ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়েও বাঁচানো গেল না রাবির চেসি ত্রিপুরাকে Logo ওসির সঙ্গে রুমিনের বাদানুবাদ, বললেন ‘আপনি বিরাট কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছিলেন’ Logo পাঁচ বছর পর মায়ের সঙ্গে প্রথম কথা বললেন অং সান সু চির ছেলে Logo বাল্যবিয়েতে কমে মেয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ Logo ব্যাটিং স্বর্গে ৮৫৯ রানের ওয়ানডে ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার ইতিহাস Logo ‘দ্য ডার্টি পিকচার ২’ তে কাজ করতে চান বিদ্যা বালান Logo দাম্মামগামী ৩ দিনের ফ্লাইট স্থগিত, রিয়াদ রুট বন্ধ ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত Logo রেয়ালকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে তেবাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ স্পেন সরকারের Logo শুধু টাইগার নয়, নজরদারিতে ছিলেন সালমান আমির ও রণবীর Logo প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার নিতে স্পেনে মেসি

ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, দূর করার সঠিক উপায় জানুন

ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করতে ব্ল্যাকহেডসের জুড়ি মেলা ভার। নিখুঁতভাবে মেকআপ করা সত্ত্বেও নাকের ওপর কিংবা থুতনিতে ছোট এই কালো দাগগুলো পুরো সাজটাই মাটি করে দিতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই পার্লারের শরণাপন্ন হন কিংবা নানা রকম ঘরোয়া উপায় খুঁজতে থাকেন। তবে না জেনে নখ দিয়ে চেপে ব্ল্যাকহেডস তোলার প্রবণতা দেখা যায় অনেকের মধ্যে, যা সাময়িকভাবে ত্বক পরিষ্কার দেখালেও আদতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনে।

অনেকেরই ধারণা ব্ল্যাকহেডস বুঝি মুখের ময়লা, কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। ত্বকের সেবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত সিবাম বা তেল নিঃসরিত হওয়ার পর মৃত কোষের সঙ্গে মিশে লোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়। এই অবরুদ্ধ উপাদানগুলো বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জারিত হয়ে কালচে রূপ নেয়, যা মূলত এক ধরণের নন-ইনফ্ল্যামেটরি ব্রণ বা অ্যাকনে। সাধারণত মুখমণ্ডলের যেসব অংশ বেশি তেলতেলে হয়, যেমন নাক, কপাল এবং থুতনি, সেখানে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি প্রকট আকার ধারণ করে।

দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অনেকে ব্ল্যাকহেড রিমুভাল স্ট্রিপ ব্যবহার করেন অথবা নখ দিয়ে তা খুঁটে ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু এসব ক্ষতিকর অভ্যাস ত্বকে ক্ষত, লালচে ভাব ও সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে ত্বকের নিয়মিত যত্ন নেওয়া এবং উপযুক্ত উপাদান ব্যবহার করা উচিত। যেমন স্যালিসাইলিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার বা স্কিনকেয়ার সামগ্রী লোমকূপের ভেতর জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ও মৃত কোষ পরিষ্কার করতে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যা দূর করতে বেকিং সোডা ও লেবুর রসের প্যাক বেশ জনপ্রিয়। এক চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে সুফল মেলে। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বক ভেবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ রাখা একদমই অনুচিত, বরং হালকা ও নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া উচিত যাতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে আরও বেশি তেল উৎপাদন না করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাকহেডস রাতারাতি সম্পূর্ণ দূর করা কখনোই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য ধরে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং সঠিক জীবনধারা অনুসরণ করা। ত্বকের ধরন বুঝে উপযুক্ত প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা এবং জটিল ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও সুন্দর ত্বক পাওয়ার একমাত্র স্থায়ী সমাধান।

জনপ্রিয়

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়েও বাঁচানো গেল না রাবির চেসি ত্রিপুরাকে

ব্ল্যাকহেডস কেন হয়, দূর করার সঠিক উপায় জানুন

প্রকাশিত ০২:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করতে ব্ল্যাকহেডসের জুড়ি মেলা ভার। নিখুঁতভাবে মেকআপ করা সত্ত্বেও নাকের ওপর কিংবা থুতনিতে ছোট এই কালো দাগগুলো পুরো সাজটাই মাটি করে দিতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই পার্লারের শরণাপন্ন হন কিংবা নানা রকম ঘরোয়া উপায় খুঁজতে থাকেন। তবে না জেনে নখ দিয়ে চেপে ব্ল্যাকহেডস তোলার প্রবণতা দেখা যায় অনেকের মধ্যে, যা সাময়িকভাবে ত্বক পরিষ্কার দেখালেও আদতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনে।

অনেকেরই ধারণা ব্ল্যাকহেডস বুঝি মুখের ময়লা, কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। ত্বকের সেবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত সিবাম বা তেল নিঃসরিত হওয়ার পর মৃত কোষের সঙ্গে মিশে লোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়। এই অবরুদ্ধ উপাদানগুলো বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জারিত হয়ে কালচে রূপ নেয়, যা মূলত এক ধরণের নন-ইনফ্ল্যামেটরি ব্রণ বা অ্যাকনে। সাধারণত মুখমণ্ডলের যেসব অংশ বেশি তেলতেলে হয়, যেমন নাক, কপাল এবং থুতনি, সেখানে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি প্রকট আকার ধারণ করে।

দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অনেকে ব্ল্যাকহেড রিমুভাল স্ট্রিপ ব্যবহার করেন অথবা নখ দিয়ে তা খুঁটে ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু এসব ক্ষতিকর অভ্যাস ত্বকে ক্ষত, লালচে ভাব ও সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে ত্বকের নিয়মিত যত্ন নেওয়া এবং উপযুক্ত উপাদান ব্যবহার করা উচিত। যেমন স্যালিসাইলিক অ্যাসিডযুক্ত ক্লিনজার বা স্কিনকেয়ার সামগ্রী লোমকূপের ভেতর জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ও মৃত কোষ পরিষ্কার করতে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যা দূর করতে বেকিং সোডা ও লেবুর রসের প্যাক বেশ জনপ্রিয়। এক চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে সুফল মেলে। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বক ভেবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ রাখা একদমই অনুচিত, বরং হালকা ও নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া উচিত যাতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে আরও বেশি তেল উৎপাদন না করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাকহেডস রাতারাতি সম্পূর্ণ দূর করা কখনোই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য ধরে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং সঠিক জীবনধারা অনুসরণ করা। ত্বকের ধরন বুঝে উপযুক্ত প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করা এবং জটিল ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও সুন্দর ত্বক পাওয়ার একমাত্র স্থায়ী সমাধান।