ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo পানি নিয়ে আইন-পরিকল্পনা আছে, নেই সমন্বিত ব্যবস্থাপনা Logo পিঁপড়ারা কখনো একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায় না কেন Logo নিজেই বক্স ক্যামেরা বানিয়ে বদলে যাওয়া ঢাকার ছবি তুলেছেন এই আলোকচিত্রী Logo মশা দমনে ব্যর্থতার অভিযোগ, রাস্তায় মশারি টানিয়ে অবস্থান চার তরুণীর Logo ‘প্রধানমন্ত্রী আম্বানি’ স্টারলিংক নিয়ে মুকেশকে খোঁচা ইলন মাস্কের Logo বিশ্বাসের বাজারে সব মাল ভেজাল Logo মানসিক রোগের ওষুধ নিয়ে এই ৫টি ভুল ধারণা আপনার মধ্যেও আছে? Logo এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ Logo সিম্পসন’স প্যারাডক্স: যখন পরিসংখ্যান মিথ্যা না বলেও ধোঁকা দেয় Logo মানসিক স্বাস্থ্য: যাদের কথা শোনা জরুরি

ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

নোয়াখালী সদর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ফলে তার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরান নামের ৪৫ বছর বয়সী এক মাদরাসা শিক্ষককে স্থানীয় জনতা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক এমরান স্থানীয় অশ্বদিয়া ইউনিয়নের গোলাম কিবরিয়ার সন্তান বলে জানা গেছে এবং তিনি ওই শিক্ষার্থীর ওপর দীর্ঘদিন ধরে এই নিপীড়না চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার এবং পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার শিকার শিশুটি গত কয়েক মাস ধরে হঠাৎ করেই পড়াশোনায় উদাসীন হয়ে পড়ে এবং তার আচরণে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তার শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ করে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং গত ৭ সেপ্টেম্বর তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকদের পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় এবং তখন সে তার পরিবারকে শিক্ষকের নির্যাতনের সমস্ত ঘটনা খুলে বলে।

শিশুটির পরিবার জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক এমরান তার নিজ বাসায় শিশুটিকে প্রাইভেট পড়াতেন এবং সেই সুযোগে বিগত পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে তাকে একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এই ন্যক্কারজনক ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষক এমরানকে ধরে উত্তমমধ্যম দেয়। খবর পেয়ে সুধারাম থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন অর্থাৎ গত ৯ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে সুধারাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি নিয়মিত ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখায় এবং গণপিটুনির শিকার হওয়ায় তাকে পুলিশ প্রহরায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আসামির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

জনপ্রিয়

পানি নিয়ে আইন-পরিকল্পনা আছে, নেই সমন্বিত ব্যবস্থাপনা

ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

প্রকাশিত ০৮:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালী সদর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ফলে তার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরান নামের ৪৫ বছর বয়সী এক মাদরাসা শিক্ষককে স্থানীয় জনতা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক এমরান স্থানীয় অশ্বদিয়া ইউনিয়নের গোলাম কিবরিয়ার সন্তান বলে জানা গেছে এবং তিনি ওই শিক্ষার্থীর ওপর দীর্ঘদিন ধরে এই নিপীড়না চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার এবং পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার শিকার শিশুটি গত কয়েক মাস ধরে হঠাৎ করেই পড়াশোনায় উদাসীন হয়ে পড়ে এবং তার আচরণে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা তার শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ করে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং গত ৭ সেপ্টেম্বর তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকদের পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় এবং তখন সে তার পরিবারকে শিক্ষকের নির্যাতনের সমস্ত ঘটনা খুলে বলে।

শিশুটির পরিবার জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষক এমরান তার নিজ বাসায় শিশুটিকে প্রাইভেট পড়াতেন এবং সেই সুযোগে বিগত পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে তাকে একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এই ন্যক্কারজনক ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষক এমরানকে ধরে উত্তমমধ্যম দেয়। খবর পেয়ে সুধারাম থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন অর্থাৎ গত ৯ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে সুধারাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি নিয়মিত ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখায় এবং গণপিটুনির শিকার হওয়ায় তাকে পুলিশ প্রহরায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আসামির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হবে।