ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ২৬০ শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ৪ শিক্ষক: ধুঁকে ধুঁকে চলছে পাবিপ্রবির সমাজকর্ম বিভাগ Logo ছাত্রদল নেতা সুমন সরদারের নেতৃত্বে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটি দখলের চেষ্টা Logo ইসলামী ছাত্র আন্দোলন কুবি শাখার সভাপতি ইফতি সাধারণ সম্পাদক শাওন Logo বাকৃবিতে আবাসিক হলে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় জোড়া তদন্ত কমিটি গঠন Logo হুট করে বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন নোবিপ্রবি উপাচার্যের Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রশাসনের সাথে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় Logo নতুন গান ‘তোমার কলরব’ নিয়ে ফিরলেন মিলানা মমিন Logo জাবিতে ছাত্রশিবিরের ‘জুলাই অভ্যুত্থান রান ২০২৬ ’ মিনি ম্যারাথন Logo দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ Logo জাবির ২২ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ৩২ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, গবেষণার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

ছাত্রদল নেতা সুমন সরদারের নেতৃত্বে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটি দখলের চেষ্টা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ ও সংগঠন দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সুমন সরদারের অনুসারী তথা জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক নেতা আতাউল্লাহ আহাদ, যিনি কোনোদিনও সাংবাদিকতা করেননি, তিনি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের অভিযোগ, সুমন সরদারের ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর সঙ্গে রাজনীতি করা কয়েকজন জুনিয়রকে নিয়ে সাংবাদিক সংগঠনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যেখানে, জবি রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি কমিটি থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে নিজ উদ্যোগে ছাত্রদলের একজন পদধারী নেতা আতাউল্লাহ আল আহাদকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বসিয়ে অপর একটি ভুয়া কমিটি ঘোষণা করেন।
সংগঠনে আর্থিক অনিয়ম, টেন্ডারবাজি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত এবং ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর পলাতক এক ব্যক্তি এবং জবিরিইউ এর গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থাকায় বহিস্কৃত সাবেক সভাপতিকে দিয়ে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার প্রমাণও পাওয়া গেছে।

এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সাংবাদিকদের দাবি, এভাবে একটি রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপে কমিটি ঘোষণার কারণে ক্যাম্পাসে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের মতে, কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের মাধ্যমে সাংবাদিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা স্বাধীন ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। এর মাধ্যমে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে সুমন সরদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এরা আমার রাজনৈতিক ছোট ভাই। সে ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য । আমি বললে সে এখনই পদ থেকে বসে যাবে। আমার নিয়ন্ত্রণে আছে সে। ”
পরে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, “আপনি কেন এ কাজ করেছেন? একটি রাজনৈতিক দল কি এ ধরনের কাজ করতে পারে? কিংবা আপনাকে কি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল বা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এ ধরনের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়েছে?” তিনি বলেন যে না উনারা আমাকে বলে নি। ছাত্রদলের যে নেতা এই কমিটিতে আছে তারা এবং অন্যরা সবাই আমার রাজনৈতিক ছোট ভাই। আমি বললে তারা এখনই বসে যাবে।”

এই বিষয়ে পরে তাঁকে আবার ফোন করলে তিনি ‘শিবির’ ও ‘ছাত্রলীগ’ বলে চালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, “আপনি কি হুমকি দিচ্ছেন?” উত্তরে তিনি বলেন, “না না, তেমন না।আমি দ্রুত আপনাদের সাথে বসব।”
বর্তমানে সুমন সরদারের রাজনৈতিক ছোট ভাই ছাত্রদলের পদধারী এই নেতা আতাউল্লাহ আহাদকে নিয়ে সাংবাদিকরা নিরাপত্তা শংকায় আছেন এবং তাদের মতে এই ধরনের ফ্যাসিস্ট কায়দায় সাংবাদিক সংগঠন দখলে করার চেষ্টায় তারা বিভ্রান্তির শিকার।

সুমন সরদারের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ‘মব’ ও মামলার হুমকি দেখানোর জন্য একটি নিজস্ব গ্যাং গড়ে তুলেছেন এবং এর মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ আদায় করেন।

এদিকে, অতীতে সুমন সরদারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নিয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ প্রকাশিত একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে দেখা যায়, চাঁদা তোলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এক মাসের জন্য সাংগঠনিক পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর আগে একই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ২২ মার্চ আজমেরী পরিবহনের কাউন্টারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনায়ও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্রদল নেতা বলেন, “সুমন সরদার নিজস্ব গ্যাং গঠন করে ‘মব’, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজি করেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলেন। এতে আমাদের ছাত্রদলের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিএনপি, তারেক রহমান এবং জিয়া পরিবারেরও বদনাম হচ্ছে। এত কিছুর পরও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কেন তাঁর বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে না, আমরা বুঝতে পারছি না। কে তাঁর পেছনে আছে, কত টাকা দিয়ে কাকে ম্যানেজ করছেন—সেটাও আমাদের বোধগম্য নয়। এতে আমরা ছাত্রদল করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি। নতুন সদস্যরাও এসব দেখে হতাশ হয়ে সংগঠন ছেড়ে চলে যাচ্ছে। আমরা আশা করি, এবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অন্তত দলের সুনাম রক্ষার স্বার্থে তাঁকে আর ন্যূনতম সুযোগ দেবে না।”

সুমন সরদারের এত এত অপকর্মের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল এবং সদস্যসচিব সামসুল আরেফিন বলেন তার এসব অপকর্মে দায়ভার আমরা নিবোনা, জবি ছাত্রদল নিবে না।

