ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ১৭ বছরে দেশের প্রত্যেকটা খাতই ধ্বংসের শেষ প্রান্তে উপনীত হয়েছে Logo মাদক ব্যবসায়ী-ছিনতাইকারীদের দীর্ঘদিন আটক রাখা যায় না: আইজিপি Logo আধুনিকায়ন হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি, বছরে তেল শোধন হবে ৪৫ লাখ টন Logo ফেনী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কৃষক গুলিবিদ্ধ Logo গাজীপুরে সিএনজি-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ Logo উইপোকার দাপটে মধ্যরাতে সার্কিট হাউজ ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা তাহের Logo বিচারকদের আবাসন সংকট নিরসনে বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ Logo নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, আগস্টে আক্রান্ত ৭১০ জন Logo সরকারকে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না Logo রাজশাহী থেকে সারাদেশে বাস চলাচল বন্ধ

ফেনী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কৃষক গুলিবিদ্ধ

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মোশাররফ হোসেন নামের এক বাংলাদেশি কৃষক গুরুতর আহত হয়েছেন। সীমান্তবর্তী শূন্যরেখার কাছাকাছি নিজ জমিতে কৃষিকাজ করার সময় পূর্ব কোনো উসকানি ছাড়াই তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে বিএসএফ সদস্যরা। আকস্মিক এই হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আহত মোশাররফ উপজেলার জয়নগর এলাকার পঁচা মিয়ার বাড়ির মৃত মো. মোস্তফার ছেলে এবং তার বয়স আনুমানিক পঁয়তাল্লিশ বছর। সীমান্তের কাছে নিজের জমিতে কাজ করার সময় বিএসএফের নিক্ষিপ্ত একটি গুলি তার পিঠের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। স্থানীয় লোকজন অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি ঘটলে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাকে দ্রুত ২ নম্বর ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার চালিয়ে তার শরীর থেকে গুলির একাংশ অপসারণ করতে সক্ষম হলেও, এখনো কিছু অংশ পেটের ভেতরে রয়ে গেছে। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে গুলিবিদ্ধ ওই কৃষক বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত সীমান্ত সহিংসতার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান যে বাংলাদেশি কৃষক গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় উভয় দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং স্থানীয় কৃষকদের নিরাপত্তাহীনতা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।

জনপ্রিয়

১৭ বছরে দেশের প্রত্যেকটা খাতই ধ্বংসের শেষ প্রান্তে উপনীত হয়েছে

ফেনী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কৃষক গুলিবিদ্ধ

প্রকাশিত ১২:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মোশাররফ হোসেন নামের এক বাংলাদেশি কৃষক গুরুতর আহত হয়েছেন। সীমান্তবর্তী শূন্যরেখার কাছাকাছি নিজ জমিতে কৃষিকাজ করার সময় পূর্ব কোনো উসকানি ছাড়াই তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে বিএসএফ সদস্যরা। আকস্মিক এই হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আহত মোশাররফ উপজেলার জয়নগর এলাকার পঁচা মিয়ার বাড়ির মৃত মো. মোস্তফার ছেলে এবং তার বয়স আনুমানিক পঁয়তাল্লিশ বছর। সীমান্তের কাছে নিজের জমিতে কাজ করার সময় বিএসএফের নিক্ষিপ্ত একটি গুলি তার পিঠের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। স্থানীয় লোকজন অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি ঘটলে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাকে দ্রুত ২ নম্বর ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার চালিয়ে তার শরীর থেকে গুলির একাংশ অপসারণ করতে সক্ষম হলেও, এখনো কিছু অংশ পেটের ভেতরে রয়ে গেছে। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশেক গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে গুলিবিদ্ধ ওই কৃষক বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত সীমান্ত সহিংসতার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান যে বাংলাদেশি কৃষক গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় উভয় দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং স্থানীয় কৃষকদের নিরাপত্তাহীনতা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।