ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করলেন ছাত্রদল নেতা মিনার Logo খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল Logo তীব্র লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটে বিপাকে কুবির শিক্ষার্থীরা Logo যে আমলে বান্দার গুনাহ ঝরে যায় Logo ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে দলীয় সুপারিশে ছাত্রদল নেতা ও তার প্রেমিকার নাম Logo বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামারে বাড়ছে বিপজ্জনক ব্যাকটেরিয়া Logo লোডশেডিং সমাধানে অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যানি, সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রী! Logo এসএসসি পাসেই বেসরকারি সংস্থায় চাকরি Logo ছয় মাস পর্যটক যাতায়াত বন্ধ: নতুন প্রাণ পেলো সেন্ট মার্টিন

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের এক দিন পর এবার সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং আগের রাতের দুই হলের সংঘর্ষের জের ধরেই তাঁর ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দ্বীপ কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের প্রথম বর্ষের এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে কেনাকাটা শেষে হলে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামের সামনে ১২ থেকে ১৫ জন তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা প্রথমে তাঁর হলের নাম জানতে চান। হলের নাম শোনার পর তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, হামলার ফলে তাঁর মাথায় আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং আক্রমণকারীরা তার মানিব্যাগ নিয়ে যায়। সেসময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি তিনি রক্ষা করতে সক্ষম হন।

হামলার কারণ সম্পর্কে দ্বীপ বলেন, ‘আমি সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থী বলেই আমাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে বলে মনে করছি। আগের রাতের ঘটনার জেরেই এটি হয়েছে। তবে আক্রমনকারীদের কাউকে আমি সেভাবে চিনতে বা শনাক্ত করতে পারি নি।’

এ ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির জানান, হল গুলোর মাঝে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজক। নিজেদের মধ্যকার সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হল পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে পড়বে এটা মোটেও কাম্য ছিল না। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি একটি সুস্পষ্ট সমাধান হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে অঞ্চলভিত্তিক বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করলেন ছাত্রদল নেতা মিনার

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশিত ০১:৫৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের এক দিন পর এবার সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং আগের রাতের দুই হলের সংঘর্ষের জের ধরেই তাঁর ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দ্বীপ কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের প্রথম বর্ষের এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে কেনাকাটা শেষে হলে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামের সামনে ১২ থেকে ১৫ জন তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা প্রথমে তাঁর হলের নাম জানতে চান। হলের নাম শোনার পর তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, হামলার ফলে তাঁর মাথায় আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং আক্রমণকারীরা তার মানিব্যাগ নিয়ে যায়। সেসময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি তিনি রক্ষা করতে সক্ষম হন।

হামলার কারণ সম্পর্কে দ্বীপ বলেন, ‘আমি সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থী বলেই আমাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে বলে মনে করছি। আগের রাতের ঘটনার জেরেই এটি হয়েছে। তবে আক্রমনকারীদের কাউকে আমি সেভাবে চিনতে বা শনাক্ত করতে পারি নি।’

এ ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির জানান, হল গুলোর মাঝে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজক। নিজেদের মধ্যকার সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হল পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে পড়বে এটা মোটেও কাম্য ছিল না। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি একটি সুস্পষ্ট সমাধান হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে অঞ্চলভিত্তিক বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।