ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরিষাবাড়িতে বেড়েছে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা Logo দেশের বাজারে ডিটেইল মাস্টার” নুবিয়া ভি৮০ প্রো স্মার্টফোন উন্মোচন Logo বগুড়ায় নকল সিগারেট তৈরির কারখানায় অভিযান, বিপুল পরিমাণে নকল সিগারেট জব্দ Logo অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় তারেক রহমানের Logo নাগরিক সংকটেই ভোটের পাল্লা: ঢাকা–৬ আসনে গ্যাস–পানি–নিরাপত্তাই প্রধান ইস্যু Logo কুবিতে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo গোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির দ্বাদশ বর্ষে পদার্পণ Logo কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়  Logo ৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থান নিষিদ্ধ করে নির্দেশনা জারি Logo হাওরে স্বল্পমেয়াদি সরিষা চাষ, বাড়তি লাভের সম্ভাবনা কৃষকদের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে যা চাইলেন সাবিনারা

প্রধান উপদেষ্টার কাছে যা চাইলেন সাবিনারা

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালেই পাওয়া গিয়েছিল বিস্ময়কর তথ্য। তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই নেপালে টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়েছিলেন শিরোপাজয়ীরা। ফেডারেশন থেকে বেতন প্রদানের আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও কতদিনের মধ্যে তা পরিশোধ করা হবে, ফুটবলাররা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

নারী ফুটবলাররা যে পরিমাণ বেতন পান, সেটি মোটেও পর্যাপ্ত নয়। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন এবার সেই কথাটি প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের মুখোমুখি হয়েই পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলেন। একইসঙ্গে খেলোয়াড়রা যেন মানসম্মত বেতন পান, সেই চাওয়াটাও দলের পক্ষ থেকে তুলে ধরেন। অনেক খেলোয়াড়ের দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসার বিষয়টিও উত্থাপন করেন বাংলাদেশ দলের কাপ্তান।

শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ফুটবলাররা যমুনায় প্রবেশ করেন। এরপর তাদের সংবর্ধনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় রাষ্ট্রপ্রধানকে সাবিনা বলেন, বেতন আমাদের খুব বেশি সহায়তা প্রদান করে না। কারণ আমরা তেমন কিছু পাই না।

সাবিনা দলের সবাইকে সংবর্ধনার আয়োজনের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান। ২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে আমরা সম্মানিত বোধ করছি। অনেক বাধা অতিক্রম করে আমরা এই পর্যায়ে এসেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীরা অনেক সংগ্রামের মুখোমুখি হয়।

প্রধান উপদেষ্টা খেলোয়াড়দের দাবিগুলো মনোযোগ সহকারে শুনেছেন এবং তাদের সকল চাহিদা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ সময় তিনি বাঘিনীদের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে চান।

গত ২৩ অক্টোবর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাফজয়ী এক নারী ফুটবলার ডেইলি বাংলাদেশকে বলেছিলেন, ‘এখনো তিন মাসের বেতন বাকি রয়েছে। বাফুফে থেকে বলা হয়েছে সব পরিশোধ হবে। তবে কতদিনের মধ্যে দেবে, জানি না।’

জনপ্রিয়

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরিষাবাড়িতে বেড়েছে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা

প্রধান উপদেষ্টার কাছে যা চাইলেন সাবিনারা

প্রকাশিত ০৩:১০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালেই পাওয়া গিয়েছিল বিস্ময়কর তথ্য। তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই নেপালে টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়েছিলেন শিরোপাজয়ীরা। ফেডারেশন থেকে বেতন প্রদানের আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও কতদিনের মধ্যে তা পরিশোধ করা হবে, ফুটবলাররা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

নারী ফুটবলাররা যে পরিমাণ বেতন পান, সেটি মোটেও পর্যাপ্ত নয়। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন এবার সেই কথাটি প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের মুখোমুখি হয়েই পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলেন। একইসঙ্গে খেলোয়াড়রা যেন মানসম্মত বেতন পান, সেই চাওয়াটাও দলের পক্ষ থেকে তুলে ধরেন। অনেক খেলোয়াড়ের দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসার বিষয়টিও উত্থাপন করেন বাংলাদেশ দলের কাপ্তান।

শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ফুটবলাররা যমুনায় প্রবেশ করেন। এরপর তাদের সংবর্ধনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় রাষ্ট্রপ্রধানকে সাবিনা বলেন, বেতন আমাদের খুব বেশি সহায়তা প্রদান করে না। কারণ আমরা তেমন কিছু পাই না।

সাবিনা দলের সবাইকে সংবর্ধনার আয়োজনের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান। ২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে আমরা সম্মানিত বোধ করছি। অনেক বাধা অতিক্রম করে আমরা এই পর্যায়ে এসেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীরা অনেক সংগ্রামের মুখোমুখি হয়।

প্রধান উপদেষ্টা খেলোয়াড়দের দাবিগুলো মনোযোগ সহকারে শুনেছেন এবং তাদের সকল চাহিদা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ সময় তিনি বাঘিনীদের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে চান।

গত ২৩ অক্টোবর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাফজয়ী এক নারী ফুটবলার ডেইলি বাংলাদেশকে বলেছিলেন, ‘এখনো তিন মাসের বেতন বাকি রয়েছে। বাফুফে থেকে বলা হয়েছে সব পরিশোধ হবে। তবে কতদিনের মধ্যে দেবে, জানি না।’