ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না

দেশের শীর্ষপর্যায়ের সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিশেষ সম্মানসূচক শব্দগুলো আর ব্যবহার করা হবে না। এই নতুন নিয়মের ফলে প্রশাসনিক নথিপত্র এবং দাপ্তরিক চিঠিপত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বাদ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি সুনির্দিষ্ট পরিপত্র জারি করা হয়েছে। মূলত প্রশাসনিক কার্যক্রমে আধুনিকতা ও সমতার বার্তা পৌঁছে দিতেই সরকারের নীতিনির্ধারক মহল এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি সকল স্তরের দাপ্তরিক নথিতে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

জাররিকৃত পরিপত্রে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানের পাশাপাশি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে এখন থেকে আর কোনো ধরনের সম্মানসূচক উপাধি লেখা যাবে না। এতদিন দাপ্তরিক কাগজপত্রে রাষ্ট্রপতির নামের আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে ‘মাননীয়’ শব্দগুলো ব্যবহার করার দীর্ঘদিনের প্রচলন ছিল।

নতুন এই নির্দেশনার ফলে দেশের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এগুলোর অধীনস্থ সকল দপ্তরের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও সারসংক্ষেপ প্রেরণের নিয়মে পরিবর্তন আসবে। এর মাধ্যমে সরকারি নথিপত্র লেখার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও সরল রূপরেখা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

বজ্রপাতে বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকুর বাসায় আগুন

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না

প্রকাশিত ০৩:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের শীর্ষপর্যায়ের সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিশেষ সম্মানসূচক শব্দগুলো আর ব্যবহার করা হবে না। এই নতুন নিয়মের ফলে প্রশাসনিক নথিপত্র এবং দাপ্তরিক চিঠিপত্রে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বাদ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি সুনির্দিষ্ট পরিপত্র জারি করা হয়েছে। মূলত প্রশাসনিক কার্যক্রমে আধুনিকতা ও সমতার বার্তা পৌঁছে দিতেই সরকারের নীতিনির্ধারক মহল এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি সকল স্তরের দাপ্তরিক নথিতে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

জাররিকৃত পরিপত্রে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানের পাশাপাশি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে এখন থেকে আর কোনো ধরনের সম্মানসূচক উপাধি লেখা যাবে না। এতদিন দাপ্তরিক কাগজপত্রে রাষ্ট্রপতির নামের আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে ‘মাননীয়’ শব্দগুলো ব্যবহার করার দীর্ঘদিনের প্রচলন ছিল।

নতুন এই নির্দেশনার ফলে দেশের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এগুলোর অধীনস্থ সকল দপ্তরের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও সারসংক্ষেপ প্রেরণের নিয়মে পরিবর্তন আসবে। এর মাধ্যমে সরকারি নথিপত্র লেখার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ও সরল রূপরেখা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।