ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ Logo জাবির ২২ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ৩২ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, গবেষণার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন Logo কুবিতে নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ ছাত্রশক্তির ৫ দফার স্মারকলিপি Logo হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার মান উন্নয়নের দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি Logo কুবিতে দুই ছিনতাইকারী আটক, মুচলেকায় মুক্তি Logo “শিবির প্রতিটি ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্থা ও সাইবার বুলিং করছে” -নাছির Logo জুলাইয়ে জাবিতে হাসিনার ছবি অপসারণের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের বিবৃতি, দুইদিন পরই ক্ষমতাচ্যুত Logo উসকানিমূলক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাকৃবিতে দুই হলে মাঝে সংঘর্ষ, আহত ৫ Logo বুটেক্সে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের গুঞ্জন Logo আবাসিক হলকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে কুবি উপাচার্যের কাছে শিবিরের পাঁচ দফা দাবি

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের এক দিন পর এবার সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং আগের রাতের দুই হলের সংঘর্ষের জের ধরেই তাঁর ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দ্বীপ কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের প্রথম বর্ষের এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে কেনাকাটা শেষে হলে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামের সামনে ১২ থেকে ১৫ জন তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা প্রথমে তাঁর হলের নাম জানতে চান। হলের নাম শোনার পর তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, হামলার ফলে তাঁর মাথায় আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং আক্রমণকারীরা তার মানিব্যাগ নিয়ে যায়। সেসময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি তিনি রক্ষা করতে সক্ষম হন।

হামলার কারণ সম্পর্কে দ্বীপ বলেন, ‘আমি সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থী বলেই আমাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে বলে মনে করছি। আগের রাতের ঘটনার জেরেই এটি হয়েছে। তবে আক্রমনকারীদের কাউকে আমি সেভাবে চিনতে বা শনাক্ত করতে পারি নি।’

এ ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির জানান, হল গুলোর মাঝে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজক। নিজেদের মধ্যকার সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হল পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে পড়বে এটা মোটেও কাম্য ছিল না। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি একটি সুস্পষ্ট সমাধান হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে অঞ্চলভিত্তিক বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

জনপ্রিয়

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

দুই হলের সংঘর্ষের জেরে সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশিত ০১:৫৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের এক দিন পর এবার সোহরাওয়ার্দী হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং আগের রাতের দুই হলের সংঘর্ষের জের ধরেই তাঁর ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দ্বীপ কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের প্রথম বর্ষের এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাঁর অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বারের মোড় থেকে কেনাকাটা শেষে হলে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামের সামনে ১২ থেকে ১৫ জন তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁরা প্রথমে তাঁর হলের নাম জানতে চান। হলের নাম শোনার পর তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, হামলার ফলে তাঁর মাথায় আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং আক্রমণকারীরা তার মানিব্যাগ নিয়ে যায়। সেসময় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেটি তিনি রক্ষা করতে সক্ষম হন।

হামলার কারণ সম্পর্কে দ্বীপ বলেন, ‘আমি সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থী বলেই আমাকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে বলে মনে করছি। আগের রাতের ঘটনার জেরেই এটি হয়েছে। তবে আক্রমনকারীদের কাউকে আমি সেভাবে চিনতে বা শনাক্ত করতে পারি নি।’

এ ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির জানান, হল গুলোর মাঝে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজক। নিজেদের মধ্যকার সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে হল পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে পড়বে এটা মোটেও কাম্য ছিল না। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি একটি সুস্পষ্ট সমাধান হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা যায়, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে অঞ্চলভিত্তিক বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।