ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উইপোকার দাপটে মধ্যরাতে সার্কিট হাউজ ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা তাহের

কুমিল্লা সার্কিট হাউজে উইপোকার চরম উপদ্রবের কারণে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে সেখানে রাত্রিযাপন না করেই অন্য স্থানে চলে গেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। ১১ দলীয় ঐਕ্যের একটি লংমার্চে অংশ নিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লায় পৌঁছান তিনি এবং সরকারি এই আবাসন ভবনে ওঠেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তার বিশ্রামের জন্য সার্কিট হাউজের রাধাচূড়া নামের ২০২ নম্বর কক্ষটি বরাদ্দ করা হয়েছিল।

রাত ১০টার দিকে নির্ধারিত ওই কক্ষে প্রবেশ করে উপনেতা দেখতে পান যে চারপাশের আসবাবপত্র এবং বিছানার কম্বলেও উইপোকার রাজত্ব চলছে। এই দৃশ্য দেখার পর তিনি অবিলম্বে কক্ষ পরিবর্তন করার জন্য এবং একটি নতুন কম্বল দেওয়ার অনুরোধ জানান সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কাছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, তাৎক্ষণিকভাবে তার এই যৌক্তিক দাবি বা কক্ষ বদলের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, যার ফলে সেখানে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এই ঘটনার পর সার্কিট হাউজের ওই কক্ষের বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিগুলোতে কক্ষের বিভিন্ন আসবাবপত্রে প্রচুর উইপোকার উপস্থিতি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল, যা ভিআইপি আবাসন ব্যবস্থার মান নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান গণমাধ্যমের কাছে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মহানগর জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, কুমিল্লা সার্কিট হাউজের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আধুনিক ভিআইপি ভবন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত সরকারি জনবল থাকলেও তাদের ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত হতাশাজনক। নেতার জন্য বরাদ্দকৃত কক্ষে উইপোকার উপদ্রব এবং বিকল্প কক্ষের ব্যবস্থা না করায় তীব্র অসন্তোষ নিয়ে তিনি সার্কিট হাউজ ছেড়ে চলে যান। ঘটনার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে এবং দায়িত্ব অবহেলার দায়ে সার্কিট নাজিরসহ তিনজনকে শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

ফেনী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কৃষক গুলিবিদ্ধ

উইপোকার দাপটে মধ্যরাতে সার্কিট হাউজ ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা তাহের

প্রকাশিত ১২:১৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা সার্কিট হাউজে উইপোকার চরম উপদ্রবের কারণে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে সেখানে রাত্রিযাপন না করেই অন্য স্থানে চলে গেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। ১১ দলীয় ঐਕ্যের একটি লংমার্চে অংশ নিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লায় পৌঁছান তিনি এবং সরকারি এই আবাসন ভবনে ওঠেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তার বিশ্রামের জন্য সার্কিট হাউজের রাধাচূড়া নামের ২০২ নম্বর কক্ষটি বরাদ্দ করা হয়েছিল।

রাত ১০টার দিকে নির্ধারিত ওই কক্ষে প্রবেশ করে উপনেতা দেখতে পান যে চারপাশের আসবাবপত্র এবং বিছানার কম্বলেও উইপোকার রাজত্ব চলছে। এই দৃশ্য দেখার পর তিনি অবিলম্বে কক্ষ পরিবর্তন করার জন্য এবং একটি নতুন কম্বল দেওয়ার অনুরোধ জানান সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীদের কাছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, তাৎক্ষণিকভাবে তার এই যৌক্তিক দাবি বা কক্ষ বদলের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, যার ফলে সেখানে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এই ঘটনার পর সার্কিট হাউজের ওই কক্ষের বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিগুলোতে কক্ষের বিভিন্ন আসবাবপত্রে প্রচুর উইপোকার উপস্থিতি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল, যা ভিআইপি আবাসন ব্যবস্থার মান নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান গণমাধ্যমের কাছে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মহানগর জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, কুমিল্লা সার্কিট হাউজের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আধুনিক ভিআইপি ভবন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত সরকারি জনবল থাকলেও তাদের ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত হতাশাজনক। নেতার জন্য বরাদ্দকৃত কক্ষে উইপোকার উপদ্রব এবং বিকল্প কক্ষের ব্যবস্থা না করায় তীব্র অসন্তোষ নিয়ে তিনি সার্কিট হাউজ ছেড়ে চলে যান। ঘটনার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে এবং দায়িত্ব অবহেলার দায়ে সার্কিট নাজিরসহ তিনজনকে শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।