উল্লেখ্য, সুমন সরদার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লার অনুসারী হিসেবে রাজনীতি করেন। ক্যাম্পাসে তাঁর গ্রুপ ‘বিদ্রোহী’ গ্রুপ হিসেবে পরিচিত।

মাহমুদ/জবি

জনপ্রিয়

২৬০ শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ৪ শিক্ষক: ধুঁকে ধুঁকে চলছে পাবিপ্রবির সমাজকর্ম বিভাগ

ছাত্রদল নেতা সুমন সরদারের নেতৃত্বে জবি রিপোর্টার্স ইউনিটি দখলের চেষ্টা

প্রকাশিত ১১:৩৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ ও সংগঠন দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সুমন সরদারের অনুসারী তথা জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির এক নেতা আতাউল্লাহ আহাদ, যিনি কোনোদিনও সাংবাদিকতা করেননি, তিনি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের অভিযোগ, সুমন সরদারের ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর সঙ্গে রাজনীতি করা কয়েকজন জুনিয়রকে নিয়ে সাংবাদিক সংগঠনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যেখানে, জবি রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি কমিটি থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে নিজ উদ্যোগে ছাত্রদলের একজন পদধারী নেতা আতাউল্লাহ আল আহাদকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বসিয়ে অপর একটি ভুয়া কমিটি ঘোষণা করেন।
সংগঠনে আর্থিক অনিয়ম, টেন্ডারবাজি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত এবং ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর পলাতক এক ব্যক্তি এবং জবিরিইউ এর গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থাকায় বহিস্কৃত সাবেক সভাপতিকে দিয়ে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার প্রমাণও পাওয়া গেছে।

এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সাংবাদিকদের দাবি, এভাবে একটি রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপে কমিটি ঘোষণার কারণে ক্যাম্পাসে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের মতে, কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের মাধ্যমে সাংবাদিক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা স্বাধীন ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। এর মাধ্যমে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে সুমন সরদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, এরা আমার রাজনৈতিক ছোট ভাই। সে ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য । আমি বললে সে এখনই পদ থেকে বসে যাবে। আমার নিয়ন্ত্রণে আছে সে। ”
পরে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, “আপনি কেন এ কাজ করেছেন? একটি রাজনৈতিক দল কি এ ধরনের কাজ করতে পারে? কিংবা আপনাকে কি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল বা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এ ধরনের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়েছে?” তিনি বলেন যে না উনারা আমাকে বলে নি। ছাত্রদলের যে নেতা এই কমিটিতে আছে তারা এবং অন্যরা সবাই আমার রাজনৈতিক ছোট ভাই। আমি বললে তারা এখনই বসে যাবে।”

এই বিষয়ে পরে তাঁকে আবার ফোন করলে তিনি ‘শিবির’ ও ‘ছাত্রলীগ’ বলে চালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, “আপনি কি হুমকি দিচ্ছেন?” উত্তরে তিনি বলেন, “না না, তেমন না।আমি দ্রুত আপনাদের সাথে বসব।”
বর্তমানে সুমন সরদারের রাজনৈতিক ছোট ভাই ছাত্রদলের পদধারী এই নেতা আতাউল্লাহ আহাদকে নিয়ে সাংবাদিকরা নিরাপত্তা শংকায় আছেন এবং তাদের মতে এই ধরনের ফ্যাসিস্ট কায়দায় সাংবাদিক সংগঠন দখলে করার চেষ্টায় তারা বিভ্রান্তির শিকার।

সুমন সরদারের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ‘মব’ ও মামলার হুমকি দেখানোর জন্য একটি নিজস্ব গ্যাং গড়ে তুলেছেন এবং এর মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ আদায় করেন।

এদিকে, অতীতে সুমন সরদারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নিয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৮ মার্চ প্রকাশিত একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে দেখা যায়, চাঁদা তোলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এক মাসের জন্য সাংগঠনিক পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর আগে একই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ২২ মার্চ আজমেরী পরিবহনের কাউন্টারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনায়ও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্রদল নেতা বলেন, “সুমন সরদার নিজস্ব গ্যাং গঠন করে ‘মব’, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজি করেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলেন। এতে আমাদের ছাত্রদলের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিএনপি, তারেক রহমান এবং জিয়া পরিবারেরও বদনাম হচ্ছে। এত কিছুর পরও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কেন তাঁর বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে না, আমরা বুঝতে পারছি না। কে তাঁর পেছনে আছে, কত টাকা দিয়ে কাকে ম্যানেজ করছেন—সেটাও আমাদের বোধগম্য নয়। এতে আমরা ছাত্রদল করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি। নতুন সদস্যরাও এসব দেখে হতাশ হয়ে সংগঠন ছেড়ে চলে যাচ্ছে। আমরা আশা করি, এবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অন্তত দলের সুনাম রক্ষার স্বার্থে তাঁকে আর ন্যূনতম সুযোগ দেবে না।”

সুমন সরদারের এত এত অপকর্মের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল এবং সদস্যসচিব সামসুল আরেফিন বলেন তার এসব অপকর্মে দায়ভার আমরা নিবোনা, জবি ছাত্রদল নিবে না।

উল্লেখ্য, সুমন সরদার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লার অনুসারী হিসেবে রাজনীতি করেন। ক্যাম্পাসে তাঁর গ্রুপ ‘বিদ্রোহী’ গ্রুপ হিসেবে পরিচিত।

মাহমুদ/জবি