দের বৈঠক হয়। এ ঘটনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ১ ঘন্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়।

মারধরের বিষয়ে রাকসু’র জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন,’ অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতারের পর জোহা চত্ত্বরে নিয়ে পুলিশ ছেড়ে দেয়। সেই ছেলে আমি কার্যালয়ে বসার পর গিয়ে হামলা করেছে। ২ বছর ধরে ছাত্রলীগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে আজকের এই পরিস্থিতিতে নিয়ে আসলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর দায় অবশ্যই এদেশের আইন ও প্রশাসনকে দিতে হবে। রাকসু কার্যালয়ে আমাদের এক সম্পাদক গুরুতর আহত হয়েছে। ওরা আকষ্মিক ভাবে আমাদের উপর হামলা করে৷ ওরা ছিলো ৭ জন আমরা ছিলাম ৩ জন। ‘

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজকের মধ্যেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাব।”

জনপ্রিয়

পিআরএবির সভাপতি ইয়াহিয়া, সম্পাদক নজরুল

রাকসু কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত ০৮:৪৪:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে সাবেক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা কর্তৃক হামলা ও পরবর্তীতে ওই ছাত্রলীগ কর্মীকে পুলিশে সোপর্দ করাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে এ হামলা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, নারীঘটিত এক ইস্যুতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও বাজে আচরণ করেন।পরবর্তীতে ওই ব্যক্তির মোবাইল তল্লাশি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী বলে শনাক্ত হওয়ার পর প্রক্টরের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্ত ওই ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করা হয়।

এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরই রাকসু কার্যালয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও রাকসু নেতা নাজমুস সাকিবের উপর ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন রাকসু জিএস আম্মারসহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব। উক্ত ঘটনার পর থেকেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে রাবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে গিয়ে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীকে এম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে মারধর করেন। এরপর প্রশাসনের সাথে রাকসু ও শিবিরের নেতৃবৃন্দের বৈঠক হয়। এ ঘটনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ১ ঘন্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়।

মারধরের বিষয়ে রাকসু’র জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন,’ অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতারের পর জোহা চত্ত্বরে নিয়ে পুলিশ ছেড়ে দেয়। সেই ছেলে আমি কার্যালয়ে বসার পর গিয়ে হামলা করেছে। ২ বছর ধরে ছাত্রলীগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে আজকের এই পরিস্থিতিতে নিয়ে আসলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর দায় অবশ্যই এদেশের আইন ও প্রশাসনকে দিতে হবে। রাকসু কার্যালয়ে আমাদের এক সম্পাদক গুরুতর আহত হয়েছে। ওরা আকষ্মিক ভাবে আমাদের উপর হামলা করে৷ ওরা ছিলো ৭ জন আমরা ছিলাম ৩ জন। ‘

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজকের মধ্যেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাব।”