ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ভোলা পাবলিক লাইব্রেরির সবুজ খান পেলেন জ্ঞানালোক পদক

আধুনিক লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রসারে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জ্ঞানালোক পদক’ পেয়েছেন ভোলা পাবলিক লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান (সহকারী পরিচালক) মো. সবুজ খান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোলা পাবলিক লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদক তুলে দেওয়া হয়। পদক হস্তান্তর করেন জাতীয় লেখক ক্লাবের মুখ্য সমন্বয়ক সাধন বসাক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মো. সবুজ খান দীর্ঘদিন ধরে ভোলার পাঠকসমাজ, তরুণ প্রজন্ম ও সাহিত্যপ্রেমীদের বইমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁর উদ্যোগ ও নেতৃত্বে ভোলা পাবলিক লাইব্রেরি আধুনিক, গবেষণাবান্ধব ও পাঠকবান্ধব জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।

সম্মাননা গ্রহণের পর মো. সবুজ খান বলেন, ‘যেকোনো কাজের স্বীকৃতি কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দেয়। জাতীয় লেখক ক্লাবের এই সম্মাননা আমাকে ভবিষ্যতে ভোলায় বই পড়ার সংস্কৃতি আরও ছড়িয়ে দিতে এবং সাহিত্যচর্চাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।’

জাতীয় লেখক ক্লাবের মুখ্য সমন্বয়ক সাধন বসাক বলেন, ‘লাইব্রেরি কেবল বইয়ের সংগ্রহশালা নয়, এটি একটি সমাজের মেধা ও ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু। মো. সবুজ খান তাঁর মেধা, নিষ্ঠা ও সংগঠকসুলভ দূরদর্শিতা দিয়ে ভোলা পাবলিক লাইব্রেরিকে একটি অনন্য বাতিঘরে পরিণত করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, সবুজ খান লাইব্রেরিতে প্রযুক্তিবান্ধব আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালুর পাশাপাশি স্থানীয় লেখকদের বই নিয়ে ‘ভোলা কর্নার’সহ বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন। এসব অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে সম্মানিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, জেলা পাবলিক লাইব্রেরির নিয়মিত পাঠক ও তরুণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভোলা পাবলিক লাইব্রেরির সবুজ খান পেলেন জ্ঞানালোক পদক

প্রকাশিত ০৯:৫৮:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

আধুনিক লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রসারে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জ্ঞানালোক পদক’ পেয়েছেন ভোলা পাবলিক লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান (সহকারী পরিচালক) মো. সবুজ খান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোলা পাবলিক লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদক তুলে দেওয়া হয়। পদক হস্তান্তর করেন জাতীয় লেখক ক্লাবের মুখ্য সমন্বয়ক সাধন বসাক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মো. সবুজ খান দীর্ঘদিন ধরে ভোলার পাঠকসমাজ, তরুণ প্রজন্ম ও সাহিত্যপ্রেমীদের বইমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তাঁর উদ্যোগ ও নেতৃত্বে ভোলা পাবলিক লাইব্রেরি আধুনিক, গবেষণাবান্ধব ও পাঠকবান্ধব জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।

সম্মাননা গ্রহণের পর মো. সবুজ খান বলেন, ‘যেকোনো কাজের স্বীকৃতি কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দেয়। জাতীয় লেখক ক্লাবের এই সম্মাননা আমাকে ভবিষ্যতে ভোলায় বই পড়ার সংস্কৃতি আরও ছড়িয়ে দিতে এবং সাহিত্যচর্চাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।’

জাতীয় লেখক ক্লাবের মুখ্য সমন্বয়ক সাধন বসাক বলেন, ‘লাইব্রেরি কেবল বইয়ের সংগ্রহশালা নয়, এটি একটি সমাজের মেধা ও ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু। মো. সবুজ খান তাঁর মেধা, নিষ্ঠা ও সংগঠকসুলভ দূরদর্শিতা দিয়ে ভোলা পাবলিক লাইব্রেরিকে একটি অনন্য বাতিঘরে পরিণত করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, সবুজ খান লাইব্রেরিতে প্রযুক্তিবান্ধব আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালুর পাশাপাশি স্থানীয় লেখকদের বই নিয়ে ‘ভোলা কর্নার’সহ বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন। এসব অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে সম্মানিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, জেলা পাবলিক লাইব্রেরির নিয়মিত পাঠক ও তরুণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।