ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইবিতে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, অস্ত্রধারী ১৯ বহিরাগত শনাক্ত Logo প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঢোকার চেষ্টা, ৫ দিনের রিমান্ডে যুবক Logo শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আর আপিলের সুযোগ নেই Logo ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, দূর করার সঠিক উপায় জানুন Logo প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে ভয়ংকর সিরিয়াল কিলারের ফাঁদে পড়ে রেজিনা, অতঃপর.. Logo স্বপ্নের ইউরোপ: মৃত্যুর দুয়ার থেকে মিশরে ৫৫ বাংলাদেশি Logo শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা কি কাজ করছে? Logo ব্যাংকে টাকা গুনছিলেন গ্রাহক, কৌশলে ৪ লাখ টাকা নিয়ে উধাও চোর Logo চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েব Logo ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের সম্মানী ভাতা দেবে সরকার

ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, দূর করার সঠিক উপায় জানুন

ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করতে ব্ল্যাকহেডসের জুড়ি মেলা ভার। নিখুঁতভাবে মেকআপ করা সত্ত্বেও নাকের ওপর কিংবা থুতনিতে ছোট এই কালো দাগগুলো পুরো সাজটাই মাটি করে দিতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই পার্লারের শরণাপন্ন হন কিংবা নানা রকম ঘরোয়া উপায় খুঁজতে থাকেন। তবে না জেনে নখ দিয়ে চেপে ব্ল্যাকহেডস তোলার প্রবণতা দেখা যায় অনেকের মধ্যে, যা সাময়িকভাবে ত্বক পরিষ্কার দেখালেও আদতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনে।

অনেকেরই ধারণা ব্ল্যাকহেডস বুঝি মুখের ময়লা, কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। ত্বকের সেবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত সিবাম বা তেল নিঃসরিত হওয়ার পর মৃত কোষের সঙ্গে মিশে লোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়। এই অবরুদ্ধ উপাদানগুলো বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জারিত হয়ে কালচে রূপ নেয়, যা মূলত এক ধরণের নন-ইনফ্ল্যামেটরি ব্রণ বা অ্যাকনে। সাধারণত মুখমণ্ডলের যেসব অংশ বেশি তেলতেলে হয়, যেমন নাক, কপাল এবং থুতনি, সেখানে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি প্রকট আকার ধারণ করে।

দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অনেকে ব্ল্যাকহেড রিমুভাল স্ট্রিপ ব্যবহার করেন অথবা নখ দিয়ে তা খুঁটে ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু এসব ক্ষতিকর অভ্যাস ত্বকে ক্ষত, লালচে ভাব ও সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে ত্বকের নিয়মিত যত্ন নেওয়া এবং উপযুক্ত উপাদান ব্যবহার করা উচিত। যেমন স্যালিসাইলিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার বা স্কিনকেয়ার সামগ্রী লোমকূপের ভেতর জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ও মৃত কোষ পরিষ্কার করতে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যা দূর করতে বেকিং সোডা ও লেবুর রসের প্যাক বেশ জনপ্রিয়। এক চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে সুফল মেলে। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বক ভেবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ রাখা একদমই অনুচিত, বরং হালকা ও নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া উচিত যাতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে আরও বেশি তেল উৎপাদন না করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাকহেডস রাতারাতি সম্পূর্ণ দূর করা কখনোই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য ধরে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং সঠিক জীবনধারা অনুসরণ করা। ত্বকের ধরন বুঝে উপযুক্ত প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা এবং জটিল ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও সুন্দর ত্বক পাওয়ার একমাত্র স্থায়ী সমাধান।

জনপ্রিয়

ইবিতে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, অস্ত্রধারী ১৯ বহিরাগত শনাক্ত

ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, দূর করার সঠিক উপায় জানুন

প্রকাশিত ০২:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করতে ব্ল্যাকহেডসের জুড়ি মেলা ভার। নিখুঁতভাবে মেকআপ করা সত্ত্বেও নাকের ওপর কিংবা থুতনিতে ছোট এই কালো দাগগুলো পুরো সাজটাই মাটি করে দিতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই পার্লারের শরণাপন্ন হন কিংবা নানা রকম ঘরোয়া উপায় খুঁজতে থাকেন। তবে না জেনে নখ দিয়ে চেপে ব্ল্যাকহেডস তোলার প্রবণতা দেখা যায় অনেকের মধ্যে, যা সাময়িকভাবে ত্বক পরিষ্কার দেখালেও আদতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনে।

অনেকেরই ধারণা ব্ল্যাকহেডস বুঝি মুখের ময়লা, কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। ত্বকের সেবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত সিবাম বা তেল নিঃসরিত হওয়ার পর মৃত কোষের সঙ্গে মিশে লোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়। এই অবরুদ্ধ উপাদানগুলো বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জারিত হয়ে কালচে রূপ নেয়, যা মূলত এক ধরণের নন-ইনফ্ল্যামেটরি ব্রণ বা অ্যাকনে। সাধারণত মুখমণ্ডলের যেসব অংশ বেশি তেলতেলে হয়, যেমন নাক, কপাল এবং থুতনি, সেখানে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি প্রকট আকার ধারণ করে।

দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অনেকে ব্ল্যাকহেড রিমুভাল স্ট্রিপ ব্যবহার করেন অথবা নখ দিয়ে তা খুঁটে ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু এসব ক্ষতিকর অভ্যাস ত্বকে ক্ষত, লালচে ভাব ও সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে ত্বকের নিয়মিত যত্ন নেওয়া এবং উপযুক্ত উপাদান ব্যবহার করা উচিত। যেমন স্যালিসাইলিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার বা স্কিনকেয়ার সামগ্রী লোমকূপের ভেতর জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ও মৃত কোষ পরিষ্কার করতে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যা দূর করতে বেকিং সোডা ও লেবুর রসের প্যাক বেশ জনপ্রিয়। এক চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে সুফল মেলে। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বক ভেবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ রাখা একদমই অনুচিত, বরং হালকা ও নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া উচিত যাতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে আরও বেশি তেল উৎপাদন না করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাকহেডস রাতারাতি সম্পূর্ণ দূর করা কখনোই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য ধরে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং সঠিক জীবনধারা অনুসরণ করা। ত্বকের ধরন বুঝে উপযুক্ত প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা এবং জটিল ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও সুন্দর ত্বক পাওয়ার একমাত্র স্থায়ী সমাধান।