ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ইংরেজি বিভাগে প্রতারণামূলক ভর্তি ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ে জমা পড়েনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান গত ২৭ জুলাই অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শামীমা আক্তারের ভর্তি সংক্রান্ত সার্বিক তথ্য পর্যালোচনা এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে ০৭ কর্মদিবসের সময় বেঁধে দিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে ৯ কর্মদিবস অতিবাহিত হলেও কমিটি রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নানা উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটিত এই তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মো. বদিউজ্জামান এবং সদস্য হিসেবে আছেন ইবির আইন উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ইংরেজি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শামিমা আক্তার (রোল: ২৪১০১০৪) জালিয়াতির আশ্রয়ে ভর্তি হয়ে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যারে তার রোলের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধান শেষে পরীক্ষা কমিটি জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হয় এবং গত ১১ জুলাই জরুরি সভা আহ্বান করে। সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ভর্তি সংক্রান্ত কোনো অফিসিয়াল নথি না পাওয়ায় তার পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ করা হয় এবং বিভাগীয় স্টাফদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বিলম্বের বিষয়ে আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ব্যস্ততার কারণে নির্ধারিত সাতদিনে তদন্ত শেষ করা সম্ভব ছিল না, তাই আগেই এক সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছে। কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী সপ্তাহেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।





























