বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এবার নতুন সমীকরণ সামনে এসেছে। ফুটবলপ্রেমী ও বিশ্লেষকদের আলোচনায় এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, হ্যারি কেইনের হাতেই কি উঠতে চলেছে এই সোনালী ট্রফি। তাঁর সাম্প্রতিক গোল করার অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা এবং দলগত পারফরম্যান্স এই গুঞ্জনকে আরও জোরালো করে তুলেছে। মাঠের খেলায় তার এই রূপান্তর বিশ্বজুড়ে ফুটবল অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।
ফুটবল ইতিহাসের পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, ব্যালন ডি’অর বিজয়ী নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু ব্যক্তিগত নৈপুণ্য বা গোলের বন্যাই একমাত্র মাপকাঠি নয়। এর পাশাপাশি বড় কোনো শিরোপা জয় করাও এই পুরস্কার অর্জনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে থাকে। অতীতে বহু তারকা খেলোয়াড় মাঠে জাদুকরি পারফরম্যান্স করেও দলের সাফল্যের অভাবে এই খেতাব থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে হ্যারি কেইনের ক্ষেত্রেও দলীয় ট্রফি জয়ের বিষয়টি তার ভাগ্য নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
চলতি মৌসুমে হ্যারি কেইন তার ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে যেভাবে জালের দেখা পেয়েছেন, তা সত্যিই অভাবনীয়। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে গুঁড়িয়ে নিয়মিত গোল করে যাওয়া তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। শুধু গোল করাতেই নয়, দলের আক্রমণভাগ পরিচালনা এবং সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর ক্ষেত্রেও তিনি সমান পারদর্শিতা দেখাচ্ছেন। তাঁর এই সামগ্রিক অবদান তাকে ব্যালন ডি’অরের দাবিদারদের তালিকায় একেবারে সামনের সারিতে নিয়ে এসেছে।
তবে মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত পুরস্কারের চূড়ায় পৌঁছাতে হলে তাকে মৌসুমের বাকি সময়টায় এই ফর্ম ধরে রাখতে হবে। আসন্ন ম্যাচগুলোতে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রফি জেতার চ্যালেঞ্জ এখন তার সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। যদি তিনি মাঠের এই দারুণ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কোনো বড় শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে পারেন, তবে ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে তার পথ অনেকটাই সুগম হবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা।































