ক্রিকেট মাঠে দারুণ এক অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি হাসান। দলের বিপর্যয়ের মুহূর্তে বল হাতে যেমন প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন, তেমনি ব্যাট হাতেও ম্যাচ বাঁচানোর অদম্য চেষ্টা চালিয়েছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। তার এই লড়াকু মানসিকতা দর্শকদের মুগ্ধ করলেও পরাজয়ের স্বাদ থেকে দলটিকে মুক্ত করতে পারেনি। ম্যাচের শুরু থেকেই তিনি নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মাঠে লড়াই চালিয়ে যান।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে হাসান তুলে নেন প্রতিপক্ষের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসেও তার বোলিং ধার অব্যাহত থাকে এবং তিনি শিকার করেন আরও ৩টি উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে বল হাতে তার এই দুর্দান্ত সাফল্য দলের জন্য বড় প্রাপ্তি ছিল। মূলত তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণেই প্রতিপক্ষ দল বড় কোনো বিশাল সংগ্রহ গড়ার সুযোগ পায়নি।
শুধু বল হাতেই নয়, ম্যাচের শেষ দিনে দলের চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের সময় হাল ধরতে হয় হাসানকে। পরাজয় যখন প্রায় নিশ্চিত, তখন দলের হার এড়ানোর কঠিন দায়িত্বে উইকেটে টিকে থাকেন তিনি। ব্যাট হাতে অত্যন্ত ধৈর্য ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে তিনি মোকাবিলা করেন মূল্যবান ৪৮টি বল। তার এই প্রতিরোধ ক্ষমতা দলের পরাজয়ের ব্যবধান দীর্ঘ করার পাশাপাশি অন্যপ্রান্তের ব্যাটসম্যানদেরও সাহস জুগিয়েছিল।
তবে শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় উইকেটে টিকে থেকেও পরাজয়ের হাত থেকে দলকে বাঁচাতে পারেননি হাসান। সঙ্গীর অভাব এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের মুখে এক পর্যায়ে ভেঙে পড়ে দলের প্রতিরোধ। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে ম্যাচটিতে তিনি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকলেও দলের সম্মিলিত ব্যর্থতার কারণে মাঠ ছাড়তে হয় হতাশা নিয়ে।




































